বর্তমান বিশ্বে মানবিক সংকটের যে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে, তা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সংবেদনশীল ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের মানবিক বিষয়ক পর্বে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মানবিক নীতি সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা ও সংঘাতের এই সময়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণকে অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ নানামুখী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়ানো, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং সমাজের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। বিশেষ করে সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষ ও সংকটাপন্ন শিশুদের ক্রমবর্ধমান মানবিক দুর্দশা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। বর্তমান বিশ্বের মানবিক কার্যক্রমগুলোতে যে অর্থায়নের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে, তা কাটিয়ে উঠতে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও অংশীদারদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নারীর ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংঘাত-পরবর্তী পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিশ্বজুড়ে শান্তি রক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের সাহসিকতা, নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শান্তি স্থাপনের প্রতিটি পদক্ষেপে নারীদের অর্থবহ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি পুনরায় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, এই মানবিক সংকটের চূড়ান্ত সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমি মিয়ানমারে সসম্মানে ও নিরাপদে প্রত্যাবর্তন। এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অব্যাহত চাপ প্রয়োগ ও সহযোগিতা বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থার নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার কথা রয়েছে, যা শান্তি ও নারী অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
বর্তমান বিশ্বে মানবিক সংকটের যে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে, তা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সংবেদনশীল ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের মানবিক বিষয়ক পর্বে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মানবিক নীতি সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা ও সংঘাতের এই সময়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণকে অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ নানামুখী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়ানো, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং সমাজের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। বিশেষ করে সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষ ও সংকটাপন্ন শিশুদের ক্রমবর্ধমান মানবিক দুর্দশা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। বর্তমান বিশ্বের মানবিক কার্যক্রমগুলোতে যে অর্থায়নের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে, তা কাটিয়ে উঠতে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও অংশীদারদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নারীর ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংঘাত-পরবর্তী পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিশ্বজুড়ে শান্তি রক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের সাহসিকতা, নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শান্তি স্থাপনের প্রতিটি পদক্ষেপে নারীদের অর্থবহ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি পুনরায় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, এই মানবিক সংকটের চূড়ান্ত সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমি মিয়ানমারে সসম্মানে ও নিরাপদে প্রত্যাবর্তন। এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অব্যাহত চাপ প্রয়োগ ও সহযোগিতা বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থার নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার কথা রয়েছে, যা শান্তি ও নারী অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন