দিকপাল

১১ মাসে ফল রপ্তানি করে আয় লাখ ডলার!


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ | ০৭:০২ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

১১ মাসে ফল রপ্তানি করে আয় লাখ ডলার!

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে এক নতুন ও সম্ভাবনাময় খাতের উত্থান ঘটিয়ে ফল রপ্তানি খাতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম এগারো মাসে বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি জাতের ফল আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে দেশ। এর আগের ২০২৪-২৫ পুরো অর্থবছরে এই খাত থেকে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, সেখানে এবার মাত্র এগারো মাসেই আয়ের খতিয়ান পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ফল রপ্তানি খাত থেকে বাংলাদেশের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৮২ শতাংশের বেশি। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ফল রপ্তানি থেকে এটিই দেশের সর্বোচ্চ এবং নজিরবিহীন আয় বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। সংশ্লিষ্ট খাতের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আম, পেয়ারা, কাঁঠালসহ হরেক রকমের খাঁটি দেশীয় ফলের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিগত তিনটি অর্থবছর ধরেই এই খাতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফল রপ্তানি থেকে যেখানে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, তার আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে সেই আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আয়ের এই জ্যামিতিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিবিদদের চমকে দিয়েছে।

কৃষি ও রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা ও মানদণ্ড অনুসরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নতি, পুরোপুরি রপ্তানিমুখী আধুনিক ফল চাষের পদ্ধতি সম্প্রসারণ এবং বিশ্ব বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়াই এই ধারাবাহিক ফল রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, 'বাদাম, তাজা বা শুকনো' শ্রেণির কৃষিপণ্য থেকে এবার রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বা বড় অংশটি অর্জিত হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে কেবল এই একটি বিশেষ খাত থেকেই আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার, যেখানে বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এর পাশাপাশি হিমায়িত ফল ও প্রক্রিয়াজাত বাদাম রপ্তানি থেকে আয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে। তাজা বা কাঁচা ফলের নিয়মিত রপ্তানিও এই সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান অবদান রেখেছে।

দেশীয় ফল রপ্তানিকারকদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ফলের মৌসুমে বাঙালির অতি প্রিয় ফল 'আম' এখনো পর্যন্ত দেশের প্রধান এবং সবচেয়ে লাভজনক রপ্তানি পণ্য হিসেবে নিজের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন উন্নত দেশে বসবাসকারী লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশীয় আমের চাহিদা ও কদর সবচেয়ে বেশি। এর বাইরে উন্নত গুণগত মান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দাম নির্ধারণ করার কারণে বাংলাদেশের পেয়ারা ও কাঁঠালও প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পাশাপাশি আনারস, রসালো লিচু, কলাসহ অন্যান্য সব মৌসুমি ফলের বৈশ্বিক চাহিদাও ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদিত এসব ফল মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ছাড়াও এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দূরবর্তী গন্তব্যে নিয়মিতভাবে রপ্তানি করা হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা দেশের ফলের বাজার নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক এক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ফল চাষের সনাতনী পদ্ধতিতে, বিশেষ করে দেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে এক অবিশ্বাস্য ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি উর্বর মাটিতে বর্তমানে এক ধরনের নীরব 'ফল বিপ্লব' সংঘটিত হচ্ছে। পাহাড়ে এখন ড্রাগন ফল, অত্যন্ত মূল্যবান কাজুবাদাম ও কফির মতো অর্থকরী ফসলের চাষ দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য সত্যিই এক বিরাট আশাব্যঞ্জক বার্তা।

এই সম্ভাবনাময় খাতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ অত্যন্ত যুক্তিযুক্তভাবে বলেন, ফল রপ্তানি খাতটি দেশের মূল অর্থনীতিতে অন্যান্য খাতের চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও টেকসই অবদান রাখতে সক্ষম। এর মূল কারণ হলো, এই পুরো খাতটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় কাঁচামাল এবং নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল। তৈরি পোশাক বা অন্যান্য ভারী শিল্প খাতের মতো ফল উৎপাদনে বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভর কোনো দামি উপকরণের খুব একটা প্রয়োজন হয় না। ফলে এই খাত থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, তার প্রায় পুরোটাই দেশের অভ্যন্তরে থেকে যায় এবং সরাসরি প্রান্তিক কৃষক ও উদ্যোক্তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার পথকে আরও মসৃণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


১১ মাসে ফল রপ্তানি করে আয় লাখ ডলার!

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে এক নতুন ও সম্ভাবনাময় খাতের উত্থান ঘটিয়ে ফল রপ্তানি খাতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম এগারো মাসে বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশি জাতের ফল আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে দেশ। এর আগের ২০২৪-২৫ পুরো অর্থবছরে এই খাত থেকে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, সেখানে এবার মাত্র এগারো মাসেই আয়ের খতিয়ান পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ফল রপ্তানি খাত থেকে বাংলাদেশের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৮২ শতাংশের বেশি। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ফল রপ্তানি থেকে এটিই দেশের সর্বোচ্চ এবং নজিরবিহীন আয় বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। সংশ্লিষ্ট খাতের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আম, পেয়ারা, কাঁঠালসহ হরেক রকমের খাঁটি দেশীয় ফলের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিগত তিনটি অর্থবছর ধরেই এই খাতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফল রপ্তানি থেকে যেখানে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, তার আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে সেই আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আয়ের এই জ্যামিতিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিবিদদের চমকে দিয়েছে।

কৃষি ও রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা ও মানদণ্ড অনুসরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নতি, পুরোপুরি রপ্তানিমুখী আধুনিক ফল চাষের পদ্ধতি সম্প্রসারণ এবং বিশ্ব বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়াই এই ধারাবাহিক ফল রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, 'বাদাম, তাজা বা শুকনো' শ্রেণির কৃষিপণ্য থেকে এবার রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বা বড় অংশটি অর্জিত হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে কেবল এই একটি বিশেষ খাত থেকেই আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার, যেখানে বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এর পাশাপাশি হিমায়িত ফল ও প্রক্রিয়াজাত বাদাম রপ্তানি থেকে আয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে। তাজা বা কাঁচা ফলের নিয়মিত রপ্তানিও এই সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান অবদান রেখেছে।

দেশীয় ফল রপ্তানিকারকদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ফলের মৌসুমে বাঙালির অতি প্রিয় ফল 'আম' এখনো পর্যন্ত দেশের প্রধান এবং সবচেয়ে লাভজনক রপ্তানি পণ্য হিসেবে নিজের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন উন্নত দেশে বসবাসকারী লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশীয় আমের চাহিদা ও কদর সবচেয়ে বেশি। এর বাইরে উন্নত গুণগত মান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দাম নির্ধারণ করার কারণে বাংলাদেশের পেয়ারা ও কাঁঠালও প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পাশাপাশি আনারস, রসালো লিচু, কলাসহ অন্যান্য সব মৌসুমি ফলের বৈশ্বিক চাহিদাও ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদিত এসব ফল মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ছাড়াও এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দূরবর্তী গন্তব্যে নিয়মিতভাবে রপ্তানি করা হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা দেশের ফলের বাজার নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক এক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ফল চাষের সনাতনী পদ্ধতিতে, বিশেষ করে দেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে এক অবিশ্বাস্য ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি উর্বর মাটিতে বর্তমানে এক ধরনের নীরব 'ফল বিপ্লব' সংঘটিত হচ্ছে। পাহাড়ে এখন ড্রাগন ফল, অত্যন্ত মূল্যবান কাজুবাদাম ও কফির মতো অর্থকরী ফসলের চাষ দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা দেশের সার্বিক কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য সত্যিই এক বিরাট আশাব্যঞ্জক বার্তা।

এই সম্ভাবনাময় খাতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ অত্যন্ত যুক্তিযুক্তভাবে বলেন, ফল রপ্তানি খাতটি দেশের মূল অর্থনীতিতে অন্যান্য খাতের চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও টেকসই অবদান রাখতে সক্ষম। এর মূল কারণ হলো, এই পুরো খাতটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় কাঁচামাল এবং নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল। তৈরি পোশাক বা অন্যান্য ভারী শিল্প খাতের মতো ফল উৎপাদনে বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভর কোনো দামি উপকরণের খুব একটা প্রয়োজন হয় না। ফলে এই খাত থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, তার প্রায় পুরোটাই দেশের অভ্যন্তরে থেকে যায় এবং সরাসরি প্রান্তিক কৃষক ও উদ্যোক্তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার পথকে আরও মসৃণ করবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল