দিকপাল

জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক


মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ রফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৫:৪২ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে যুগান্তকারী রায় দেয়। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে, যার সবকটিতেই তিনি জামিন পেয়েছেন

এর মধ্যে বনানী থানার মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে গত ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন, ফলে ওই মামলায় তাঁর জামিন বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়ে তাঁর মুক্তির পথ খোলে। আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, মুক্তি পাওয়ার পর বিচারপতি খায়রুল হক ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।

পৃথক ছয় মামলায় জামিনের পর নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ মে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেয়। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করলে গত ৯ আগস্ট আপিল বিভাগ তা নিষ্পত্তি করে। আপিল বিভাগের আদেশে সংশ্লিষ্ট রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয় এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তাঁর ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে যুগান্তকারী রায় দেয়। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে, যার সবকটিতেই তিনি জামিন পেয়েছেন

এর মধ্যে বনানী থানার মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে গত ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন, ফলে ওই মামলায় তাঁর জামিন বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়ে তাঁর মুক্তির পথ খোলে। আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, মুক্তি পাওয়ার পর বিচারপতি খায়রুল হক ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।

পৃথক ছয় মামলায় জামিনের পর নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৭ মে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেয়। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করলে গত ৯ আগস্ট আপিল বিভাগ তা নিষ্পত্তি করে। আপিল বিভাগের আদেশে সংশ্লিষ্ট রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয় এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তাঁর ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল