দিকপাল

আর্কাইভ দেখুন

সংসদে আরও ছয়টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

সংসদে আরও ছয়টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আরও cosmetic পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি ছয়টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে নতুন এই কমিটিগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সংসদ নেতা তারেক রহমানের পক্ষে কমিটির পৃথক প্রস্তাবগুলো সংসদে উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। নতুন গঠিত কমিটিগুলো হলো— মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক, শিল্প, পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, পানিসম্পদ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গঠিত প্রতিটি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের।নবগঠিত এসব কমিটির মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। শিল্প মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটিতে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জহরত আদিব চৌধুরীকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুবকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলনকে।এই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে সরকারি দল ছাড়াও বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বহুদলীয় অন্তর্ভুক্তি সংসদীয় কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, এই কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সার্বিক কার্যক্রম তদারকি, সরকারের নীতিগত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং সংসদীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রধান তদারকি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখ্য, এর আগে চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ, পরিকল্পনা এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোও গঠন করা হয়েছিল।


সরকারি ব্যয় কমাতে নতুন উদ্যোগ, অর্ধেকে নামছে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা

সরকারি ব্যয় কমাতে নতুন উদ্যোগ, অর্ধেকে নামছে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা

সরকারি ব্যয় সাশ্রয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ মাসিক ভাতা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষায় যাওয়া কর্মকর্তাদের সুবিধাতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বর্তমানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তা কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া দেশে বা বিদেশে বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষায় যাওয়া কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রেষণের পরিবর্তে শিক্ষা ছুটি দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে ওই সময়ে কর্মকর্তারা পূর্ণ বেতনের পরিবর্তে অর্ধেক বেতন পাবেন।এর আগে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার জন্য দেওয়া ৩০ লাখ টাকার সুদমুক্ত ঋণ সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের মতে, সীমিত সরকারি সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এসব ব্যয়সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


অনলাইনে মাদক বেচাকেনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

অনলাইনে মাদক বেচাকেনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সাইবার জগতে মাদকদ্রব্যের অবৈধ বেচাকেনা ঠেকাতে কঠোর আইন করেছে সরকার। অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কিংবা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে মাদক লেনদেনের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। নতুন আইনে সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মাদক ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন কিংবা লেনদেনকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে মাদক-সংক্রান্ত লেনদেন করলেও একই আইনের আওতায় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিম্ন যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।যদি সংঘবদ্ধ বা আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে জরিমানার পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট, ডিভাইস, ই-ওয়ালেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ, বাজেয়াপ্ত কিংবা ব্লক করার ক্ষমতাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে।নতুন আইনে মাদক-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অস্ত্র বহন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদক ব্যবসার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


ডেঙ্গু রুখতে কোটি কোটি মশা ছাড়ছে ব্রাজিল

ডেঙ্গু রুখতে কোটি কোটি মশা ছাড়ছে ব্রাজিল

ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নতুন কৌশল নিয়েছে ব্রাজিল। প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে দেশটি বিভিন্ন শহরে জিনগতভাবে পরিবর্তিত লাখ লাখ এডিস ইজিপ্টি মশা অবমুক্ত করছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ানো মশার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।গবেষণাগারে তৈরি করা এসব পুরুষ এডিস ইজিপ্টি মশার শরীরে বিশেষ একটি পরিবর্তিত জিন সংযোজন করা হয়েছে। এগুলো বন্য পরিবেশের স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হলে জন্ম নেওয়া স্ত্রী মশাগুলো প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মারা যায়। যেহেতু কেবল স্ত্রী এডিস মশাই ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায়, তাই সময়ের সঙ্গে রোগবাহী মশার সংখ্যা কমে আসে।প্রযুক্তিটি উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান ওক্সিটেকের দাবি, আগের পরীক্ষাগুলোতে এই পদ্ধতিতে স্থানীয় মশার সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ছোট বিশেষ বাক্সের মাধ্যমে মশার ডিম নির্দিষ্ট এলাকায় রাখা হচ্ছে। বৃষ্টির পানি বা পানি জমলে সেখান থেকে পরিবর্তিত মশা বের হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যের সুজানো শহরসহ ব্রাজিলের কয়েকটি এলাকায় ইতোমধ্যে এই কর্মসূচি চালু হয়েছে।চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই ব্রাজিলে ১০ লাখের বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০০ শতাংশ বেশি। রিও ডি জেনিরোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় সেখানে জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জিনগতভাবে পরিবর্তিত মশাকে সম্ভাবনাময় একটি নতুন অস্ত্র হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।


ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ ছাত্রশিবিরের ৯ কেন্দ্রীয় সম্পাদকের আনুষ্ঠানিক বিদায়

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ ছাত্রশিবিরের ৯ কেন্দ্রীয় সম্পাদকের আনুষ্ঠানিক বিদায়

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন সংগঠনটির ৯ জন শীর্ষস্থানীয় ছাত্রনেতা। বিদায় নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমও রয়েছেন। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ছাত্রশিবিরের সদ্যবিদায়ী কেন্দ্রীয় মিডিয়া বিভাগের সহকারী প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মাহাদী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সাংগঠনিক নিয়ম ও বিদায়ের কারণ ব্যাখ্যা করে নাজমুল হক মাহাদী জানান যে ছাত্রশিবিরে সাধারণত এক বছর মেয়াদি সাংগঠনিক 'সেটআপ' বা কমিটি কাঠামো হয়ে থাকে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে বা সংগঠনের স্বার্থে অনেক সময় ছয় মাস মেয়াদি (ষাণ্মাসিক) সেটআপও করা হয়। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে কোনো দায়িত্বশীল নেতা যদি উপযুক্ত ও যৌক্তিক কারণ দর্শিয়ে সংগঠন থেকে বিদায় বা ছুটি প্রার্থনা করেন, তবে কেন্দ্রীয় সভাপতি তা বিবেচনা করে ছুটি মঞ্জুর করেন। সেই ধারাবাহিকতা ও নিয়ম মেনেই এই ৯ জন সম্পাদক আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে বিদায় নিয়েছেন।ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়া ৯ কেন্দ্রীয় সম্পাদকের তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান মুহিব, কেন্দ্রীয় প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান এবং কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।


পলিথিনের ব্যবহার না কমলে দূর হবে না ঢাকার জলাবদ্ধতা: ডিএসসিসি প্রশাসক

পলিথিনের ব্যবহার না কমলে দূর হবে না ঢাকার জলাবদ্ধতা: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারকে দায়ী করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, রাজধানীতে পলিথিনের ব্যবহার কমানো না গেলে এই দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার স্থায়ী সমাধান কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হওয়া তীব্র জলাবদ্ধতার প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসক বলেন, যেসব এলাকায় পানি জমেছিল, তার সবখানেই পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথগুলো পলিথিন এবং অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্যে পুরোপুরি আটকে ছিল। পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা আপদকালীন তৎপরতা চালিয়ে ড্রেন থেকে বিপুল পরিমাণ পলিথিন অপসারণ করার পর পানি দ্রুত নেমে যেতে শুরু করে।আব্দুস সালাম তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজধানীর ড্রেন, নালা ও খালে নির্বিচারে পলিথিন ফেলার এই আত্মঘাতী প্রবণতা যদি নাগরিকেরা বন্ধ না করেন, তবে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই নগরবাসীকে একই ধরনের চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পলিথিনের উৎপাদন, ব্যবহার এবং যেখানে-সেখানে ফেলে দেওয়ার প্রবণতা কঠোরভাবে রোধে অবিলম্বে কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।ডিএসসিসি প্রশাসক আরও মনে করেন, ঢাকার জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের একটি জটিল সমস্যা, যা শুধু ড্রেন পরিষ্কার করে সমাধান করা যাবে না। এর জন্য নগরীর দখল ও দূষণের শিকার হওয়া খালগুলো পুনরুদ্ধার করা জরুরি। একই সঙ্গে একটি কার্যকর আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি বৃষ্টির পানি যাতে দ্রুত বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে নিষ্কাশিত হতে পারে, সেই স্থায়ী পথ নিশ্চিত করতে হবে। তবেই নগরীকে জলাবদ্ধতার হাত থেকে অনেকাংশে মুক্ত করা সম্ভব।সংবাদ সম্মেলনে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি একটি ইতিবাচক খবরও দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। তিনি জানান, রাজধানী ঢাকার গৌরবময় ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ আগস্ট থেকে সাত দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘ঢাকা উৎসব’ আয়োজন করা হবে। এই মেগা উৎসবের মাধ্যমে তিলোত্তমা রাজধানীর প্রাচীন ইতিহাস, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা হবে এবং সাধারণ নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিভিন্ন আকর্ষণীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।


ঐতিহ্যের ৪১৬ বছর: ১ আগস্ট সাত দিনের ‘ঢাকা উৎসব’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহ্যের ৪১৬ বছর: ১ আগস্ট সাত দিনের ‘ঢাকা উৎসব’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছরপূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ আগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী ‘ঢাকা উৎসব’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা থেকে এই উৎসবের জমকালো উদ্বোধন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ডিএসসিসির অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান এবং নগরবাসীকে উৎসবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, “আগামী ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী ‘ঢাকা উৎসব’ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এই মহতী অনুষ্ঠান উদ্বোধনে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো ঢাকা শহরের হারিয়ে যাওয়া কৃষ্টি, সমৃদ্ধ সাহিত্য ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে আবারও মানুষের মনে ও নাগরিক জীবনে ফিরিয়ে আনা।ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, উৎসবের প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী লালবাগ কেল্লা থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। সাত দিনের এই বর্ণিল আয়োজনে আদি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল, ‘ক্লিন ঢাকা’ ও বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, বুড়িগঙ্গায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব এবং বিভিন্ন ধরনের লোকজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পসরা সাজানো হবে। পুরো ঢাকা শহরকে এই উৎসবের আমেজে সাজিয়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।ইতিহাস অনুযায়ী, ১৬১০ সালে সুবাহদার ইসলাম খান চিশতি ঢাকাকে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই এই নগরের আধুনিক অগ্রযাত্রার সূচনা। পরবর্তীতে ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা (মিউনিসিপ্যালিটি) গঠিত হয়, যা বর্তমানের আধুনিক ঢাকা সিটি করপোরেশনের ভিত্তি স্থাপন করে। তৎকালীন সময়ে শহরের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই পৌরসভার ভূমিকা ছিল অনন্য। সেই ঐতিহাসিক যাত্রার ৪১৬ বছরপূর্তিকে কেন্দ্র করেই এবার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণে এই বিশেষ উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছে।


বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল

বন্যাকবলিত দেশের পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় যেন কোনো রোগী চিকিৎসাবঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম এবং চিকিৎসক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া—এই ১১ জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি জেলার দায়িত্বে একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, বন্যার কারণে সাপে কাটার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ পর্যন্ত ৯৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সবাই সুস্থ আছেন। বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এক হাজারের বেশি অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আরও ২৫ হাজার ভায়াল অ্যান্টিভেনম যুক্ত হবে, যা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।বন্যাপরবর্তী সময়ে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ডায়রিয়া, কলেরা ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ওষুধ, স্যালাইন এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য, বন্যার কারণে যেন একজন মানুষও চিকিৎসার অভাবে প্রাণ না হারান।’


ঢাকার পুরো ১ বছরের বৃষ্টি যেখানে ঝরে পড়ে মাত্র এক দিনে

ঢাকার পুরো ১ বছরের বৃষ্টি যেখানে ঝরে পড়ে মাত্র এক দিনে

প্রকৃতির এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর রূপ হলো বৃষ্টিপাত। ঋতুভেদে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হলেও এমন কিছু নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে, যেখানে মেঘেদের স্থায়ী বসবাস এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সাধারণ মানুষের কল্পনারও অতীত। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) ও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক অবস্থান ও বায়ুপ্রবাহের কারণে কিছু অঞ্চল বৈশ্বিক অতিবৃষ্টির সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপ্রবণ সেইসব অঞ্চলের আবহাওয়ার খতিয়ান তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ‘আর্দ্র’ বা ‘ভেজা’ স্থান হিসেবে পরিচিত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি গ্রাম ‘মৌসিনরাম’। খাসি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই গ্রামে বছরে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার ৮৭১ মিলিমিটার (প্রায় ৩৯ ফুট)। বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা তীব্র জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু খাসি পাহাড়ের দেয়ালে বাধা পেয়ে দ্রুত ঘনীভূত হয় এবং এখানে অবিরাম ধারায় ঝরে পড়ে। এখানকার বাসিন্দারা ঘরের বাইরে বের হলেই বাঁশ ও কলার পাতা দিয়ে তৈরি বিশেষ এক ধরনের ছাতা (স্থানীয় ভাষায় ‘কনুপ’) ব্যবহার করেন।বর্তমানে গড় বৃষ্টিপাতে মৌসিনরামের চেয়ে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও, আধুনিক আবহাওয়ার ইতিহাসে এক মাসে ও এক বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের সর্বকালের রেকর্ডটি চেরাপুঞ্জির দখলেই রয়েছে। ১৮৬০ সালের ১ আগস্ট থেকে ১৮৬১ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ১২ মাসে চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড ২৬ thousand ৪৭০ মিলিমিটার (৮৬ ফুট) বৃষ্টিপাত হয়েছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি ১৮৬১ সালের জুলাই মাসে একক কোনো মাস হিসেবে এখানে সর্বোচ্চ ৯ thousand ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। বনায়ন হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চেরাপুঞ্জিতে এখন বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও ইতিহাসের পাতায় এর রেকর্ড আজও অক্ষুণ্ন।২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড দেখতে চোখ ফেরাতে হবে ভারত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত ফরাসি দ্বীপ রেউনিওঁ-র দিকে। ১৯৬৬ সালের ৭ থেকে ৮ জানুয়ারি এই দ্বীপে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘ডেনিস’। সেসময় দ্বীপের ফক-ফক নামক স্থানে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১ thousand ৮২৫ মিলিমিটার (প্রায় ৬ ফুট) বৃষ্টিপাত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে ঘূর্ণিঝড় ‘হাইসিনথ’-এর প্রভাবে রেউনিওঁর কমরসন নামক স্থানে মাত্র ১৫ দিনে ৬ thousand ৪৩৩ মিলিমিটার (২১ ফুট) বৃষ্টি হয়েছিল, যা বিশ্ব আবহাওয়া বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার চোকো ডিপার্টমেন্টের অন্তর্গত ললো ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের লোপেজ ডি মিকাই অঞ্চল দুটিকে মৌসিনরামের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বলা চলে। ললো অঞ্চলে বছরে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ১২ thousand ৭১৮ মিলিমিটার (প্রায় ৪২ ফুট)। আন্দিজ পর্বতমালার আর্দ্র বায়ু প্রশান্ত মহাসাগরের বাতাসকে আটকে দেওয়ার ফলে এখানে প্রায় প্রতিদিনই দুপুরের পর বা রাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়।প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত কাউয়াই দ্বীপের একটি আগ্নেয় পর্বত হলো মাউন্ট ওয়ায়ালেয়ালে। স্থানীয় ভাষায় ওয়ায়ালেয়ালে শব্দের অর্থ হলো ‘উতলে ওঠে পানি’। নামের সার্থকতা প্রমাণ করতেই যেন এই পাহাড়ি অঞ্চলে বছরে গড়ে প্রায় ১১ thousand ৫০০ মিলিমিটার (প্রায় ৩৮ ফুট) বৃষ্টিপাত হয়। বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে প্রায় ৩৫০ দিনই এখানে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়ে থাকে।আমাদের চিরচেনা বাংলাদেশে বর্ষাকালে যখন টানা তিন-চারদিন বৃষ্টি হয়, তাতেই চারপাশ পানিতে থৈ থৈ করে। অথচ বৈশ্বিক এই রেকর্ডগুলোর তুলনায় আমাদের দেশের গড় বৃষ্টিপাত অনেক কম। বাংলাদেশে বছরে গড়ে বৃষ্টিপাত হয় প্রায় ২ thousand ৩০০ মিলিমিটার। দেশের সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা সিলেটের লালাখালে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ৪ thousand ১৮০ মিলিমিটার (প্রায় ১৪ ফুট)। অর্থাৎ, বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল মৌসিনরামের তুলনায় তা অর্ধেকেরও কম। এমনকি রেউনিওঁ দ্বীপে মাত্র ১ দিনে যে পরিমাণ বৃষ্টি (১ thousand ৮২৫ মি.মি.) হয়েছিল, তা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পুরো ১ বছরের গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় কাছাকাছি।


নতুন ঋণের শর্ত মানছে সরকার আইএমএফ বৈঠকে পে স্কেলের ভাগ্য নির্ধারণ

নতুন ঋণের শর্ত মানছে সরকার আইএমএফ বৈঠকে পে স্কেলের ভাগ্য নির্ধারণ

ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘নবম জাতীয় পে স্কেল’ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।আজকের বৈঠকে পে স্কেল নিয়ে কোনো কথা না হলেও অন্যান্য বিষয়ের আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আইএমএফের সঙ্গে চলমান প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত অন্যান্য আলোচ্য সূচিতে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।আইএমএফের পক্ষ থেকে নতুন ঋণ কর্মসূচির (লোন প্রোগ্রাম) বিষয়ে যেসব শর্ত দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপরও আলোকপাত করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটির দেওয়া শর্তগুলো ধাপে ধাপে ও পদ্ধতিগতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক সংস্কার উদ্যোগে আইএমএফ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে আর্থিক খাতের সংস্কার ও কর খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সার্বিক অগ্রগতিতে প্রতিনিধি দল ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।উল্লেখ্য, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও বাজেট সহায়তার অংশ হিসেবে আইএমএফের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বর্তমানে ঢাকা সফরে রয়েছে। এবারের সফরে আর্থিক খাতের আধুনিকায়ন, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং ঋণ সহায়তার পরবর্তী কিস্তির শর্তাবলি নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন তারা। আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নখ সহজেই ভেঙে যাচ্ছে পার্লারে না গিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে করুন এই ছোট কাজটি

নখ সহজেই ভেঙে যাচ্ছে পার্লারে না গিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে করুন এই ছোট কাজটি

একটা সময় ছিল যখন নখের সৌন্দর্য বলতে কেবল জমকালো নেইলপলিশ কিংবা কৃত্রিম নেইল আর্টকেই বোঝানো হতো। তবে আধুনিক রূপচর্চায় এখন কৃত্রিমতার চেয়ে নখের প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নখকে সুস্থ, শক্ত ও সুন্দর রাখতে পার্লারে গিয়ে হাজার টাকা খরচের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিটের সঠিক পরিচর্যাই আপনার নখকে করে তুলতে পারে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।দীর্ঘদিন জেল নেইল, অ্যাক্রিলিক কিংবা কড়া রাসায়নিকযুক্ত নেইলপলিশ ব্যবহারের কারণে নখ প্রায়ই শুষ্ক, ভঙ্গুর ও মলিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর ঘরোয়া উপায় হলো ‘নেইল অয়েলিং’ বা নখে তেলের মালিশ। রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের মতো নখেও নিয়মিত তেল ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। এটি নখের কিউটিকলকে আর্দ্র রাখে এবং নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দূর করে।নেইল অয়েলিংয়ের নিয়ম খুবই সহজ। জোজোবা অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, আমন্ড বা বাদাম তেল, জলপাই তেল (অলিভ অয়েল) কিংবা খাঁটি নারিকেল তেলের যেকোনো একটি বেছে নিন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে প্রতিটি নখের গোড়ায় এক ফোঁটা তেল দিয়ে আলতো হাতে পুরো নখ ও কিউটিকলে কয়েক মিনিট মালিশ করুন। এই তেলগুলোতে থাকা ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড নখকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। মালিশ শেষে অতিরিক্ত তেল তুলো দিয়ে মুছে নিয়ে একটি ভালো মানের হ্যান্ড ক্রিম লাগিয়ে নিলে আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় বজায় থাকে।নিয়মিত তেল মালিশের ফলে নখের গোড়ায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে, যা নখের দ্রুত ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি নখের ভঙ্গুরতা দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।শুধু নখের চর্চায় মিলবে না শতভাগ ফল, যদি না হাতের যত্ন নেওয়া হয়। হাত ধোয়ার জন্য এমন সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ বেছে নিন যা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয় না। প্রতিবার হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।সপ্তাহে অন্তত একদিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করে হাতের মৃত কোষ পরিষ্কার করলে ত্বক কোমল ও পরিচ্ছন্ন দেখায়। এ ছাড়া দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়ার আগে মুখে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি হাতেও তা মাখা উচিত। কারণ সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুধু ত্বকেরই নয়, নখেরও মারাত্মক ক্ষতি করে। প্রতিদিনের এই সামান্য ৫ মিনিটের অভ্যাসই আপনার নখ ও হাতকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখবে সুরক্ষিত ও সুন্দর।


ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে মাছের পোনা ছেড়ে ডাকসুর প্রতীকী প্রতিবাদ

ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে মাছের পোনা ছেড়ে ডাকসুর প্রতীকী প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দীর্ঘদিন ধরে চলা জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রতীকী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় মাঠের জমে থাকা পানিতে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করে এই প্রতিবাদ জানানো হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং বিভিন্ন হল সংসদের প্রতিনিধিরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠটিতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। দিনের পর দিন এই পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্রীড়াচর্চা ও খেলাধুলা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এই অভিনব প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন।মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির ব্যাপারে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে বারবার বাজেট সংকটের অজুহাত দেওয়া হয়। অথচ এই মাঠ সংস্কারের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে ইতোমধ্যে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পরও প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় মাঠের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি বা সংস্কার পরিলক্ষিত হচ্ছে না। দ্রুত এই জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মাঠটি খেলার উপযোগী করার দাবিতেই তারা এই প্রতীকী কর্মসূচির আয়োজন করেছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠটি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলনের একমাত্র বড় চত্বর। কিন্তু প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে মাঠটি কার্যত পুকুরে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় মাঠের ঘাস নষ্ট হওয়াসহ চারপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বিসিবির অর্থায়নে মাঠের আধুনিকায়ন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রশাসনিক ধীরগতির কারণে প্রকল্পটির অগ্রগতি থমকে আছে। ফলে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে, যার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আজ এই প্রতীকী আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।


মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলা বাহরাইনজুড়ে বাজছে বিমান হামলার সাইরেন

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলা বাহরাইনজুড়ে বাজছে বিমান হামলার সাইরেন

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফা বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। পারস্য উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনজুড়ে দফায় দফায় বেজে উঠেছে বিমান হামলার সাইরেন। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাহরাইনসহ ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানোয় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে জরুরি অ্যালার্ম সাইরেন সক্রিয় করে। এক সরকারি বিবৃতিতে নাগরিকদের আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরই দেশটির শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটিতে সফল হামলার দাবি করে বিবৃতি দেয় ইরান। আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাদের মহাকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির অংশ হিসেবে এই পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের (৫ম ফ্লিট) সদর দপ্তর এবং শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটির হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, পি-৮ যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার ও ড্রোন কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।একই সময়ে বাহরাইনের পাশাপাশি কুয়েতের দুটি প্রধান সামরিক বিমান ঘাঁটি ও জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমান ঘাঁটিতেও তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতের আকাশসীমায় বেশ কিছু ড্রোন ও মিসাইল প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। অন্যদিকে জর্ডানের আকাশে চারটি মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে বলে আম্মান প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরেই হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি বাহিনীর কড়াকড়ি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে এবং ইরানের সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে তারা রবিবার রাত থেকে একের পর এক নিখুঁত ও বিধ্বংসী আক্রমণ শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন বিমান হামলার পরই ইরান সমঝোতার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি সমাপ্ত ঘোষণা করে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন স্বার্থ ও তাদের মিত্রদের ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করেছে। এর ফলে কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক অনিশ্চিত ও ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে।


দুর্যোগের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা: ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও নেটিজেনদের তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী

দুর্যোগের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা: ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও নেটিজেনদের তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি ও ভারী বর্ষণে সৃষ্ট তীব্র জলাবদ্ধতার মধ্যেই আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দেশজুড়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলায় আজকের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়। দেশের বাকি অংশে কোমরসমান পানি ও চরম প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যেতে হওয়ায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাবিদরা। দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত না করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী আজ সকাল থেকে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সকাল থেকেই রাজধানীসহ কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, সিলেট, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় দেখা দেয় নজিরবিহীন জলাবদ্ধতা।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও চিত্রে দেখা যায়, পরীক্ষার্থীরা হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকা বা ভ্যানে চড়ে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছেন। বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজসহ নোয়াখালীর হাতিয়ার বেশ কিছু কেন্দ্রে পানি ঢুকে পড়ায় পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক শিক্ষার্থী ভিজে যাওয়া পোশাকে ও ভেজা উত্তরপত্র নিয়েই পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন।এই পরিস্থিতিকে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন নেটিজেন ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। চিকিৎসক ও অ্যাক্টিভিস্ট সাদিকুর রহমান সাদাব ফেসবুকে লেখেন, “আবহাওয়ার এই অবস্থায় বুয়েট-ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ বা অনলাইনে নেওয়া হলেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। হাঁটুপানিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে বাচ্চারা আজ পরীক্ষা দিয়েছে, যা অমানবিকতার চূড়ান্ত রূপ।” বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা নেওয়ার একরোখা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জাতীয় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, ছাত্রনেতা সারজিস আলমসহ অনেকেই।শিক্ষাবিদরাও সরকারের এই সিদ্ধান্তে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, “দুর্যোগের মধ্যে পরীক্ষা নিলে সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান পরিবেশ নিশ্চিত হয় না। একই প্রশ্নে কোথাও পরীক্ষা হওয়া আর কোথাও স্থগিত থাকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি করে।” গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী পাবলিক পরীক্ষাগুলোকে দুর্যোগহীন অনুকূল মৌসুমে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় শিক্ষা পরিকল্পনার তাগিদ দেন।ব্যপক সমালোচনা ও জবাবদিহিতার মুখে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত মূলত স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে প্রতিবেদন দিয়েছিল। তবে রাতের বৃষ্টিতে সৃষ্ট নতুন পরিস্থিতি তারা পর্যবেক্ষণ করছেন। উদ্ভূত বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।সাধারণত প্রতি বছর জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশে বর্ষা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে পাবলিক পরীক্ষাগুলো নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। চলতি বছরেও দেশের পূর্বাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পরীক্ষাসূচি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এর আগে পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা আংশিক স্থগিত করা হলেও, দেশব্যাপী সমন্বিত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় প্রতি বছরই এমন দুর্যোগে লাখ লাখ পরীক্ষার্থীকে চরম ট্রমা ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।


গুলশান শাহজাদপুর লিংক রোডে তীব্র পানির চাপে সড়ক ধস

গুলশান শাহজাদপুর লিংক রোডে তীব্র পানির চাপে সড়ক ধস

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও পানির তীব্র চাপে রাজধানীর গুলশান-শাহজাদপুর লিংক রোডের একটি অংশ ধসে পড়েছে। দীর্ঘ সময় সড়কের নিচে পানি জমে থাকায় মাটি সরে গিয়ে এই ধসের সৃষ্টি হয়। এর ফলে ব্যস্ততম এই সড়কে তীব্র যানজটের পাশাপাশি যান চলাচল চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে সরজমিনে দেখা যায়, সড়কের ধসে যাওয়া অংশটিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি এড়িয়ে যানবাহনগুলো অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করছে। এতে সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসের সকালে অফিসগামী মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাতভর ভারী বৃষ্টির পর সকালেই সড়কের একাংশ দেবে যেতে দেখেন তারা। দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় এখন অনেকটা ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এখানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।” অন্যদিকে রিকশাচালক আব্দুল মালেক জানান, জলাবদ্ধতা ও ভাঙা রাস্তার কারণে যাত্রী নিয়ে রিকশা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ভাড়ার ওপরও।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গুলশান-শাহজাদপুর লিংক রোড ছাড়াও বাড্ডা, প্রগতি সরণি এবং মিরপুরের বেশ কিছু প্রধান সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।জলাবদ্ধতার কারণে একদিকে যেমন গণপরিবহনের সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো ট্রাফিক ব্যবস্থা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) পক্ষ থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং ধসে যাওয়া সড়কটি জরুরি মেরামতের কাজ শুরু করা হবে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।


মানি লন্ডারিং মামলায় গাইবান্ধার সেই হরিদাস চন্দ্র গ্রেপ্তার

মানি লন্ডারিং মামলায় গাইবান্ধার সেই হরিদাস চন্দ্র গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণ করতে চেয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল রবিবার (১২ জুলাই) রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা একটি অর্থ পাচার মামলায় তিনি এজাহারনামীয় আসামি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানান, রবিবার থানায় হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে একটি মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের করা হয়। সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তদন্তের পর তাকে গ্রেপ্তার করে।পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলাশবাড়ী শ্রী শ্রী কালী মন্দির এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি মন্দিরে প্রবেশ করে হরিদাস চন্দ্রকে বাইরে ডেকে আনেন। পরে তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সিআইডির একটি দল মানি লন্ডারিং মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মন্দির এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।চলতি বছরের জুনে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দেশের ‘বৃহত্তম রামমূর্তি’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে গত জুনে শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির কমিটি এই নির্মাণকাজ স্থগিত ঘোষণা করে।তৎকালীন এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহল থেকে নানামুখী প্রশ্ন ও মতভিন্নতা তৈরি হয়েছে। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা এবং স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রশাসনের চাপে নয়, বরং স্বেচ্ছায় নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিল কমিটি। সেই ঘটনার মাস খানেকের মাথায় এবার আর্থিক অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হলেন মূল উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র।


যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

ক্রিয়েটিভ, ডিজিটাল মার্কেটিং ও মিডিয়ায় উৎকর্ষের শিখরে নোমান হোসেনের ১৩ বছরের সাফল্যযাত্রা

ক্রিয়েটিভ, ডিজিটাল মার্কেটিং ও মিডিয়ায় উৎকর্ষের শিখরে নোমান হোসেনের ১৩ বছরের সাফল্যযাত্রা

নরসিংদীতে দুই মাসের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ জ্যাঠাইমার বিরুদ্ধে

নরসিংদীতে দুই মাসের শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ জ্যাঠাইমার বিরুদ্ধে

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশিসহ নিহত ৬

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশিসহ নিহত ৬

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

ইদে রেকর্ড ছুটি ঘোষণা করল সরকার

ইদে রেকর্ড ছুটি ঘোষণা করল সরকার

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় স্বর্ণের বাজার আজ ৩ মে ২২ ক্যারেটের ভরি কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় স্বর্ণের বাজার আজ ৩ মে ২২ ক্যারেটের ভরি কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে

সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, ১৮ মন্ত্রীর এসকর্ট সুবিধা বাতিল

সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, ১৮ মন্ত্রীর এসকর্ট সুবিধা বাতিল

আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করে নবম পে-স্কেলে এগোচ্ছে সরকার

আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করে নবম পে-স্কেলে এগোচ্ছে সরকার

ঘুষের টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

ঘুষের টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

মার্কিন হামলা স্থগিতের পর ইরানের পাল্টাহামলা বন্ধ

মার্কিন হামলা স্থগিতের পর ইরানের পাল্টাহামলা বন্ধ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় দাবানলে বিপর্যস্ত ফ্রান্স

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় দাবানলে বিপর্যস্ত ফ্রান্স

সমঝোতা লঙ্ঘনের পর ২০০+ মার্কিন সেনা নিহত: আইআরজিসি

সমঝোতা লঙ্ঘনের পর ২০০+ মার্কিন সেনা নিহত: আইআরজিসি

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর পানির ট্যাঙ্কে বিষ, উদ্ধার খালি কৌটা

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর পানির ট্যাঙ্কে বিষ, উদ্ধার খালি কৌটা

বেনাপোলে আমদানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

বেনাপোলে আমদানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

মঙ্গলবার থেকে বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

মঙ্গলবার থেকে বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী