দিকপাল

ঋণের চাপে সংকুচিত উন্নয়ন পরিকল্পনা


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ | ০৯:২৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ঋণের চাপে সংকুচিত উন্নয়ন পরিকল্পনা

বাংলাদেশের সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট বা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দিন দিন বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। প্রতি বছরই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বিশাল আকারের আর্থিক বরাদ্দ রাখা হয় এবং এর আওতায় যুক্ত করা হয় অসংখ্য ছোট-বড় নতুন প্রকল্প। তবে চিন্তার বিষয় হলো, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মোট অর্থের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে অন্তত ৩৫ শতাংশ বা তারও বেশি টাকা আসবে বলে ধরে নেওয়া হয় বিদেশি ঋণ ও সাহায্য থেকে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ তহবিলের ঘাটতি থাকার কারণে বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য চড়া সুদে ও কঠিন শর্তে এসব বিদেশি ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে সরকার, যা পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে বড় ঋণের বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রতি বছরই সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি এক ধরনের অদৃশ্য ঋণের ফাঁদে আটকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রতি বছর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও ক্রমাগত বাড়ছে।

দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদরা এই কঠিন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের নিজস্ব রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করে অভ্যন্তরীণ অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। অনেক সময় দেখা যায়, বছরের শুরুতে বিশাল ঢাকঢোল পিটিয়ে বড় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে অর্থাভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ধীরগতির কারণে সেগুলো সময়মতো আলোর মুখ দেখে না। ফলে বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে মূল বাজেট সংশোধন করে বরাদ্দের আকার অনেক কমিয়ে আনা হয়। বিশেষ করে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রত্যাশিত বিদেশি ঋণ ও অনুদান না মিললে স্বভাবতই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি থমকে যায়। অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে পাওয়ার আশা করা হয়েছিল ৮৬ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে বাস্তবতার নিরিখে সংশোধিত বাজেটে মূল বরাদ্দ কাটছাঁট করে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা করা হয় এবং একই সাথে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রাও কমিয়ে ৭২ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

অনুরূপভাবে, আসন্ন ২০ Font ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব সরকারি তহবিল থেকে এবং বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে সংস্থান করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যদিও পরিকল্পনা কমিশন আশা প্রকাশ করেছে যে, এই বিশাল বরাদ্দের মাধ্যমে সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন সক্ষমতার উন্নতি হবে, তবে বিশ্লেষকদের মনে সংশয় রয়েই গেছে। গত পাঁচ অর্থবছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় সম্পদের চেয়ে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরতা ক্রমাগত বাড়ছে। যেমন, ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট বরাদ্দের মধ্যে বিদেশি ঋণের হার ছিল মাত্র ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ। কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেই হার একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের একটি বিশেষ প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে কেবল ২০২২-২৩ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিদেশি ঋণের হার আগের বছরের তুলনায় সামান্য কমেছিল, যা ছিল মোট বরাদ্দের ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া বাকি চার অর্থবছরেই এই হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই হার বেড়ে হয়েছিল ৩২ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং তার পরের বছর তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ শতাংশে গিয়ে পৌঁছায়। চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছর এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটেও এই বিদেশি ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ বা তার কিছু বেশি। এর বিপরীতে প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের নিজস্ব বা অভ্যন্তরীণ সম্পদের ব্যবহারের হার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে মোট বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থ আসত দেশীয় উৎস থেকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ১৯ শতাংশে।

এই সামগ্রিক বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন যে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিজস্ব সম্পদ এমনিতেই অত্যন্ত সীমিত, তার ওপর আমাদের দেশের কর ও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে অনেক কম। অথচ আমাদের কাছাকাছি অর্থনীতির অন্যান্য দেশগুলো নিজেদের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। রাজস্বের এই চরম ঘাটতির কারণেই মূলত যেকোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে বাধ্য হয়ে বিদেশি ঋণ ও সহায়তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে, যা দিন দিন আমাদের ঋণের বোঝাকে আরও ভারী করছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এই বৃত্ত থেকে যদি দেশকে বের করে আনতে হয়, তবে সবার আগে নিজেদের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়াতে হবে এবং যেকোনো মূল্যে সরকারের রাজস্ব ও কর আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ঋণের চাপে সংকুচিত উন্নয়ন পরিকল্পনা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট বা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দিন দিন বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। প্রতি বছরই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বিশাল আকারের আর্থিক বরাদ্দ রাখা হয় এবং এর আওতায় যুক্ত করা হয় অসংখ্য ছোট-বড় নতুন প্রকল্প। তবে চিন্তার বিষয় হলো, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মোট অর্থের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে অন্তত ৩৫ শতাংশ বা তারও বেশি টাকা আসবে বলে ধরে নেওয়া হয় বিদেশি ঋণ ও সাহায্য থেকে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ তহবিলের ঘাটতি থাকার কারণে বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য চড়া সুদে ও কঠিন শর্তে এসব বিদেশি ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে সরকার, যা পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে বড় ঋণের বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রতি বছরই সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি এক ধরনের অদৃশ্য ঋণের ফাঁদে আটকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রতি বছর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও ক্রমাগত বাড়ছে।

দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদরা এই কঠিন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের নিজস্ব রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করে অভ্যন্তরীণ অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। অনেক সময় দেখা যায়, বছরের শুরুতে বিশাল ঢাকঢোল পিটিয়ে বড় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে অর্থাভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ধীরগতির কারণে সেগুলো সময়মতো আলোর মুখ দেখে না। ফলে বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে মূল বাজেট সংশোধন করে বরাদ্দের আকার অনেক কমিয়ে আনা হয়। বিশেষ করে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রত্যাশিত বিদেশি ঋণ ও অনুদান না মিললে স্বভাবতই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি থমকে যায়। অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে পাওয়ার আশা করা হয়েছিল ৮৬ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে বাস্তবতার নিরিখে সংশোধিত বাজেটে মূল বরাদ্দ কাটছাঁট করে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা করা হয় এবং একই সাথে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রাও কমিয়ে ৭২ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

অনুরূপভাবে, আসন্ন ২০ Font ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব সরকারি তহবিল থেকে এবং বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে সংস্থান করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যদিও পরিকল্পনা কমিশন আশা প্রকাশ করেছে যে, এই বিশাল বরাদ্দের মাধ্যমে সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন সক্ষমতার উন্নতি হবে, তবে বিশ্লেষকদের মনে সংশয় রয়েই গেছে। গত পাঁচ অর্থবছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় সম্পদের চেয়ে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরতা ক্রমাগত বাড়ছে। যেমন, ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট বরাদ্দের মধ্যে বিদেশি ঋণের হার ছিল মাত্র ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ। কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেই হার একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের একটি বিশেষ প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে কেবল ২০২২-২৩ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিদেশি ঋণের হার আগের বছরের তুলনায় সামান্য কমেছিল, যা ছিল মোট বরাদ্দের ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া বাকি চার অর্থবছরেই এই হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই হার বেড়ে হয়েছিল ৩২ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং তার পরের বছর তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ শতাংশে গিয়ে পৌঁছায়। চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছর এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটেও এই বিদেশি ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ বা তার কিছু বেশি। এর বিপরীতে প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের নিজস্ব বা অভ্যন্তরীণ সম্পদের ব্যবহারের হার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে মোট বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থ আসত দেশীয় উৎস থেকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ১৯ শতাংশে।

এই সামগ্রিক বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন যে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিজস্ব সম্পদ এমনিতেই অত্যন্ত সীমিত, তার ওপর আমাদের দেশের কর ও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে অনেক কম। অথচ আমাদের কাছাকাছি অর্থনীতির অন্যান্য দেশগুলো নিজেদের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। রাজস্বের এই চরম ঘাটতির কারণেই মূলত যেকোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে বাধ্য হয়ে বিদেশি ঋণ ও সহায়তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে, যা দিন দিন আমাদের ঋণের বোঝাকে আরও ভারী করছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এই বৃত্ত থেকে যদি দেশকে বের করে আনতে হয়, তবে সবার আগে নিজেদের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়াতে হবে এবং যেকোনো মূল্যে সরকারের রাজস্ব ও কর আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল