প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মূল আদর্শই ছিলো সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভাগ্যোন্নয়ন করা। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সেই মহান আদর্শকে নিজের হৃদয়ে ধারণ করে নতুন করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করা। শনিবার দুপুরে রাজধানী ঢাকায় দুস্থদের মাঝে বস্ত্র ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ সংক্রান্ত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান।
বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী। প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা এই শোকাবহ দিনটিকে ভিন্নভাবে স্মরণ করার চেষ্টা করছি। মহান আল্লাহ এবার আমাদের দেশের জনগণের সেবা করার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছেন। তাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অহংকার না করে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। সমাজের অবহেলিত ও দুস্থ মানুষকে বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করার মাধ্যমেই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখা সম্ভব। তিনি দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, দলীয় নেতা বা কর্মী যে যেখানে, যে পরিস্থিতিতেই থাকুন না কেন, সেখান থেকেই যদি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কোনো অসহায় মানুষকে সামান্যতম সহযোগিতা করেন, তবেই শহীদ রাষ্ট্রপতির প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানবসেবার মাধ্যমে তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত তার পবিত্র সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নেতৃত্বে দলের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের সর্বস্তরের হাজার হাজার নেতাকর্মী জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হন। তারা সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুম নেতার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা দীর্ঘক্ষণ জিয়ারত করেন এবং পবিত্র ফাতিহা পাঠের পর এক বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এই সময় মাজার প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীদের ঢল নামে এবং এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মূল আদর্শই ছিলো সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভাগ্যোন্নয়ন করা। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সেই মহান আদর্শকে নিজের হৃদয়ে ধারণ করে নতুন করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করা। শনিবার দুপুরে রাজধানী ঢাকায় দুস্থদের মাঝে বস্ত্র ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ সংক্রান্ত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশবাসীর প্রতি এই আহ্বান জানান।
বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী। প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা এই শোকাবহ দিনটিকে ভিন্নভাবে স্মরণ করার চেষ্টা করছি। মহান আল্লাহ এবার আমাদের দেশের জনগণের সেবা করার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছেন। তাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অহংকার না করে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। সমাজের অবহেলিত ও দুস্থ মানুষকে বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করার মাধ্যমেই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখা সম্ভব। তিনি দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, দলীয় নেতা বা কর্মী যে যেখানে, যে পরিস্থিতিতেই থাকুন না কেন, সেখান থেকেই যদি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কোনো অসহায় মানুষকে সামান্যতম সহযোগিতা করেন, তবেই শহীদ রাষ্ট্রপতির প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানবসেবার মাধ্যমে তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত তার পবিত্র সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নেতৃত্বে দলের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের সর্বস্তরের হাজার হাজার নেতাকর্মী জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হন। তারা সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুম নেতার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা দীর্ঘক্ষণ জিয়ারত করেন এবং পবিত্র ফাতিহা পাঠের পর এক বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এই সময় মাজার প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীদের ঢল নামে এবং এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আপনার মতামত লিখুন