রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত টার্মিনাল এলাকার মূল সড়কে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এক আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে সংঘটিত এই ঘটনায় এলাকায় মুহূর্তের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন মিজানুর রহমান হাওলাদার, শামীম আর বেবি ও শামীম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল মহাখালী টার্মিনালের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের অনেকের হাতে প্ল্যাকার্ড ছিল। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছিলেন। তাদের দাবি ছিল, প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। তবে এই মানববন্ধনের আড়ালেই হঠাৎ বিকট শব্দে তিন থেকে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পেছনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল ইমরান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে এই সমাবেশের কোনো পূর্বানুমতি বা তথ্য পুলিশের কাছে ছিল না। এছাড়া প্রতিবাদকারীদের ব্যানারে ব্যবহৃত ভাষা ও বক্তব্য কিছুটা ভিন্নধর্মী হওয়ায় পুলিশ পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে এই ধরণের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। আটককৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় ও এই বিস্ফোরণের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত টার্মিনাল এলাকার মূল সড়কে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এক আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে সংঘটিত এই ঘটনায় এলাকায় মুহূর্তের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন মিজানুর রহমান হাওলাদার, শামীম আর বেবি ও শামীম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল মহাখালী টার্মিনালের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের অনেকের হাতে প্ল্যাকার্ড ছিল। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছিলেন। তাদের দাবি ছিল, প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। তবে এই মানববন্ধনের আড়ালেই হঠাৎ বিকট শব্দে তিন থেকে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পেছনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল ইমরান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে এই সমাবেশের কোনো পূর্বানুমতি বা তথ্য পুলিশের কাছে ছিল না। এছাড়া প্রতিবাদকারীদের ব্যানারে ব্যবহৃত ভাষা ও বক্তব্য কিছুটা ভিন্নধর্মী হওয়ায় পুলিশ পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে এই ধরণের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। আটককৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় ও এই বিস্ফোরণের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন