একটা সময় ছিল যখন নখের সৌন্দর্য বলতে কেবল জমকালো নেইলপলিশ কিংবা কৃত্রিম নেইল আর্টকেই বোঝানো হতো। তবে আধুনিক রূপচর্চায় এখন কৃত্রিমতার চেয়ে নখের প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নখকে সুস্থ, শক্ত ও সুন্দর রাখতে পার্লারে গিয়ে হাজার টাকা খরচের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিটের সঠিক পরিচর্যাই আপনার নখকে করে তুলতে পারে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।
দীর্ঘদিন জেল নেইল, অ্যাক্রিলিক কিংবা কড়া রাসায়নিকযুক্ত নেইলপলিশ ব্যবহারের কারণে নখ প্রায়ই শুষ্ক, ভঙ্গুর ও মলিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর ঘরোয়া উপায় হলো ‘নেইল অয়েলিং’ বা নখে তেলের মালিশ। রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের মতো নখেও নিয়মিত তেল ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। এটি নখের কিউটিকলকে আর্দ্র রাখে এবং নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দূর করে।
নেইল অয়েলিংয়ের নিয়ম খুবই সহজ। জোজোবা অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, আমন্ড বা বাদাম তেল, জলপাই তেল (অলিভ অয়েল) কিংবা খাঁটি নারিকেল তেলের যেকোনো একটি বেছে নিন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে প্রতিটি নখের গোড়ায় এক ফোঁটা তেল দিয়ে আলতো হাতে পুরো নখ ও কিউটিকলে কয়েক মিনিট মালিশ করুন। এই তেলগুলোতে থাকা ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড নখকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। মালিশ শেষে অতিরিক্ত তেল তুলো দিয়ে মুছে নিয়ে একটি ভালো মানের হ্যান্ড ক্রিম লাগিয়ে নিলে আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় বজায় থাকে।
নিয়মিত তেল মালিশের ফলে নখের গোড়ায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে, যা নখের দ্রুত ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি নখের ভঙ্গুরতা দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
শুধু নখের চর্চায় মিলবে না শতভাগ ফল, যদি না হাতের যত্ন নেওয়া হয়। হাত ধোয়ার জন্য এমন সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ বেছে নিন যা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয় না। প্রতিবার হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
সপ্তাহে অন্তত একদিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করে হাতের মৃত কোষ পরিষ্কার করলে ত্বক কোমল ও পরিচ্ছন্ন দেখায়। এ ছাড়া দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়ার আগে মুখে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি হাতেও তা মাখা উচিত। কারণ সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুধু ত্বকেরই নয়, নখেরও মারাত্মক ক্ষতি করে। প্রতিদিনের এই সামান্য ৫ মিনিটের অভ্যাসই আপনার নখ ও হাতকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখবে সুরক্ষিত ও সুন্দর।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
একটা সময় ছিল যখন নখের সৌন্দর্য বলতে কেবল জমকালো নেইলপলিশ কিংবা কৃত্রিম নেইল আর্টকেই বোঝানো হতো। তবে আধুনিক রূপচর্চায় এখন কৃত্রিমতার চেয়ে নখের প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নখকে সুস্থ, শক্ত ও সুন্দর রাখতে পার্লারে গিয়ে হাজার টাকা খরচের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিটের সঠিক পরিচর্যাই আপনার নখকে করে তুলতে পারে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।
দীর্ঘদিন জেল নেইল, অ্যাক্রিলিক কিংবা কড়া রাসায়নিকযুক্ত নেইলপলিশ ব্যবহারের কারণে নখ প্রায়ই শুষ্ক, ভঙ্গুর ও মলিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর ঘরোয়া উপায় হলো ‘নেইল অয়েলিং’ বা নখে তেলের মালিশ। রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের মতো নখেও নিয়মিত তেল ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। এটি নখের কিউটিকলকে আর্দ্র রাখে এবং নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দূর করে।
নেইল অয়েলিংয়ের নিয়ম খুবই সহজ। জোজোবা অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, আমন্ড বা বাদাম তেল, জলপাই তেল (অলিভ অয়েল) কিংবা খাঁটি নারিকেল তেলের যেকোনো একটি বেছে নিন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে প্রতিটি নখের গোড়ায় এক ফোঁটা তেল দিয়ে আলতো হাতে পুরো নখ ও কিউটিকলে কয়েক মিনিট মালিশ করুন। এই তেলগুলোতে থাকা ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড নখকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। মালিশ শেষে অতিরিক্ত তেল তুলো দিয়ে মুছে নিয়ে একটি ভালো মানের হ্যান্ড ক্রিম লাগিয়ে নিলে আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় বজায় থাকে।
নিয়মিত তেল মালিশের ফলে নখের গোড়ায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে, যা নখের দ্রুত ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি নখের ভঙ্গুরতা দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
শুধু নখের চর্চায় মিলবে না শতভাগ ফল, যদি না হাতের যত্ন নেওয়া হয়। হাত ধোয়ার জন্য এমন সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ বেছে নিন যা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয় না। প্রতিবার হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
সপ্তাহে অন্তত একদিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করে হাতের মৃত কোষ পরিষ্কার করলে ত্বক কোমল ও পরিচ্ছন্ন দেখায়। এ ছাড়া দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়ার আগে মুখে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি হাতেও তা মাখা উচিত। কারণ সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুধু ত্বকেরই নয়, নখেরও মারাত্মক ক্ষতি করে। প্রতিদিনের এই সামান্য ৫ মিনিটের অভ্যাসই আপনার নখ ও হাতকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখবে সুরক্ষিত ও সুন্দর।

আপনার মতামত লিখুন