বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, এবারের পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্ববর্তী সময়ে দেশের বাজার পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য যথেষ্ট সহনীয় এবং নিয়ন্ত্রণে ছিল। বাজারে সব ধরনের জরুরি পণ্যের দাম সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বজায় রাখতে সরকারের বিভিন্ন তদারকি সংস্থা ও নীতিনির্ধারকেরা ধারাবাহিকভাবে এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার সকালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কাট্টলী এলাকায় অবস্থিত তাঁর নিজ পৈতৃক বাড়িতে ঈদের নামাজ আদায় করেন অর্থমন্ত্রী। ঈদের জামাত শেষে সেখানে উপস্থিত স্থানীয় সাধারণ জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়কালে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট ও চ্যালেঞ্জের নানা দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতেই এক ধরনের বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ছে। এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকারগুলো দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে অত্যন্ত ভঙ্গুর ও বিপর্যস্ত অবস্থায় রেখে গেছে। ফলে এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি ও স্থবিরতা কাটিয়ে দেশকে একটি টেকসই ও মজবুত অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন বা নতুন সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক এই উত্তরণ পর্বটি সফল করতে তিনি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণকে আরও কিছুটা সময় ধৈর্য্য ধারণ করার এবং সরকারের গৃহীত নীতিমালার ওপর আস্থা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।
পবিত্র ঈদের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সময় আরও বলেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহা মূলত আমাদের ত্যাগের মহিমা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং একে অপরের প্রতি গভীর সম্মানবোধের অনন্য শিক্ষা দেয়। ঈদের এই ত্যাগের আদর্শকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ধারণ করে সবাইকে দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, এবারের পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্ববর্তী সময়ে দেশের বাজার পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য যথেষ্ট সহনীয় এবং নিয়ন্ত্রণে ছিল। বাজারে সব ধরনের জরুরি পণ্যের দাম সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বজায় রাখতে সরকারের বিভিন্ন তদারকি সংস্থা ও নীতিনির্ধারকেরা ধারাবাহিকভাবে এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার সকালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কাট্টলী এলাকায় অবস্থিত তাঁর নিজ পৈতৃক বাড়িতে ঈদের নামাজ আদায় করেন অর্থমন্ত্রী। ঈদের জামাত শেষে সেখানে উপস্থিত স্থানীয় সাধারণ জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়কালে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট ও চ্যালেঞ্জের নানা দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতেই এক ধরনের বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ছে। এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকারগুলো দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে অত্যন্ত ভঙ্গুর ও বিপর্যস্ত অবস্থায় রেখে গেছে। ফলে এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি ও স্থবিরতা কাটিয়ে দেশকে একটি টেকসই ও মজবুত অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন বা নতুন সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক এই উত্তরণ পর্বটি সফল করতে তিনি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণকে আরও কিছুটা সময় ধৈর্য্য ধারণ করার এবং সরকারের গৃহীত নীতিমালার ওপর আস্থা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।
পবিত্র ঈদের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সময় আরও বলেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহা মূলত আমাদের ত্যাগের মহিমা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং একে অপরের প্রতি গভীর সম্মানবোধের অনন্য শিক্ষা দেয়। ঈদের এই ত্যাগের আদর্শকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ধারণ করে সবাইকে দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন