দেশে সংগৃহীত ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থার আওতায় স্থানীয় ভিসা প্রসেসিং এজেন্টরা অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত ফি সংশ্লিষ্ট দূতাবাস, বিদেশস্থ কার্যালয় বা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে পারবেন।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। এতে ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দূতাবাস নির্ধারিত হারে ভিসা ফি আদায় করতে হবে। একই সঙ্গে দূতাবাস বা তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের ইস্যুকৃত ইনভয়েস সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক থাকবে।
এ ছাড়া প্রতিটি আবেদনকারীর কাছ থেকে আদায় করা ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে প্রযোজ্য সব ধরনের কর যথাযথভাবে পরিশোধ বা উৎসে কর্তন করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, নতুন এই নির্দেশনার ফলে ভিসা ফি পরিশোধ ও বিদেশে অর্থ প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে। পাশাপাশি লেনদেনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি আরও জোরদার হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থার ফলে ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রমে গতি আসবে এবং বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা সহজ হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
দেশে সংগৃহীত ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থার আওতায় স্থানীয় ভিসা প্রসেসিং এজেন্টরা অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত ফি সংশ্লিষ্ট দূতাবাস, বিদেশস্থ কার্যালয় বা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে পারবেন।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। এতে ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দূতাবাস নির্ধারিত হারে ভিসা ফি আদায় করতে হবে। একই সঙ্গে দূতাবাস বা তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের ইস্যুকৃত ইনভয়েস সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক থাকবে।
এ ছাড়া প্রতিটি আবেদনকারীর কাছ থেকে আদায় করা ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে প্রযোজ্য সব ধরনের কর যথাযথভাবে পরিশোধ বা উৎসে কর্তন করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, নতুন এই নির্দেশনার ফলে ভিসা ফি পরিশোধ ও বিদেশে অর্থ প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে। পাশাপাশি লেনদেনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি আরও জোরদার হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থার ফলে ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রমে গতি আসবে এবং বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন