আলোচিত রয়েল রিসোর্টকাণ্ড ও ‘৫০১’ ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ ব্যাখ্যামূলক বক্তব্য প্রকাশ করেছেন মামুনুল হক। আজ সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ২০২১ সালের নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ঘটনাকে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ এবং ‘চরিত্র হননের অপচেষ্টা’ বলে দাবি করেছেন।
পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরাকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। সে সময় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলেই তিনি ও তাঁর স্ত্রী নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন।
দীর্ঘ পোস্টে জান্নাত আরার সঙ্গে তাঁর বিবাহ, সেই সম্পর্ক গোপন রাখার কারণ এবং পরবর্তী সময়ে তাদের বিচ্ছেদের বিষয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, জান্নাত আরার সঙ্গে তাঁর বিবাহ শরিয়তসম্মত ছিল এবং ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল ছিল। পরে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মামুনুল হক অভিযোগ করেন, রয়েল রিসোর্টকাণ্ডের পর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনিক মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও ফোনালাপ প্রকাশের ঘটনাকে তিনি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে তিনি কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি বলেও উল্লেখ করেন।
আলোচিত ‘৫০১’ প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, এটি তাঁর জন্য কোনো নেতিবাচক প্রতীক নয়। বরং তিনি এটিকে তৎকালীন সরকারের একটি ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ এবং ‘ষড়যন্ত্রের পরাজয়ের প্রতীক’ হিসেবে দেখেন। ভবিষ্যতে ‘৫০১’কে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা ইতিবাচক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করবেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
পোস্টের শেষাংশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হকের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
আলোচিত রয়েল রিসোর্টকাণ্ড ও ‘৫০১’ ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ ব্যাখ্যামূলক বক্তব্য প্রকাশ করেছেন মামুনুল হক। আজ সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ২০২১ সালের নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ঘটনাকে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ এবং ‘চরিত্র হননের অপচেষ্টা’ বলে দাবি করেছেন।
পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরাকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। সে সময় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলেই তিনি ও তাঁর স্ত্রী নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন।
দীর্ঘ পোস্টে জান্নাত আরার সঙ্গে তাঁর বিবাহ, সেই সম্পর্ক গোপন রাখার কারণ এবং পরবর্তী সময়ে তাদের বিচ্ছেদের বিষয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, জান্নাত আরার সঙ্গে তাঁর বিবাহ শরিয়তসম্মত ছিল এবং ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল ছিল। পরে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মামুনুল হক অভিযোগ করেন, রয়েল রিসোর্টকাণ্ডের পর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনিক মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও ফোনালাপ প্রকাশের ঘটনাকে তিনি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে তিনি কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি বলেও উল্লেখ করেন।
আলোচিত ‘৫০১’ প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, এটি তাঁর জন্য কোনো নেতিবাচক প্রতীক নয়। বরং তিনি এটিকে তৎকালীন সরকারের একটি ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ এবং ‘ষড়যন্ত্রের পরাজয়ের প্রতীক’ হিসেবে দেখেন। ভবিষ্যতে ‘৫০১’কে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা ইতিবাচক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করবেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
পোস্টের শেষাংশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হকের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়।

আপনার মতামত লিখুন