পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার এবং বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অপমান এবং ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় মারাত্মক ক্ষতিকর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া নৃশংসতা অস্বীকারের মাধ্যমে ইতিহাস মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, এ জাতীয় কর্মসূচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—সে বিষয়ে আগে থেকেই ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক ও উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি হতে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বারবার অনুরোধ করা হলেও ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, বাংলাদেশের জনগণ সংকল্পবদ্ধ যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের কালো অধ্যায়ে ফিরে যাবে না কিংবা কোনো দেশের অনুগত রাষ্ট্র হবে না। শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের স্থান দেশের রাজনীতিতে আর কখনোই হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। সরকার সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার বজায় রাখলেও, এ ধরনের ঘটনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে জানায়।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার এবং বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ ঘটনাকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অপমান এবং ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় মারাত্মক ক্ষতিকর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া নৃশংসতা অস্বীকারের মাধ্যমে ইতিহাস মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, এ জাতীয় কর্মসূচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—সে বিষয়ে আগে থেকেই ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক ও উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি হতে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বারবার অনুরোধ করা হলেও ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, বাংলাদেশের জনগণ সংকল্পবদ্ধ যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের কালো অধ্যায়ে ফিরে যাবে না কিংবা কোনো দেশের অনুগত রাষ্ট্র হবে না। শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের স্থান দেশের রাজনীতিতে আর কখনোই হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। সরকার সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার বজায় রাখলেও, এ ধরনের ঘটনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে জানায়।

আপনার মতামত লিখুন