মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করে রায় কার্যকর বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা থেকে এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে এই চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-1–এর গত বছরের ১৭ নভেম্বর দেওয়া রায়ে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড এবং শহীদ পরিবার ও ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী শেখ হাসিনার ৪ কোটি ৩৪ লাখ এবং আসাদুজ্জামান খানের প্রায় ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে, যার পাশাপাশি বর্তমানে দুদকও তাদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটরের সই করা এই চিঠি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিবকে অবগত করা হয়েছে। চিঠিতে অবিলম্বে দণ্ডিতদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার এবং ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুসারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও ভিকটিমদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তা বিলিবন্দোবস্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো ও চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করে রায় কার্যকর বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা থেকে এই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে এই চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-1–এর গত বছরের ১৭ নভেম্বর দেওয়া রায়ে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড এবং শহীদ পরিবার ও ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী শেখ হাসিনার ৪ কোটি ৩৪ লাখ এবং আসাদুজ্জামান খানের প্রায় ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে, যার পাশাপাশি বর্তমানে দুদকও তাদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটরের সই করা এই চিঠি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিবকে অবগত করা হয়েছে। চিঠিতে অবিলম্বে দণ্ডিতদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার এবং ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুসারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও ভিকটিমদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তা বিলিবন্দোবস্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো ও চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়

আপনার মতামত লিখুন