ইউরোপের তিন দেশ—ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ফেরত পাঠানো ৩৫ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি একটি বিশেষ বিমানে করে ঢাকা পৌঁছেছেন। আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে তাদের জরুরি সহায়তা ও সার্বিক অভ্যর্থনা জানানো হয়।
বিমানবন্দর ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ৮টায় বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকায় অবতরণ করেন। ফেরত আসা ৩৫ জনের মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ৬ জন রয়েছেন। বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তাদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর আর্থিক অনুদান প্রদান করে। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত 'প্রত্যাশা-২' প্রকল্পের আওতায় ফেরত আসা এই অভিবাসীদের পরবর্তীতে কাউন্সেলিং, প্রশিক্ষণ এবং পুনর্বাসনের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইউরোপ থেকে নথিপত্রহীন বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে ২০১৭ সালে ইইউ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) চুক্তির আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ফিরে এসেছেন।
এ বিষয়ে ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী দেশে ফিরছেন। ফেরত আসা ব্যক্তিদের আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন রোধে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও এখন বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে।
সূত্র: বিমানবন্দর প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ইউরোপের তিন দেশ—ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ফেরত পাঠানো ৩৫ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি একটি বিশেষ বিমানে করে ঢাকা পৌঁছেছেন। আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে তাদের জরুরি সহায়তা ও সার্বিক অভ্যর্থনা জানানো হয়।
বিমানবন্দর ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ৮টায় বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকায় অবতরণ করেন। ফেরত আসা ৩৫ জনের মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ৬ জন রয়েছেন। বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তাদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর আর্থিক অনুদান প্রদান করে। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত 'প্রত্যাশা-২' প্রকল্পের আওতায় ফেরত আসা এই অভিবাসীদের পরবর্তীতে কাউন্সেলিং, প্রশিক্ষণ এবং পুনর্বাসনের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইউরোপ থেকে নথিপত্রহীন বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে ২০১৭ সালে ইইউ-এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) চুক্তির আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ফিরে এসেছেন।
এ বিষয়ে ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী দেশে ফিরছেন। ফেরত আসা ব্যক্তিদের আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন রোধে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও এখন বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে।
সূত্র: বিমানবন্দর প্রতিনিধি

আপনার মতামত লিখুন