চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভূমিকম্পের আঘাতের ফলে তিন শতাধিক বসতবাড়ি ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন অনেকেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) রাতে তিব্বতের নাগচু শহরের কাছে এই শক্তিশালী প্রকম্পন অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের (USGS) তথ্যমতে, নাগচু শহর থেকে প্রায় ১৯১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (CENC) জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,৮৬৪ মিটার উঁচুতে অবস্থিত।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে বড় আকারের উদ্ধার অভিযান চলছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীনা রেল কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজদের উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: সিনহুয়া ও ইউএসজিএস (USGS)

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভূমিকম্পের আঘাতের ফলে তিন শতাধিক বসতবাড়ি ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন অনেকেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) রাতে তিব্বতের নাগচু শহরের কাছে এই শক্তিশালী প্রকম্পন অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের (USGS) তথ্যমতে, নাগচু শহর থেকে প্রায় ১৯১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (CENC) জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,৮৬৪ মিটার উঁচুতে অবস্থিত।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে বড় আকারের উদ্ধার অভিযান চলছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীনা রেল কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজদের উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: সিনহুয়া ও ইউএসজিএস (USGS)

আপনার মতামত লিখুন