বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক)-এর মহাসচিব মি. ইন্দ্র মণি পান্ডে আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এইচ ই শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।
বৈঠককালে বিমসটেক মহাসচিব বিমসটেক কাঠামোর অধীনে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং প্রধান প্রধান উন্নয়নমূলক দিকগুলো সম্পর্কে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন। বিমসটেকের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব এবং গঠনমূলক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মহাসচিব।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিমসটেক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালীন সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল অগ্রাধিকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আঞ্চলিক জনগণের কাছে দৃশ্যমান সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশ তার সভাপতিত্বের অধীনে গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং অগ্রাধিকারগুলোর সময়োপযোগী বাস্তবায়নের সুবিধার্থে সবার সুবিধাজনক সময়ে বিমসটেকের খাতভিত্তিক বৈঠকগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালীন সময়ে বিমসটেক এজেন্ডাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি 'সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও উন্মুক্ত বিমসটেক'-এর যৌথ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে সম্ভাব্য বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক)-এর মহাসচিব মি. ইন্দ্র মণি পান্ডে আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এইচ ই শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।
বৈঠককালে বিমসটেক মহাসচিব বিমসটেক কাঠামোর অধীনে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং প্রধান প্রধান উন্নয়নমূলক দিকগুলো সম্পর্কে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন। বিমসটেকের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব এবং গঠনমূলক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মহাসচিব।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিমসটেক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালীন সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল অগ্রাধিকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আঞ্চলিক জনগণের কাছে দৃশ্যমান সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশ তার সভাপতিত্বের অধীনে গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং অগ্রাধিকারগুলোর সময়োপযোগী বাস্তবায়নের সুবিধার্থে সবার সুবিধাজনক সময়ে বিমসটেকের খাতভিত্তিক বৈঠকগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালীন সময়ে বিমসটেক এজেন্ডাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি 'সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও উন্মুক্ত বিমসটেক'-এর যৌথ স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে সম্ভাব্য বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

আপনার মতামত লিখুন