দুই দেশের মাঝে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সুনির্দিষ্ট জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্মানজনক আমন্ত্রণের পরিবেশ তৈরি হলেই কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হুমায়ুন কবির। বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজনৈতিকভাবে তাড়াহুড়ো করে কোনো শীর্ষ পর্যায়ের সফরে যাওয়ার পক্ষে ঢাকা নয়।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও অনুমাননির্ভর বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, ভারত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে দুই-তৃতীয়াংশের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কী ধরণের সম্পর্কের ভিত্তি গড়তে চায়—তা অনুধাবন করা জরুরি। তবে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে বাংলাদেশ ইতিবাচক মনোভাব রাখবে।
সাক্ষাৎকারে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে সেখানে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডপ্রাপ্ত কাউকে প্রতিবেশীর মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতার সুযোগ দেওয়া আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে এমন অবস্থানকে বৈধতা দেওয়া যায় না উল্লেখ করে বিষয়টিতে ঢাকার পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং এ চাপ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
দুই দেশের মাঝে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সুনির্দিষ্ট জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্মানজনক আমন্ত্রণের পরিবেশ তৈরি হলেই কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হুমায়ুন কবির। বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজনৈতিকভাবে তাড়াহুড়ো করে কোনো শীর্ষ পর্যায়ের সফরে যাওয়ার পক্ষে ঢাকা নয়।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও অনুমাননির্ভর বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, ভারত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে দুই-তৃতীয়াংশের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কী ধরণের সম্পর্কের ভিত্তি গড়তে চায়—তা অনুধাবন করা জরুরি। তবে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে বাংলাদেশ ইতিবাচক মনোভাব রাখবে।
সাক্ষাৎকারে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে সেখানে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডপ্রাপ্ত কাউকে প্রতিবেশীর মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতার সুযোগ দেওয়া আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে এমন অবস্থানকে বৈধতা দেওয়া যায় না উল্লেখ করে বিষয়টিতে ঢাকার পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং এ চাপ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন