শতভাগ নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়ে ফুটবল বিশ্বে হইচই ফেলে দেওয়া জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবারও হাজির হয়েছেন তাঁর চমকপ্রদ ফুটবল চাণক্য নীতি নিয়ে। ২০১০ বিশ্বকাপের ‘অক্টোপাস পল’ কিংবা ২০১৮ সালের ‘বিড়াল অ্যাকিলিস’কে ছাপিয়ে ২০১৪ সাল থেকে টানা তিন বিশ্বকাপের নিখুঁত বিজয়ী ঘোষণা করে ফুটবলপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই লগ্নী বিশেষজ্ঞ। জটিল গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই পূর্বাভাস এবার ইঙ্গিত করছে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের দিকে। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ ফুটবল মহাযজ্ঞের ট্রফি কার হাতে উঠছে, তা নিয়ে জোয়াকিম ক্লেমেন্টের এবারের গাণিতিক হিসাব-নিকাশ ইতিমধ্যেই ক্রীড়া বিশ্বে ব্যাপক কৌতূহল ও উন্মাদনা তৈরি করেছে।
খেলার মাঠের জয়-পরাজয় নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী নতুন কিছু নয়। তবে কোনো জ্যোতিষী বা অলৌকিক ক্ষমতার আশ্রয় না নিয়ে নিছক অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে টানা তিন বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল মিলিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরল ঘটনা। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসরত জার্মান অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ ব্যাংক প্যানমিউর লিবারামের প্রধান কৌশলবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এই অবিশ্বাস্য কৃতিত্বের অধিকারী। ২০১৪ সালে নিজের দেশ জার্মানির শিরোপা জয়, ২০১৮ সালে ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের নিখুঁত পূর্বাভাস দিয়ে তিনি এখন ফুটবল দুনিয়ায় এক আলোচিত নাম।
এবার ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য তাঁর গাণিতিক মডেল যে তথ্য দিচ্ছে, তা ফুটবল পণ্ডিতদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে। ক্লেমেন্টের পরিসংখ্যানভিত্তিক মডেল বলছে, এবার জুলাইয়ের ফাইনালে ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে নেদারল্যান্ডস। যদি এই পূর্বাভাস সত্যি হয়, তবে এটি হবে ক্লেমেন্টের মডেলের টানা চতুর্থ সাফল্য।
জোয়াকিম ক্লেমেন্টের এই মডেল কেবল চ্যাম্পিয়ন দলের নাম ঘোষণা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং ৪৮ দলের এই বিশাল টুর্নামেন্টের পুরো গতিপথ কেমন হতে পারে, তারও একটি সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরেছে। মডেলটির হিসাব অনুযায়ী, এবারের আসরের দ্বিতীয় রাউন্ডেই ঘটবে এক বড় অঘটন, যেখানে শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেবে এশিয়ান জায়ান্ট জাপান। একই পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরে বিদায় নেবে স্কটল্যান্ড।
এছাড়াও, এই মডেলে বলা হয়েছে যে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড এবার সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাবে। তবে শেষ চারে গিয়ে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হবে। ঠিক দুই দশক আগে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল আবারও ইংল্যান্ডকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিজেকে একজন ‘নিরাশাবাদী’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ক্লেমেন্ট এক দশক ধরে যুক্তরাজ্যে আছেন। তবে মজার বিষয় হলো, জুয়া খেলে অর্থ উপার্জন বা সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য তিনি এই মডেল তৈরি করেননি। মূলত অর্থনীতিবিদদের এক ধরনের অহংকার ভাঙার জেদ থেকেই এই কাজের শুরু।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ক্লেমেন্ট বলেন, এটি মূলত শুরু হয়েছিল এমন একটি কৌতুকপূর্ণ অনুশীলন হিসেবে, যার মাধ্যমে দেখানো যায় যে অর্থনীতিবিদরা কতটা অহংকার নিয়ে এমন সব বিষয়ের পূর্বাভাস দেন, যা নিয়ে প্রকৃতপক্ষে তাঁদের কোনো ধারণাই নেই। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে পরপর তিনবার মিলে যাওয়ার পর মানুষ তাঁকে একজন ফুটবল গুরু হিসেবে মানতে শুরু করেছে। অনেকে মনে করছেন এই মডেলকে কখনোই হারানো সম্ভব নয়।
বিশ্বকাপে কোনো দলের সাফল্য বা ব্যর্থতা কিছু নির্দিষ্ট কাঠামোগত উপাদানের ওপর নির্ভর করে, যা ক্লেমেন্ট তাঁর মডেলে ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের জনসংখ্যা, জিডিপি বা অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আবহাওয়া এবং ফিফা র্যাঙ্কিং। তবে এই অর্থনীতিবিদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এসব উপাদান দিয়ে মাঠের খেলার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যাখ্যা করা সম্ভব। বাকি ৫০ শতাংশ সম্পূর্ণ ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি পাঠকদের সতর্ক করে বলেন, যখন সমমানের দুটি পরাশক্তি মুখোমুখি হয়, তখন ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে সেদিনের ফর্ম, রেফারির সিদ্ধান্ত কিংবা গোলপোস্টে লেগে বল ফিরে আসার মতো অনিয়ন্ত্রিত সব ঘটনা। এগুলো কোনো গাণিতিক মডেল দিয়ে আগে থেকে পরিমাপ করা অসম্ভব।
বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক সংকট, যুদ্ধ ও নানা নেতিবাচক খবরের মাঝে এই বিশ্বকাপ মডেলিংকে নিজের দৈনন্দিন কাজের একঘেয়েমি দূর করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন ক্লেমেন্ট। তিনি আশা করেন, এই পূর্বাভাস ফুটবল ভক্তদের সাময়িক আনন্দ দেবে।
তবে টুর্নামেন্ট যত ঘনিয়ে আসছে, ক্লেমেন্টের ওপর চাপ তত বাড়ছে। তাঁর অফিসের সহকর্মীরাও এখন গুরুত্বের সাথে নিচ্ছেন এই মডেলকে। এমনকি নেদারল্যান্ডসের তারকা মিডফিল্ডার জাভি সিমন্সের চোটের কারণে মডেলের হিসাবে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়েও সহকর্মীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। অনেকেই আবার ক্লেমেন্টের পূর্বাভাসের ওপর ভরসা করে নেদারল্যান্ডসের পক্ষে বাজি ধরেছেন।
সব মিলিয়ে এক মিশ্র অনুভূতি নিয়ে জুনে মাঠে গড়াতে যাওয়া বিশ্বকাপের অপেক্ষায় আছেন এই অর্থনীতিবিদ। হাসতে হাসতে ক্লেমেন্ট বলেন, আমার সহকর্মীদের কয়েকজন নেদারল্যান্ডসের পক্ষে টাকা লাগিয়েছেন। তাই ডাচরা যদি এবার ব্যর্থ হয়, তবে টুর্নামেন্ট শেষে হয়তো লজ্জায় অফিস না করে আমাকে বাড়ি থেকেই কাজ করতে হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
শতভাগ নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়ে ফুটবল বিশ্বে হইচই ফেলে দেওয়া জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবারও হাজির হয়েছেন তাঁর চমকপ্রদ ফুটবল চাণক্য নীতি নিয়ে। ২০১০ বিশ্বকাপের ‘অক্টোপাস পল’ কিংবা ২০১৮ সালের ‘বিড়াল অ্যাকিলিস’কে ছাপিয়ে ২০১৪ সাল থেকে টানা তিন বিশ্বকাপের নিখুঁত বিজয়ী ঘোষণা করে ফুটবলপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই লগ্নী বিশেষজ্ঞ। জটিল গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই পূর্বাভাস এবার ইঙ্গিত করছে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের দিকে। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ ফুটবল মহাযজ্ঞের ট্রফি কার হাতে উঠছে, তা নিয়ে জোয়াকিম ক্লেমেন্টের এবারের গাণিতিক হিসাব-নিকাশ ইতিমধ্যেই ক্রীড়া বিশ্বে ব্যাপক কৌতূহল ও উন্মাদনা তৈরি করেছে।
খেলার মাঠের জয়-পরাজয় নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী নতুন কিছু নয়। তবে কোনো জ্যোতিষী বা অলৌকিক ক্ষমতার আশ্রয় না নিয়ে নিছক অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে টানা তিন বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল মিলিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরল ঘটনা। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসরত জার্মান অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ ব্যাংক প্যানমিউর লিবারামের প্রধান কৌশলবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এই অবিশ্বাস্য কৃতিত্বের অধিকারী। ২০১৪ সালে নিজের দেশ জার্মানির শিরোপা জয়, ২০১৮ সালে ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের নিখুঁত পূর্বাভাস দিয়ে তিনি এখন ফুটবল দুনিয়ায় এক আলোচিত নাম।
এবার ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য তাঁর গাণিতিক মডেল যে তথ্য দিচ্ছে, তা ফুটবল পণ্ডিতদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে। ক্লেমেন্টের পরিসংখ্যানভিত্তিক মডেল বলছে, এবার জুলাইয়ের ফাইনালে ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে নেদারল্যান্ডস। যদি এই পূর্বাভাস সত্যি হয়, তবে এটি হবে ক্লেমেন্টের মডেলের টানা চতুর্থ সাফল্য।
জোয়াকিম ক্লেমেন্টের এই মডেল কেবল চ্যাম্পিয়ন দলের নাম ঘোষণা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং ৪৮ দলের এই বিশাল টুর্নামেন্টের পুরো গতিপথ কেমন হতে পারে, তারও একটি সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরেছে। মডেলটির হিসাব অনুযায়ী, এবারের আসরের দ্বিতীয় রাউন্ডেই ঘটবে এক বড় অঘটন, যেখানে শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেবে এশিয়ান জায়ান্ট জাপান। একই পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরে বিদায় নেবে স্কটল্যান্ড।
এছাড়াও, এই মডেলে বলা হয়েছে যে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড এবার সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাবে। তবে শেষ চারে গিয়ে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হবে। ঠিক দুই দশক আগে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল আবারও ইংল্যান্ডকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিজেকে একজন ‘নিরাশাবাদী’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ক্লেমেন্ট এক দশক ধরে যুক্তরাজ্যে আছেন। তবে মজার বিষয় হলো, জুয়া খেলে অর্থ উপার্জন বা সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য তিনি এই মডেল তৈরি করেননি। মূলত অর্থনীতিবিদদের এক ধরনের অহংকার ভাঙার জেদ থেকেই এই কাজের শুরু।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ক্লেমেন্ট বলেন, এটি মূলত শুরু হয়েছিল এমন একটি কৌতুকপূর্ণ অনুশীলন হিসেবে, যার মাধ্যমে দেখানো যায় যে অর্থনীতিবিদরা কতটা অহংকার নিয়ে এমন সব বিষয়ের পূর্বাভাস দেন, যা নিয়ে প্রকৃতপক্ষে তাঁদের কোনো ধারণাই নেই। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে পরপর তিনবার মিলে যাওয়ার পর মানুষ তাঁকে একজন ফুটবল গুরু হিসেবে মানতে শুরু করেছে। অনেকে মনে করছেন এই মডেলকে কখনোই হারানো সম্ভব নয়।
বিশ্বকাপে কোনো দলের সাফল্য বা ব্যর্থতা কিছু নির্দিষ্ট কাঠামোগত উপাদানের ওপর নির্ভর করে, যা ক্লেমেন্ট তাঁর মডেলে ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের জনসংখ্যা, জিডিপি বা অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আবহাওয়া এবং ফিফা র্যাঙ্কিং। তবে এই অর্থনীতিবিদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এসব উপাদান দিয়ে মাঠের খেলার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যাখ্যা করা সম্ভব। বাকি ৫০ শতাংশ সম্পূর্ণ ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি পাঠকদের সতর্ক করে বলেন, যখন সমমানের দুটি পরাশক্তি মুখোমুখি হয়, তখন ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে সেদিনের ফর্ম, রেফারির সিদ্ধান্ত কিংবা গোলপোস্টে লেগে বল ফিরে আসার মতো অনিয়ন্ত্রিত সব ঘটনা। এগুলো কোনো গাণিতিক মডেল দিয়ে আগে থেকে পরিমাপ করা অসম্ভব।
বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক সংকট, যুদ্ধ ও নানা নেতিবাচক খবরের মাঝে এই বিশ্বকাপ মডেলিংকে নিজের দৈনন্দিন কাজের একঘেয়েমি দূর করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন ক্লেমেন্ট। তিনি আশা করেন, এই পূর্বাভাস ফুটবল ভক্তদের সাময়িক আনন্দ দেবে।
তবে টুর্নামেন্ট যত ঘনিয়ে আসছে, ক্লেমেন্টের ওপর চাপ তত বাড়ছে। তাঁর অফিসের সহকর্মীরাও এখন গুরুত্বের সাথে নিচ্ছেন এই মডেলকে। এমনকি নেদারল্যান্ডসের তারকা মিডফিল্ডার জাভি সিমন্সের চোটের কারণে মডেলের হিসাবে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়েও সহকর্মীদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। অনেকেই আবার ক্লেমেন্টের পূর্বাভাসের ওপর ভরসা করে নেদারল্যান্ডসের পক্ষে বাজি ধরেছেন।
সব মিলিয়ে এক মিশ্র অনুভূতি নিয়ে জুনে মাঠে গড়াতে যাওয়া বিশ্বকাপের অপেক্ষায় আছেন এই অর্থনীতিবিদ। হাসতে হাসতে ক্লেমেন্ট বলেন, আমার সহকর্মীদের কয়েকজন নেদারল্যান্ডসের পক্ষে টাকা লাগিয়েছেন। তাই ডাচরা যদি এবার ব্যর্থ হয়, তবে টুর্নামেন্ট শেষে হয়তো লজ্জায় অফিস না করে আমাকে বাড়ি থেকেই কাজ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন