প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফরে সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি’ বিষয়ক এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর ছাড় দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি সহায়তাও অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরও বিস্তৃত কর-সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
চিফ হুইপ বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, উদ্যোক্তাদের নীতি সহায়তা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে সরকারি ভবনগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। এর বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর ইতিবাচক ফলাফল দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চীন সফরে সম্ভাব্য এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্প্রসারণে নতুন গতি আসতে পারে এবং জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্বনির্ভরতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফরে সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি’ বিষয়ক এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর ছাড় দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি সহায়তাও অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরও বিস্তৃত কর-সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
চিফ হুইপ বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, উদ্যোক্তাদের নীতি সহায়তা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে সরকারি ভবনগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। এর বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর ইতিবাচক ফলাফল দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চীন সফরে সম্ভাব্য এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্প্রসারণে নতুন গতি আসতে পারে এবং জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্বনির্ভরতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।

আপনার মতামত লিখুন