লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) নাবাতিয়েহ জেলার হাব্বুশ এলাকায় চালানো এক ভয়াবহ অভিযানেই ৮ জন নিহত এবং আরও ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের তীব্র বর্ষণে একটি পুরো আবাসিক এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং বহু ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো বিধ্বস্ত ভবনগুলোর নিচে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
একই দিনে টায়ার ও নাবাতিয়েহর পাশ্ববর্তী এলাকাগুলোতে চালানো পৃথক হামলায় আরও অন্তত ৪ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। সামরিক এই তাণ্ডবে কেবল মানুষের জীবনহানিই ঘটেনি, বরং বসতবাড়ি, একটি কনভেন্ট এবং একটি স্কুলও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। উল্লেখ্য যে, শুক্রবারের হামলার আগে হাব্বুশ এলাকার বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে এর আগের দিন কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা ছাড়াই একই এলাকায় হামলা চালানো হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে এই অব্যাহত সামরিক অভিযান ওই অঞ্চলে নতুন করে মানবিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) নাবাতিয়েহ জেলার হাব্বুশ এলাকায় চালানো এক ভয়াবহ অভিযানেই ৮ জন নিহত এবং আরও ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের তীব্র বর্ষণে একটি পুরো আবাসিক এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং বহু ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো বিধ্বস্ত ভবনগুলোর নিচে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
একই দিনে টায়ার ও নাবাতিয়েহর পাশ্ববর্তী এলাকাগুলোতে চালানো পৃথক হামলায় আরও অন্তত ৪ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। সামরিক এই তাণ্ডবে কেবল মানুষের জীবনহানিই ঘটেনি, বরং বসতবাড়ি, একটি কনভেন্ট এবং একটি স্কুলও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। উল্লেখ্য যে, শুক্রবারের হামলার আগে হাব্বুশ এলাকার বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে এর আগের দিন কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা ছাড়াই একই এলাকায় হামলা চালানো হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে এই অব্যাহত সামরিক অভিযান ওই অঞ্চলে নতুন করে মানবিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন