পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে রাজধানী ঢাকার সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশে পশু কোরবানি সম্পন্ন হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ঈদের প্রধান জামাত শেষ হওয়ার পর থেকেই মহানগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বড় বড় আবাসিক এলাকা এবং অলিগলিতে নগরবাসী নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে উৎসবের আমেজে শুরু হওয়া এই কর্মযজ্ঞ দুপুরের পর পর্যন্ত একইভাবে বজায় থাকে।
রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে কিংবা প্রতিবেশীরা দলগতভাবে একত্রিত হয়ে গরু ও ছাগল কোরবানি দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার তাগিদে অনেকেই এবার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বা যৌথভাবে কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই যৌথ উদযাপনের ফলে সামাজিক বন্ধন যেমন দৃঢ় হচ্ছে, তেমনি উৎসবের আনন্দও বহুগুণ বেড়ে গেছে। পশু কোরবানিকে কেন্দ্র করে পেশাদার কসাই এবং মৌসুমী মাংস কাটার কারিগরদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই তারা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ছুটে বেরিয়েছেন। এই আনন্দযজ্ঞে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল দেখার মতো। নতুন রঙিন পোশাক পরে তারা বড়দের সাথে কোরবানির কাজে নানাভাবে হাত বাড়িয়েছে এবং পরম কৌতুহলে মাংস কাটার দৃশ্য উপভোগ করেছে।
পশু জবাইয়ের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পাড়া-মহল্লার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। শুধু তাই নয়, সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করে প্রতিবেশীরাও একে অপরের পশুর চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস কাটার কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করছেন। ইসলামের মহান নবী হযরত ইব্রাহিমের (আ.) দেখানো আত্মত্যাগ, আনুগত্য ও পরম উৎসর্গের আদর্শকে ধারণ করেই সারা দেশের মানুষের মাঝে আজ এই ধর্মীয় উৎসব পরম ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হচ্ছে।
পবিত্র এই দিনটি উপলক্ষে দেশবাসী ও সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি ঈদের এই আনন্দকে সমাজের কেবল বিত্তবানদের মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে তা দরিদ্র, অনগ্রসর, বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্ত সাধারণ মানুষের সাথে সমানভাবে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য বিত্তশালীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ঈদুল আজহা কেবল ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং এটি মানুষের ভেতরের অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ, স্বার্থপরতা এবং মনের সুপ্ত পশুত্বকে কোরবানি করে আত্মশুদ্ধি অর্জনের এক মহিমান্বিত ও সর্বজনীন বার্তা বহন করে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়কে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, লোকদেখানো বা কেবল পশু জবাই করার মধ্যেই কোরবানির প্রকৃত সার্থকতা লুকিয়ে নেই। বরং মানুষের মনের ভেতরের লোভ-লালসা, সংকীর্ণতা, পারস্পরিক হিংসা ও মনের পশুত্বকে সম্পূর্ণরূপে পরাভূত করে ন্যায়ের পথে চলার দীক্ষা গ্রহণের মধ্যেই কোরবানির আসল মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য নিহিত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাকওয়া বা খোদাভীতি এবং আত্মশুদ্ধির এক অনন্য পথনির্দেশনা নিয়ে বছর ঘুরে এই পবিত্র দিনটি আবারও আমাদের দ্বারে হাজির হয়েছে। তিনি দলমত, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সকল মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে নিজের অহংকারকে সমর্পণ করার এই উৎসব সবাইকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে ধাবিত করবে।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের এই প্রধান ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সম্মানিত খতিব মাওলানা মুফতি মো. আবদুল মালেক। গুরুত্বপূর্ণ এই জামাতে অংশ নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের সাথে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জামাত শুরু হওয়ার বেশ কিছু সময় আগেই তাঁরা কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঈদগাহ ময়দানে এসে পৌঁছান।
নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের সাধারণ মানুষের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এই মোনাজাতে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত এবং অবরুদ্ধ মুসলমানদের দীর্ঘদিনের মুক্তি, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য আল্লাহর দরবারে বিশেষভাবে প্রার্থনা করা হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ছোঁয়াচে ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য লাভ এবং যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। মোনাজাতে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা চোখের পানিতে নিজেদের অতীতের সমস্ত গুনাহ খাতা মাফ, মৃত আত্মীয়-স্বজনদের কবরের আজাব থেকে মুক্তি এবং সর্বোপরি পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে আকুল আবেদন জানান।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে রাজধানী ঢাকার সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশে পশু কোরবানি সম্পন্ন হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ঈদের প্রধান জামাত শেষ হওয়ার পর থেকেই মহানগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বড় বড় আবাসিক এলাকা এবং অলিগলিতে নগরবাসী নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে উৎসবের আমেজে শুরু হওয়া এই কর্মযজ্ঞ দুপুরের পর পর্যন্ত একইভাবে বজায় থাকে।
রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে কিংবা প্রতিবেশীরা দলগতভাবে একত্রিত হয়ে গরু ও ছাগল কোরবানি দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার তাগিদে অনেকেই এবার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বা যৌথভাবে কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই যৌথ উদযাপনের ফলে সামাজিক বন্ধন যেমন দৃঢ় হচ্ছে, তেমনি উৎসবের আনন্দও বহুগুণ বেড়ে গেছে। পশু কোরবানিকে কেন্দ্র করে পেশাদার কসাই এবং মৌসুমী মাংস কাটার কারিগরদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই তারা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ছুটে বেরিয়েছেন। এই আনন্দযজ্ঞে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল দেখার মতো। নতুন রঙিন পোশাক পরে তারা বড়দের সাথে কোরবানির কাজে নানাভাবে হাত বাড়িয়েছে এবং পরম কৌতুহলে মাংস কাটার দৃশ্য উপভোগ করেছে।
পশু জবাইয়ের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পাড়া-মহল্লার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। শুধু তাই নয়, সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করে প্রতিবেশীরাও একে অপরের পশুর চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস কাটার কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করছেন। ইসলামের মহান নবী হযরত ইব্রাহিমের (আ.) দেখানো আত্মত্যাগ, আনুগত্য ও পরম উৎসর্গের আদর্শকে ধারণ করেই সারা দেশের মানুষের মাঝে আজ এই ধর্মীয় উৎসব পরম ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হচ্ছে।
পবিত্র এই দিনটি উপলক্ষে দেশবাসী ও সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি ঈদের এই আনন্দকে সমাজের কেবল বিত্তবানদের মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে তা দরিদ্র, অনগ্রসর, বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্ত সাধারণ মানুষের সাথে সমানভাবে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য বিত্তশালীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ঈদুল আজহা কেবল ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং এটি মানুষের ভেতরের অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষ, স্বার্থপরতা এবং মনের সুপ্ত পশুত্বকে কোরবানি করে আত্মশুদ্ধি অর্জনের এক মহিমান্বিত ও সর্বজনীন বার্তা বহন করে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়কে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, লোকদেখানো বা কেবল পশু জবাই করার মধ্যেই কোরবানির প্রকৃত সার্থকতা লুকিয়ে নেই। বরং মানুষের মনের ভেতরের লোভ-লালসা, সংকীর্ণতা, পারস্পরিক হিংসা ও মনের পশুত্বকে সম্পূর্ণরূপে পরাভূত করে ন্যায়ের পথে চলার দীক্ষা গ্রহণের মধ্যেই কোরবানির আসল মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য নিহিত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাকওয়া বা খোদাভীতি এবং আত্মশুদ্ধির এক অনন্য পথনির্দেশনা নিয়ে বছর ঘুরে এই পবিত্র দিনটি আবারও আমাদের দ্বারে হাজির হয়েছে। তিনি দলমত, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সকল মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে নিজের অহংকারকে সমর্পণ করার এই উৎসব সবাইকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে ধাবিত করবে।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের এই প্রধান ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সম্মানিত খতিব মাওলানা মুফতি মো. আবদুল মালেক। গুরুত্বপূর্ণ এই জামাতে অংশ নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের সাথে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জামাত শুরু হওয়ার বেশ কিছু সময় আগেই তাঁরা কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঈদগাহ ময়দানে এসে পৌঁছান।
নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের সাধারণ মানুষের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এই মোনাজাতে ফিলিস্তিন ও ইরানের নির্যাতিত এবং অবরুদ্ধ মুসলমানদের দীর্ঘদিনের মুক্তি, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য আল্লাহর দরবারে বিশেষভাবে প্রার্থনা করা হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ছোঁয়াচে ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য লাভ এবং যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। মোনাজাতে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা চোখের পানিতে নিজেদের অতীতের সমস্ত গুনাহ খাতা মাফ, মৃত আত্মীয়-স্বজনদের কবরের আজাব থেকে মুক্তি এবং সর্বোপরি পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে আকুল আবেদন জানান।

আপনার মতামত লিখুন