বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির নতুন নাম রাখা হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত গত ৯ জুন প্রেরিত এক চিঠিতে এই নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবের বিষয়টি উঠে আসে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের জন্য একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান এবং বগুড়ার জেলা প্রশাসককে বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে যৌক্তিকতা ও স্থানীয় জনমতসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সংশোধিত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২’-এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুসরণ করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বহন করছে। নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ী ও সচেতন মহলের একাংশ দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী নাম পরিবর্তনের এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নাম করণ করা সমীচীন নয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও নিজ দুই ছেলের নামে ইউনিয়নের নামকরণের প্রস্তাব দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরকারি বিদ্যালয়ের নাম নিজের নামে করার এই প্রস্তাব রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির নতুন নাম রাখা হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত গত ৯ জুন প্রেরিত এক চিঠিতে এই নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবের বিষয়টি উঠে আসে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের জন্য একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান এবং বগুড়ার জেলা প্রশাসককে বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে যৌক্তিকতা ও স্থানীয় জনমতসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সংশোধিত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২’-এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুসরণ করে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বহন করছে। নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ী ও সচেতন মহলের একাংশ দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী নাম পরিবর্তনের এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নাম করণ করা সমীচীন নয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও নিজ দুই ছেলের নামে ইউনিয়নের নামকরণের প্রস্তাব দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরকারি বিদ্যালয়ের নাম নিজের নামে করার এই প্রস্তাব রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন