ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর তাদের পাল্টা হামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান এডমিরাল মাইক মুলেনের বক্তব্যে। তিনি স্বীকার করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরান এত দ্রুত ধ্বংস করে দেবে—তা আমেরিকা আগে কখনোই ভাবেনি। সম্প্রতি এবিসি নিউজ-এর ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রাখার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন মাইক মুলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অতিরিক্ত সময়ের জন্য নৌবাহিনীর সদস্য ও রণতরী মোতায়েন রাখায় সেনাসদস্যদের মনস্তাত্ত্বিক ও শারীরিক ক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, এই অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটিগুলো যেখানে সৈন্যরা অবস্থান করছিল, তা যে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস হয়ে যাবে—আমরা স্পষ্টতই তা আশা করিনি।"
এদিকে
মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ভেতর
খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট, দীর্ঘমেয়াদী
মিশনের ফলে সেনাসদস্যদের মাঝে হতাশা এবং আত্মহত্যার ঘটনায় মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ
ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা তলব করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সংঘাত ও সামরিক অবস্থানের
সার্বিক পরিস্থিতি আমেরিকার কৌশলগত সক্ষমতা ও পরিকল্পনার ঘাটতিগুলোকে জনসমক্ষে
উন্মোচিত করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর তাদের পাল্টা হামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান এডমিরাল মাইক মুলেনের বক্তব্যে। তিনি স্বীকার করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরান এত দ্রুত ধ্বংস করে দেবে—তা আমেরিকা আগে কখনোই ভাবেনি। সম্প্রতি এবিসি নিউজ-এর ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রাখার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন মাইক মুলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অতিরিক্ত সময়ের জন্য নৌবাহিনীর সদস্য ও রণতরী মোতায়েন রাখায় সেনাসদস্যদের মনস্তাত্ত্বিক ও শারীরিক ক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, এই অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটিগুলো যেখানে সৈন্যরা অবস্থান করছিল, তা যে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস হয়ে যাবে—আমরা স্পষ্টতই তা আশা করিনি।"
এদিকে
মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ভেতর
খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট, দীর্ঘমেয়াদী
মিশনের ফলে সেনাসদস্যদের মাঝে হতাশা এবং আত্মহত্যার ঘটনায় মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ
ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা তলব করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সংঘাত ও সামরিক অবস্থানের
সার্বিক পরিস্থিতি আমেরিকার কৌশলগত সক্ষমতা ও পরিকল্পনার ঘাটতিগুলোকে জনসমক্ষে
উন্মোচিত করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন