নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ফাতেমা হাসান রিমি নামের দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে শিশুর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা তিনটা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। নিহত ফাতেমা চাটখিলের হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির মেয়ে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর কর্তব্যরত নার্স ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার পরপরই শিশুটির স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলেও হাসপাতালে তা পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা। পরে বেলা তিনটার দিকে শিশুটির মৃত্যু হলে স্বজনেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তার (আরএমও) কক্ষসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফায় ভাঙচুর চালান।
খবর পেয়ে চাটখিল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন।
তবে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক শাহরিন আক্তার। তিনি জানান, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্যালাইন চলাকালে মা দুধ খাওয়াতে গেলে তা শ্বাসনালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়। চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল না উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, হামলা ও ভাঙচুরে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কারো গাফিলতি রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ফাতেমা হাসান রিমি নামের দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে শিশুর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা তিনটা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। নিহত ফাতেমা চাটখিলের হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির মেয়ে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর কর্তব্যরত নার্স ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার পরপরই শিশুটির স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলেও হাসপাতালে তা পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা। পরে বেলা তিনটার দিকে শিশুটির মৃত্যু হলে স্বজনেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তার (আরএমও) কক্ষসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফায় ভাঙচুর চালান।
খবর পেয়ে চাটখিল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন।
তবে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক শাহরিন আক্তার। তিনি জানান, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্যালাইন চলাকালে মা দুধ খাওয়াতে গেলে তা শ্বাসনালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়। চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল না উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, হামলা ও ভাঙচুরে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কারো গাফিলতি রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন