দিকপাল

কুড়িগ্রামে কাটা হাতে কাঁচ রেখে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ‘স্যরি’


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | ০৮:৫১ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামে কাটা হাতে কাঁচ রেখে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ‘স্যরি’
ছবি : সংগ্রহীত

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে গিয়ে ভাঙা কাঁচের আঘাতে আহত এক দিনমজুরের হাতের মাংসপেশির ভেতরে কাঁচের টুকরা রেখেই চিকিৎসা শেষ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ এক মাস ধরে প্রচণ্ড ব্যথা ও যন্ত্রণা সহ্য করার পর অন্য চিকিৎসকের কাছে অস্ত্রোপচার করে রোগীর হাত থেকে দুটি কাঁচের টুকরা বের করা হয়। 

আজ বুধবার প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, উপজেলার মজিদের পাড় এলাকার ভূমিহীন দিনমজুর সাইদার মিয়া কিছুদিন আগে বাড়িতে বিদ্যুতের সুইচ মেরামতের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে গিয়ে ভাঙা কাঁচে তার বাম হাত গভীরভাবে কেটে যান। স্থানীয়রা তাকে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে শয্যা খালি না থাকার অজুহাতে তাকে ভর্তি না করে কেবল প্রাথমিক চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ করে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এক্স-রে করার পর তার হাতের মাংসপেশির ভেতরে দুটি কাঁচের টুকরা থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা অপসারণ করা হয়।

এ ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম ঘটনাটিকে ভুলবশত উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। এজন্য স্যরি। আমি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।” 

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


কুড়িগ্রামে কাটা হাতে কাঁচ রেখে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ‘স্যরি’

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে গিয়ে ভাঙা কাঁচের আঘাতে আহত এক দিনমজুরের হাতের মাংসপেশির ভেতরে কাঁচের টুকরা রেখেই চিকিৎসা শেষ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ এক মাস ধরে প্রচণ্ড ব্যথা ও যন্ত্রণা সহ্য করার পর অন্য চিকিৎসকের কাছে অস্ত্রোপচার করে রোগীর হাত থেকে দুটি কাঁচের টুকরা বের করা হয়। 

আজ বুধবার প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, উপজেলার মজিদের পাড় এলাকার ভূমিহীন দিনমজুর সাইদার মিয়া কিছুদিন আগে বাড়িতে বিদ্যুতের সুইচ মেরামতের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে গিয়ে ভাঙা কাঁচে তার বাম হাত গভীরভাবে কেটে যান। স্থানীয়রা তাকে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে শয্যা খালি না থাকার অজুহাতে তাকে ভর্তি না করে কেবল প্রাথমিক চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ করে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এক্স-রে করার পর তার হাতের মাংসপেশির ভেতরে দুটি কাঁচের টুকরা থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা অপসারণ করা হয়।

এ ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম ঘটনাটিকে ভুলবশত উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। এজন্য স্যরি। আমি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।” 


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল