ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার (২২ জুন) উপাচার্য অধ্যাপক এ. এস. এম. ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদিত হয়। সভায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ওঠা অভিযোগ এবং বাংলা বিভাগের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন জনপ্রিয় শিল্পীর গান পরিবেশন করে ফেসবুকে আলোচনায় আসেন অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব। শাহ আবদুল করিম, জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুসহ বিভিন্ন শিল্পীর গান গাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তার বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আসে।
তবে তাকে কেন নির্দিষ্টভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো বা এ সিদ্ধান্তের মেয়াদ কতদিন—এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে একই সিন্ডিকেট সভায় জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তিনজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন। অন্যজন ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক বলে জানা গেছে, তবে তার নাম তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার (২২ জুন) উপাচার্য অধ্যাপক এ. এস. এম. ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদিত হয়। সভায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ওঠা অভিযোগ এবং বাংলা বিভাগের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন জনপ্রিয় শিল্পীর গান পরিবেশন করে ফেসবুকে আলোচনায় আসেন অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব। শাহ আবদুল করিম, জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুসহ বিভিন্ন শিল্পীর গান গাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তার বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আসে।
তবে তাকে কেন নির্দিষ্টভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো বা এ সিদ্ধান্তের মেয়াদ কতদিন—এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে একই সিন্ডিকেট সভায় জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তিনজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন। অন্যজন ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক বলে জানা গেছে, তবে তার নাম তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন