যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) ডাউনিং স্ট্রিটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, দলের অভ্যন্তরীণ মতামত ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তিনি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বক্তব্যে স্টারমার বলেন, তিনি দলের সদস্যদের মতামত শুনেছেন এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে রাজা তৃতীয় চার্লসকে অবহিত করেছেন।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসা স্টারমার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দলীয় অসন্তোষ ও জনসমর্থন হ্রাসের চাপে ছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির দুর্বল ফলাফল এবং দলের ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি তার ওপর চাপ বাড়িয়ে তোলে।
লেবার পার্টির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি (এনইসি) আগামী ৯ জুলাই থেকে নতুন নেতা নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করবে। মনোনয়ন জমার শেষ সময় ১৬ জুলাই। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে সেপ্টেম্বরের আগে নতুন নেতা নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বর্তমানে নেতৃত্বের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন। সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার বিজয় লেবার পার্টির ভেতরে নতুন নেতৃত্বের দাবিকে আরও জোরালো করেছে।
স্টারমারের পদত্যাগের ফলে যুক্তরাজ্যে আবারও নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে এখন পর্যন্ত আর্থিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি এখন লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার দিকে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) ডাউনিং স্ট্রিটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, দলের অভ্যন্তরীণ মতামত ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তিনি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বক্তব্যে স্টারমার বলেন, তিনি দলের সদস্যদের মতামত শুনেছেন এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে রাজা তৃতীয় চার্লসকে অবহিত করেছেন।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসা স্টারমার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দলীয় অসন্তোষ ও জনসমর্থন হ্রাসের চাপে ছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির দুর্বল ফলাফল এবং দলের ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি তার ওপর চাপ বাড়িয়ে তোলে।
লেবার পার্টির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি (এনইসি) আগামী ৯ জুলাই থেকে নতুন নেতা নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করবে। মনোনয়ন জমার শেষ সময় ১৬ জুলাই। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে সেপ্টেম্বরের আগে নতুন নেতা নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বর্তমানে নেতৃত্বের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন। সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার বিজয় লেবার পার্টির ভেতরে নতুন নেতৃত্বের দাবিকে আরও জোরালো করেছে।
স্টারমারের পদত্যাগের ফলে যুক্তরাজ্যে আবারও নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে এখন পর্যন্ত আর্থিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি এখন লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার দিকে।

আপনার মতামত লিখুন