দিকপাল

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের আঘাত, ৬.৭ মাত্রা রেকর্ড


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ | ০৩:১৮ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের আঘাত, ৬.৭ মাত্রা রেকর্ড

ইন্দোনেশিয়ার মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের একাংশে আজ মঙ্গলবার ১৬ জুন শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক সাত। স্থানীয় সময় সকালের দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই প্রকট ছিল যে, প্রদেশের রাজধানী পালু শহরে তা দীর্ঘ এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে অনুভূত হয়। প্রায় চার লাখ মানুষের জনবহুল এই শহরটিতে ভূমিকম্পের প্রবল ঝাঁকুনিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু স্থানে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল পালু শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার। মূল ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পরপরই একের পর এক শক্তিশালী আফটারশক বা পরাঘাত শুরু হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে তীব্রগুলোর মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক দুই, পাঁচ দশমিক শূন্য এবং চার দশমিক নয়। এই ধারাবাহিক কম্পন পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

ইন্দোনেশিয়া ভৌগোলিকভাবে বেশ কয়েকটি সক্রিয় ভূকম্পন চ্যুতির ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। এর আগেও সুলাওয়েসি দ্বীপ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বড় ধরনের ট্র্যাজেডির সাক্ষী হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে মামুজু শহরের কাছে ছয় দশমিক দুই মাত্রার ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পালু এলাকায় সাত দশমিক পাঁচ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প ও এর ফলে সৃষ্ট তিন মিটার উঁচু সুনামিতে চার হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। এবারের এই ভূমিকম্পটি সেই ভয়াবহ স্মৃতিগুলোকে আবারও তাজা করে তুলেছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে কাজ করছে এবং আক্রান্ত মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের আঘাত, ৬.৭ মাত্রা রেকর্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

ইন্দোনেশিয়ার মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের একাংশে আজ মঙ্গলবার ১৬ জুন শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক সাত। স্থানীয় সময় সকালের দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই প্রকট ছিল যে, প্রদেশের রাজধানী পালু শহরে তা দীর্ঘ এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে অনুভূত হয়। প্রায় চার লাখ মানুষের জনবহুল এই শহরটিতে ভূমিকম্পের প্রবল ঝাঁকুনিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু স্থানে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল পালু শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার। মূল ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পরপরই একের পর এক শক্তিশালী আফটারশক বা পরাঘাত শুরু হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে তীব্রগুলোর মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক দুই, পাঁচ দশমিক শূন্য এবং চার দশমিক নয়। এই ধারাবাহিক কম্পন পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

ইন্দোনেশিয়া ভৌগোলিকভাবে বেশ কয়েকটি সক্রিয় ভূকম্পন চ্যুতির ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। এর আগেও সুলাওয়েসি দ্বীপ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বড় ধরনের ট্র্যাজেডির সাক্ষী হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে মামুজু শহরের কাছে ছয় দশমিক দুই মাত্রার ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পালু এলাকায় সাত দশমিক পাঁচ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প ও এর ফলে সৃষ্ট তিন মিটার উঁচু সুনামিতে চার হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। এবারের এই ভূমিকম্পটি সেই ভয়াবহ স্মৃতিগুলোকে আবারও তাজা করে তুলেছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে কাজ করছে এবং আক্রান্ত মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল