চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস রামিসা হত্যা এবং ধর্ষণ মামলায় অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানানো হবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন দেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই স্পর্শকাতর মামলার আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলার সময় তিনি সরকারের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন।
এর আগে দেশের বিচার ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে বিচার বিভাগ যে ধরনের পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করছে, তা বিশ্বের অন্য অনেক গণতান্ত্রিক দেশেই সচরাচর দেখা যায় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্টের সম্মানিত বিচারকদের বদলি, পদায়ন কিংবা তাদের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয় না। তবে এই বিচারিক স্বাধীনতার ভিন্ন ও বিতর্কিত রূপও অতীতে দেশের মানুষ দেখেছে, যখন বিচার বিভাগের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের নানা গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।
দেশের আদালতগুলোতে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী একটি বড় বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের আদালতগুলোতে বর্তমানে প্রায় পঁয়তাল্লিশ লাখ মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, যা একটি বিশাল সংখ্যার জট তৈরি করেছে। মামলার এই বিপুল পাহাড়ের পেছনে মূল কারণ হিসেবে তিনি বিচারক এবং আইনজীবীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম হওয়াকে দায়ী করেন। তবে এই তীব্র সীমাবদ্ধতার মাঝেও রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে যেন দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়, সেই বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করছে এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস রামিসা হত্যা এবং ধর্ষণ মামলায় অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানানো হবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন দেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই স্পর্শকাতর মামলার আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলার সময় তিনি সরকারের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন।
এর আগে দেশের বিচার ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে বিচার বিভাগ যে ধরনের পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করছে, তা বিশ্বের অন্য অনেক গণতান্ত্রিক দেশেই সচরাচর দেখা যায় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্টের সম্মানিত বিচারকদের বদলি, পদায়ন কিংবা তাদের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয় না। তবে এই বিচারিক স্বাধীনতার ভিন্ন ও বিতর্কিত রূপও অতীতে দেশের মানুষ দেখেছে, যখন বিচার বিভাগের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের নানা গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল।
দেশের আদালতগুলোতে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী একটি বড় বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের আদালতগুলোতে বর্তমানে প্রায় পঁয়তাল্লিশ লাখ মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, যা একটি বিশাল সংখ্যার জট তৈরি করেছে। মামলার এই বিপুল পাহাড়ের পেছনে মূল কারণ হিসেবে তিনি বিচারক এবং আইনজীবীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম হওয়াকে দায়ী করেন। তবে এই তীব্র সীমাবদ্ধতার মাঝেও রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে যেন দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়, সেই বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করছে এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন