দিকপাল

কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে তৃতীয় ভাষা, উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ | ০২:৩৮ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে তৃতীয় ভাষা, উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে আমূল বদলে দেওয়ার জন্য এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার, ১১ জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন বাজেট পেশ করবেন, যেখানে অগ্রাধিকার পাওয়া খাতগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারিকুলামের আধুনিকায়ন থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই বাজেটে নানামুখী প্রশংসনীয় পদক্ষেপের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকার এই খাতে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ ধাপে ধাপে মোট দেশজ উৎপাদনের বা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার একটি দীর্ঘমেয়াদি ও ঐতিহাসিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমান যুগের দক্ষতাভিত্তিক ও আধুনিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে সাজাতে একাধিক নতুন ও বৈপ্লবিক কর্মসূচি এবারের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রচলিত পড়াশোনার গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ও মানবিক গুণাবলি বিকাশের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে শিক্ষার মূলধারার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবারের বাজেটে শিক্ষাব্যবস্থাকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করতে ‘আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা’ ধারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের মানসিক চাপ ছাড়াই শিক্ষার্থীরা প্রফুল্ল চিত্তে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এর পাশাপাশি দেশের কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার হার বাড়াতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করার একটি যুগান্তকারী প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রেও। এখন থেকে প্রথাগত বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক ভাষা থেকে যেকোনো একটি তৃতীয় ভাষা হিসেবে শেখার সুযোগ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এই ভাষাগুলো শিখে যারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চাইবেন, তাদের আর্থিক সংকট দূর করতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। এই পুরো উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির একটি বড় অবস্থান তৈরি করা।

নারী শিক্ষাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে এবং মেয়েদের ঝরে পড়ার হার কমাতে স্নাতক বা ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণের একটি দারুণ ঘোষণা আসতে যাচ্ছে এবারের বাজেটে। এর পাশাপাশি দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখায় নিয়মিত করতে সরকারি উদ্যোগে স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রসারিত করা হবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য পর্যায়ক্রমে সারা দেশের স্কুলগুলোতে দুপুরে পুষ্টিকর খাবার বা মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও নারী শিক্ষিকাদের সুস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে মানসম্মত স্যানিটেশন ও হাইজিন ব্যবস্থাকে কঠোরভাবে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান যুগের সবচেয়ে আলোচিত আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অগ্রসর বিষয়গুলোকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে তারহীন ইন্টারনেট বা ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষকদের প্রযুক্তিবান্ধব করতে ‘একজন শিক্ষকের জন্য একটি ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েরই ডিজিটাল শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা অনেক গুণ বেড়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সর্বোপরি, শিক্ষার্থীদের ভেতরের সুপ্ত সৃজনশীলতা ও মেধার সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সাহিত্যচর্চার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরো বেশি উৎসাহিত ও পৃষ্ঠপোষকতা করার কথা বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে তৃতীয় ভাষা, উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে আমূল বদলে দেওয়ার জন্য এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার, ১১ জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন বাজেট পেশ করবেন, যেখানে অগ্রাধিকার পাওয়া খাতগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারিকুলামের আধুনিকায়ন থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই বাজেটে নানামুখী প্রশংসনীয় পদক্ষেপের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকার এই খাতে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ ধাপে ধাপে মোট দেশজ উৎপাদনের বা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার একটি দীর্ঘমেয়াদি ও ঐতিহাসিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমান যুগের দক্ষতাভিত্তিক ও আধুনিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে সাজাতে একাধিক নতুন ও বৈপ্লবিক কর্মসূচি এবারের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রচলিত পড়াশোনার গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা ও মানবিক গুণাবলি বিকাশের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে শিক্ষার মূলধারার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবারের বাজেটে শিক্ষাব্যবস্থাকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করতে ‘আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা’ ধারণাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের মানসিক চাপ ছাড়াই শিক্ষার্থীরা প্রফুল্ল চিত্তে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এর পাশাপাশি দেশের কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার হার বাড়াতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষাকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করার একটি যুগান্তকারী প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রেও। এখন থেকে প্রথাগত বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক ভাষা থেকে যেকোনো একটি তৃতীয় ভাষা হিসেবে শেখার সুযোগ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এই ভাষাগুলো শিখে যারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চাইবেন, তাদের আর্থিক সংকট দূর করতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। এই পুরো উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির একটি বড় অবস্থান তৈরি করা।

নারী শিক্ষাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে এবং মেয়েদের ঝরে পড়ার হার কমাতে স্নাতক বা ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণের একটি দারুণ ঘোষণা আসতে যাচ্ছে এবারের বাজেটে। এর পাশাপাশি দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখায় নিয়মিত করতে সরকারি উদ্যোগে স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রসারিত করা হবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য পর্যায়ক্রমে সারা দেশের স্কুলগুলোতে দুপুরে পুষ্টিকর খাবার বা মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও নারী শিক্ষিকাদের সুস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে মানসম্মত স্যানিটেশন ও হাইজিন ব্যবস্থাকে কঠোরভাবে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান যুগের সবচেয়ে আলোচিত আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অগ্রসর বিষয়গুলোকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে তারহীন ইন্টারনেট বা ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষকদের প্রযুক্তিবান্ধব করতে ‘একজন শিক্ষকের জন্য একটি ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েরই ডিজিটাল শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা অনেক গুণ বেড়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সর্বোপরি, শিক্ষার্থীদের ভেতরের সুপ্ত সৃজনশীলতা ও মেধার সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সাহিত্যচর্চার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরো বেশি উৎসাহিত ও পৃষ্ঠপোষকতা করার কথা বলা হয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল