আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীতে সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, গুম, খুন ও বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে দেশে অস্থিরতা ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার বিচার এবং গুম-খুনের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে রাজধানীর সমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ৪ জুলাই দেশের সব জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে ১১-দলীয় ঐক্য। ওই কর্মসূচিতে গুম-খুনের বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিও উত্থাপন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে ১১-দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং নিষিদ্ধ বা বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের দায়িত্ব সরকারের।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন এবং এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ জোটভুক্ত দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীতে সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, গুম, খুন ও বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে দেশে অস্থিরতা ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার বিচার এবং গুম-খুনের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে রাজধানীর সমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ৪ জুলাই দেশের সব জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে ১১-দলীয় ঐক্য। ওই কর্মসূচিতে গুম-খুনের বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিও উত্থাপন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে ১১-দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং নিষিদ্ধ বা বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের দায়িত্ব সরকারের।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন এবং এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ জোটভুক্ত দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন