আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মূল স্কোয়াডে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির জায়গা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে গেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবলের এই মহোৎসবের সবুজ মাঠে আলবিসেলেস্তেদের আকাশি-সাদা জার্সিতে আরও একবার তাকে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল অনুরাগী। আর এই মেগা টুর্নামেন্টে খেলতে নামার সাথে সাথেই আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় একাধিক নতুন ও অনন্য রেকর্ড গড়ার এক সোনালি সুযোগ তৈরি হবে, যা হয়তো ভবিষ্যতে অন্য কোনো ফুটবলারের পক্ষে স্পর্শ করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
বিগত ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতারের মহাকাব্যিক বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা পাঁচটি বিশ্বমঞ্চে নিজের ফুটবল শৈলী প্রদর্শন করেছেন লিওনেল মেসি। আসন্ন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে মাঠে পা রাখার সাথে সাথেই তিনি ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় কীর্তি স্থাপন করবেন। এর পাশাপাশি, বর্তমানে নিজের দখলে থাকা বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার যে বিশ্বরেকর্ডটি রয়েছে, এই আসরে প্রতিটি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে সেই রেকর্ডটিকে আরও অনেক উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার এবং নিজের অবস্থানকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকবে এই মহাতারকার সামনে।
কেবল মাঠের উপস্থিতি বা ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকেই নয়, ফুটবলের এই মহোৎসবে গোলের সংখ্যার রেকর্ডেও লিওনেল মেসির সামনে উঁকি দিচ্ছে এক নতুন ও রোমাঞ্চকর সম্ভাবনা। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত লড়াকু ফুটবল খেলে ১৩টি দৃষ্টিনন্দন গোল করেছেন মেসি, যার ফলে তিনি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোজার ১৬ গোলের রেকর্ডের একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছেন। আসন্ন এই আসরে প্রতিপক্ষের জালে আর মাত্র তিনটি গোল করতে পারলেই তিনি এই জার্মান কিংবদন্তির ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করবেন, আর যদি চার বা তার বেশি গোল করতে সক্ষম হন, তবে তা তাকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের এক নতুন ও অনন্য উচ্চতায়।
পেশাদার ফুটবলের পরিসংখ্যানে শুধু গোল বা ম্যাচের সংখ্যাই নয়, বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বা সবচেয়ে বেশি মিনিট মাঠে খেলা, সতীর্থদের দিয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করানো তথা সর্বাধিক অ্যাসিস্ট প্রদান এবং গোল করা ও করানোর যৌথ সমীকরণে সর্বাধিক গোল অবদানের মতো আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতেও নিজের রাজকীয় অবস্থানকে আরও বেশি শক্তিশালী ও অভেদ্য করার সুযোগ রয়েছে এই খুদে জাদুকরের সামনে। বিগত কাতার বিশ্বকাপে এক অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের মাধ্যমে বহু কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মধ্য দিয়ে লিওনেল মেসি নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ও আক্ষেপ ঘুচিয়েছিলেন। এবার ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ হতে পারে তার সেই কিংবদন্তি অধ্যায়ের আরেকটি সোনালি ও মহিমান্বিত সংযোজন, যেখানে ব্যক্তিগত রেকর্ডের খেরোখাতায় তিনি লিখে যেতে পারেন ফুটবলের এক নতুন ও অবিস্মরণীয় ইতিহাস।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মূল স্কোয়াডে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির জায়গা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে গেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবলের এই মহোৎসবের সবুজ মাঠে আলবিসেলেস্তেদের আকাশি-সাদা জার্সিতে আরও একবার তাকে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল অনুরাগী। আর এই মেগা টুর্নামেন্টে খেলতে নামার সাথে সাথেই আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের পাতায় একাধিক নতুন ও অনন্য রেকর্ড গড়ার এক সোনালি সুযোগ তৈরি হবে, যা হয়তো ভবিষ্যতে অন্য কোনো ফুটবলারের পক্ষে স্পর্শ করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
বিগত ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতারের মহাকাব্যিক বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা পাঁচটি বিশ্বমঞ্চে নিজের ফুটবল শৈলী প্রদর্শন করেছেন লিওনেল মেসি। আসন্ন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে মাঠে পা রাখার সাথে সাথেই তিনি ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় কীর্তি স্থাপন করবেন। এর পাশাপাশি, বর্তমানে নিজের দখলে থাকা বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার যে বিশ্বরেকর্ডটি রয়েছে, এই আসরে প্রতিটি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে সেই রেকর্ডটিকে আরও অনেক উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার এবং নিজের অবস্থানকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকবে এই মহাতারকার সামনে।
কেবল মাঠের উপস্থিতি বা ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকেই নয়, ফুটবলের এই মহোৎসবে গোলের সংখ্যার রেকর্ডেও লিওনেল মেসির সামনে উঁকি দিচ্ছে এক নতুন ও রোমাঞ্চকর সম্ভাবনা। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত লড়াকু ফুটবল খেলে ১৩টি দৃষ্টিনন্দন গোল করেছেন মেসি, যার ফলে তিনি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোজার ১৬ গোলের রেকর্ডের একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছেন। আসন্ন এই আসরে প্রতিপক্ষের জালে আর মাত্র তিনটি গোল করতে পারলেই তিনি এই জার্মান কিংবদন্তির ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করবেন, আর যদি চার বা তার বেশি গোল করতে সক্ষম হন, তবে তা তাকে নিয়ে যাবে বিশ্ব ফুটবলের এক নতুন ও অনন্য উচ্চতায়।
পেশাদার ফুটবলের পরিসংখ্যানে শুধু গোল বা ম্যাচের সংখ্যাই নয়, বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বা সবচেয়ে বেশি মিনিট মাঠে খেলা, সতীর্থদের দিয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করানো তথা সর্বাধিক অ্যাসিস্ট প্রদান এবং গোল করা ও করানোর যৌথ সমীকরণে সর্বাধিক গোল অবদানের মতো আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতেও নিজের রাজকীয় অবস্থানকে আরও বেশি শক্তিশালী ও অভেদ্য করার সুযোগ রয়েছে এই খুদে জাদুকরের সামনে। বিগত কাতার বিশ্বকাপে এক অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের মাধ্যমে বহু কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মধ্য দিয়ে লিওনেল মেসি নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ও আক্ষেপ ঘুচিয়েছিলেন। এবার ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ হতে পারে তার সেই কিংবদন্তি অধ্যায়ের আরেকটি সোনালি ও মহিমান্বিত সংযোজন, যেখানে ব্যক্তিগত রেকর্ডের খেরোখাতায় তিনি লিখে যেতে পারেন ফুটবলের এক নতুন ও অবিস্মরণীয় ইতিহাস।

আপনার মতামত লিখুন