চলতি জুন মাসের প্রথম তেরো দিনে দেশে মোট ১৩৬ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং দেশের অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই প্রবাহ এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ব্যাংকভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, জুন মাসের এই সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার ডলার দেশে এসেছে। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো এই আয়ের প্রবাহ গত কয়েক মাস ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে।
এর আগে গত মে মাসে দেশে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। তার আগে এপ্রিল মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চ মাসে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স সংগ্রহের রেকর্ড। এভাবে বছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে জানুয়ারি মাসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার, ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারসহ প্রতিটি মাসেই বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে।
পূর্ববর্তী অর্থবছরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে যেকোনো অর্থবছরের জন্য সর্বোচ্চ রেকর্ড। বিগত বছরগুলোতে অক্টোবর, সেপ্টেম্বর, আগস্ট কিংবা জুলাই মাসের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলেও দেখা যায় যে, প্রবাসীরা নিয়মিত বিরতিতে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে। প্রবাসীদের এই আত্মত্যাগ ও নিরবচ্ছিন্ন অর্থপ্রবাহ মূলত দেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
চলতি জুন মাসের প্রথম তেরো দিনে দেশে মোট ১৩৬ কোটি ২২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং দেশের অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই প্রবাহ এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ব্যাংকভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, জুন মাসের এই সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার ডলার দেশে এসেছে। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো এই আয়ের প্রবাহ গত কয়েক মাস ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে।
এর আগে গত মে মাসে দেশে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। তার আগে এপ্রিল মাসে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চ মাসে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স সংগ্রহের রেকর্ড। এভাবে বছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে জানুয়ারি মাসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার, ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারসহ প্রতিটি মাসেই বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে।
পূর্ববর্তী অর্থবছরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে যেকোনো অর্থবছরের জন্য সর্বোচ্চ রেকর্ড। বিগত বছরগুলোতে অক্টোবর, সেপ্টেম্বর, আগস্ট কিংবা জুলাই মাসের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলেও দেখা যায় যে, প্রবাসীরা নিয়মিত বিরতিতে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে। প্রবাসীদের এই আত্মত্যাগ ও নিরবচ্ছিন্ন অর্থপ্রবাহ মূলত দেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন