দিকপাল

মরণোত্তর সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : সোমবার, ০১ জুন ২০২৬ | ১০:১৫ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

মরণোত্তর সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

বিশ্বের অন্যতম অশান্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল আবেইতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় কর্তব্যরত জেরে আত্মোৎসর্গকারী ছয়জন বীর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হচ্ছে। আগামী ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এই পদক তুলে দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ স্মরণ সভায় সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিজ হাতে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করবেন। এবার পদকপ্রাপ্ত সেই ছয়জন বাংলাদেশি গর্বিত শান্তিরক্ষী হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা এবং সান্ত মণ্ডল। বিশ্ব শান্তির অন্বেষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়া এই বীর সেনানীরা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করার সময় একটি অতর্কিত ও নৃশংস ড্রোন হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। এবারের এই স্মরণানুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখতে গিয়ে জীবন বিসর্জন দেওয়া প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এর পাশাপাশি, গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন বীর সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর এই পরম সম্মাননা দেওয়া হবে।

বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত এবং অত্যন্ত গৌরবময়। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণের ক্ষেত্রে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং পশ্চিম সাহারার মতো চরম অশান্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে পরিচালিত জাতিসংঘ মিশনগুলোতে ২৭৭ জন নারী সদস্যসহ মোট চার হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জটিল ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে বিশ্বের ১১৮টি দেশ থেকে আসা সদস্যরা মোট ১১টি সক্রিয় মিশনে তাদের জনবল সরবরাহ করছে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ গঠনের ঐতিহাসিক ক্ষণটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতি বছর ২৯ মে এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছরের আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক ও পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে অত্যন্ত জোরালোভাবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে যখন বৈশ্বিক সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে এবং একই সঙ্গে শান্তিরক্ষার বৈশ্বিক সম্পদ সংকুচিত হচ্ছে, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সহায়তা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই বিশেষ দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে অতীত ও বর্তমানে কর্মরত সব শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতিসংঘ প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস। সেই সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে কাজ করা এই বীরদের জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিশ্বের অশান্ত অঞ্চলগুলোতে স্থিতিশীলতা ও আশার আলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং পরীক্ষিত একটি মাধ্যম, তবে এর সফলতার জন্য বিশ্বনেতাদের ধারাবাহিক রাজনৈতিক সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক জোগানের কোনো বিকল্প নেই।

একই সুর মেলালেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বৈরী ও প্রতিকূল পরিবেশেও শান্তিরক্ষীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছেন, সহিংসতা প্রতিরোধ করছেন এবং সাধারণ মানুষের মনে বেঁচে থাকার আশা জিইয়ে রাখছেন। তার মতে, শান্তিরক্ষায় অর্থ ও শ্রম বিনিয়োগ করার অর্থ হলো প্রকারান্তরে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনার পেছনেই বিনিয়োগ করা। উল্লেখ্য, এই জমকালো মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ ও অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য অনন্য সাহসী কর্মীদের ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপ কারেজ’, ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’-এর মতো আরও কিছু মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


মরণোত্তর সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বের অন্যতম অশান্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল আবেইতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় কর্তব্যরত জেরে আত্মোৎসর্গকারী ছয়জন বীর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হচ্ছে। আগামী ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এই পদক তুলে দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ স্মরণ সভায় সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিজ হাতে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করবেন। এবার পদকপ্রাপ্ত সেই ছয়জন বাংলাদেশি গর্বিত শান্তিরক্ষী হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা এবং সান্ত মণ্ডল। বিশ্ব শান্তির অন্বেষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়া এই বীর সেনানীরা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করার সময় একটি অতর্কিত ও নৃশংস ড্রোন হামলায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। এবারের এই স্মরণানুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখতে গিয়ে জীবন বিসর্জন দেওয়া প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এর পাশাপাশি, গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন বীর সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর এই পরম সম্মাননা দেওয়া হবে।

বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত এবং অত্যন্ত গৌরবময়। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণের ক্ষেত্রে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং পশ্চিম সাহারার মতো চরম অশান্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে পরিচালিত জাতিসংঘ মিশনগুলোতে ২৭৭ জন নারী সদস্যসহ মোট চার হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জটিল ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে বিশ্বের ১১৮টি দেশ থেকে আসা সদস্যরা মোট ১১টি সক্রিয় মিশনে তাদের জনবল সরবরাহ করছে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ গঠনের ঐতিহাসিক ক্ষণটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতি বছর ২৯ মে এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছরের আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক ও পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে অত্যন্ত জোরালোভাবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে যখন বৈশ্বিক সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে এবং একই সঙ্গে শান্তিরক্ষার বৈশ্বিক সম্পদ সংকুচিত হচ্ছে, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সহায়তা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই বিশেষ দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে অতীত ও বর্তমানে কর্মরত সব শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতিসংঘ প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস। সেই সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে কাজ করা এই বীরদের জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিশ্বের অশান্ত অঞ্চলগুলোতে স্থিতিশীলতা ও আশার আলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং পরীক্ষিত একটি মাধ্যম, তবে এর সফলতার জন্য বিশ্বনেতাদের ধারাবাহিক রাজনৈতিক সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক জোগানের কোনো বিকল্প নেই।

একই সুর মেলালেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বৈরী ও প্রতিকূল পরিবেশেও শান্তিরক্ষীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছেন, সহিংসতা প্রতিরোধ করছেন এবং সাধারণ মানুষের মনে বেঁচে থাকার আশা জিইয়ে রাখছেন। তার মতে, শান্তিরক্ষায় অর্থ ও শ্রম বিনিয়োগ করার অর্থ হলো প্রকারান্তরে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনার পেছনেই বিনিয়োগ করা। উল্লেখ্য, এই জমকালো মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ ও অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য অনন্য সাহসী কর্মীদের ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপ কারেজ’, ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’-এর মতো আরও কিছু মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল