ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ অবসানে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পরপরই এর তীব্র বিরোধিতা করে প্রয়োজনে ইরানে আবারও সামরিক হামলা চালানোর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এই মন্তব্য করেন। উক্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল মূলত ইরানকে নিজেদের পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। শুরু থেকেই তেহরানের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আন্তর্জাতিক বা দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার তীব্র বিরোধিতা করে আসা ইসরায়েল প্রায়শই দেশটির ওপর পুনরায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যার কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার একটি যুগান্তকারী সমঝোতা স্মারক গত ১৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকট্রনিক মাধ্যমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত নানা ইস্যু সমাধানের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করে। তবে ইসরায়েলের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন শান্তি প্রক্রিয়াকে কতটা ঝুঁকিতে ফেলবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ অবসানে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পরপরই এর তীব্র বিরোধিতা করে প্রয়োজনে ইরানে আবারও সামরিক হামলা চালানোর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এই মন্তব্য করেন। উক্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল মূলত ইরানকে নিজেদের পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। শুরু থেকেই তেহরানের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আন্তর্জাতিক বা দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার তীব্র বিরোধিতা করে আসা ইসরায়েল প্রায়শই দেশটির ওপর পুনরায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যার কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার একটি যুগান্তকারী সমঝোতা স্মারক গত ১৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকট্রনিক মাধ্যমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত নানা ইস্যু সমাধানের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করে। তবে ইসরায়েলের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন শান্তি প্রক্রিয়াকে কতটা ঝুঁকিতে ফেলবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন