দিকপাল

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:২০ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এরফান কিয়ানি নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শনিবার ভোরে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। কিয়ানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি বিদেশি শক্তির মদদে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছিলেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ইরানজুড়ে চলা অস্থিরতা ও বিক্ষোভের সময় এরফান কিয়ানি অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তিনি মোসাদের 'ভাড়াটে' হিসেবে কাজ করে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে দেশীয় অস্ত্র হাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অরাজকতা তৈরির প্রধান কারিগর হিসেবে তাকে চিহ্নিত করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, কিয়ানি কেবল সাধারণ সহিংসতা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত ছিলেন।

ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ ভোরে সেই দণ্ড কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য যে, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দেশটিতে এটিই প্রথম কঠোর সাজা নয়; এর আগেও গত ১৮ মার্চ একই ধরনের অভিযোগে আরেক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল ইরানের সর্বোচ্চ আদালত। নিরাপত্তা ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতেই ইরান সরকার এমন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এরফান কিয়ানি নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শনিবার ভোরে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। কিয়ানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি বিদেশি শক্তির মদদে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছিলেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ইরানজুড়ে চলা অস্থিরতা ও বিক্ষোভের সময় এরফান কিয়ানি অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তিনি মোসাদের 'ভাড়াটে' হিসেবে কাজ করে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে দেশীয় অস্ত্র হাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অরাজকতা তৈরির প্রধান কারিগর হিসেবে তাকে চিহ্নিত করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, কিয়ানি কেবল সাধারণ সহিংসতা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত ছিলেন।

ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ ভোরে সেই দণ্ড কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য যে, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দেশটিতে এটিই প্রথম কঠোর সাজা নয়; এর আগেও গত ১৮ মার্চ একই ধরনের অভিযোগে আরেক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল ইরানের সর্বোচ্চ আদালত। নিরাপত্তা ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতেই ইরান সরকার এমন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল