দিকপাল

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরানের বিশ্বকাপ দল


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ | ১১:৫৩ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরানের বিশ্বকাপ দল

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত ও চরম উত্তেজনার আবহেই অবশেষে কাটল বড় ধরনের আন্তর্জাতিক জটিলতা। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র দশ দিন আগে ইরানের বিশ্বকাপ ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত ভিসা মঞ্জুর করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অত্যন্ত সংবেদনশীল এই কূটনৈতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক তথ্যটি গণমাধ্যমের সামনে নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের প্রধান রাষ্ট্রদূত আবোলফজল পাসানদিদেহ গত বৃহস্পতিবার রাতে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানিয়েছিলেন যে, ইরানের জাতীয় দলের ফুটবলাররা তখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ভিসা পাননি। তবে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা পরবর্তীতে জানান, আন্তর্জাতিক চাপ এবং ক্রীড়া কূটনীতির স্বার্থে শেষ মুহূর্তে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রাতারাতি ইরানি খেলোয়াড়দের এই ভিসা সংক্রান্ত আইনি অনুমোদন বা ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয়। তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক শুক্রবার তার অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আঙ্কারার মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত তাদের অসাধারণ ও চৌকস দলটির ওপর তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।


তবে খেলোয়াড়েরা ভিসা পেলেও ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, মার্কিন প্রশাসন এখনও ইরানের ফুটবল দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ভিসা প্রদান করেনি। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই বিষয়টি নিয়ে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফারস নিউজ কোনো নির্দিষ্ট সূত্রের নাম উল্লেখ না করে তাদের প্রতিবেদনে পরিষ্কার জানিয়েছে যে, জাতীয় দলের কিছু অপরিহার্য কারিগরি এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ভিসা এখনও ইস্যু করা হয়নি এবং মার্কিন দূতাবাস রহস্যজনক কারণে এখন পর্যন্ত তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।


বর্তমানে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ক্রীড়া উৎসব বিশ্বকাপ ফুটবলকে এক নজিরবিহীন ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে পরিণত করেছে। ১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই বিশ্ব ক্রীড়া ইতিহাসের প্রথম ঘটনা, যেখানে কোনো আয়োজক দেশ এমন একটি দেশের জাতীয় দলকে তাদের নিজেদের মাটিতে স্বাগত জানাতে যাচ্ছে, যার সঙ্গে তারা এই মুহূর্তে সরাসরি একটি বিধ্বংসী ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।


ভিসা প্রাপ্তির এই চরম অনিশ্চয়তা ও জটিলতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের অবস্থান যথাসম্ভব কম সময় রাখার কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে তেহরান শেষ মুহূর্তে এক নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পূর্বনির্ধারিত তাদের দলের বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্পটি অ্যারিজোনা থেকে হুট করে সরিয়ে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় স্থানান্তর করেছে। ইরানের জাতীয় দলটি রবিবার ভোরে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় এসে পৌঁছাবে বলে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’-তে থাকা ইরান আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসের বিখ্যাত স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে। একই মাঠে তারা পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে এবং পরবর্তীতে সিয়াটেল শহরে মিসরের বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি খেলবে।


ইরানি রাষ্ট্রদূত পাসানদিদেহ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনো অফিশিয়ালি বা আনুষ্ঠানিকভাবে বলেনি যে তারা ইরানি ফুটবল দলকে তাদের মাটিতে খেলতে দিতে চায় না। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার আইনপ্রণেতাদের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য মার্কিন ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ওয়াশিংটনের এই কঠোর নীতি ও কড়াকড়ির কারণেই গত ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ড্র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের বর্তমান সভাপতি মেহেদী তাজ, যিনি অতীতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


রাষ্ট্রদূত পাসানদিদেহ আরও বলেন, এত বড় বৈরী ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তেহরানের আন্তরিক প্রচেষ্টাকেই বিশ্ববাসীর সামনে ফুটিয়ে তোলে। মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে স্প্যানিশ দোভাষীর মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, চরম শত্রু ভাবাপন্ন দেশের মাটিতে হলেও এই বিশ্বমঞ্চে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ইরান আসলে গোটা বিশ্বের সামনে এটাই প্রমাণ করছে যে তারা যুদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সম্প্রীতি চায়।

 

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরানের বিশ্বকাপ দল

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত ও চরম উত্তেজনার আবহেই অবশেষে কাটল বড় ধরনের আন্তর্জাতিক জটিলতা। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র দশ দিন আগে ইরানের বিশ্বকাপ ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত ভিসা মঞ্জুর করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অত্যন্ত সংবেদনশীল এই কূটনৈতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক তথ্যটি গণমাধ্যমের সামনে নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের প্রধান রাষ্ট্রদূত আবোলফজল পাসানদিদেহ গত বৃহস্পতিবার রাতে অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানিয়েছিলেন যে, ইরানের জাতীয় দলের ফুটবলাররা তখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ভিসা পাননি। তবে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা পরবর্তীতে জানান, আন্তর্জাতিক চাপ এবং ক্রীড়া কূটনীতির স্বার্থে শেষ মুহূর্তে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রাতারাতি ইরানি খেলোয়াড়দের এই ভিসা সংক্রান্ত আইনি অনুমোদন বা ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয়। তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক শুক্রবার তার অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আঙ্কারার মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত তাদের অসাধারণ ও চৌকস দলটির ওপর তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।


তবে খেলোয়াড়েরা ভিসা পেলেও ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, মার্কিন প্রশাসন এখনও ইরানের ফুটবল দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ভিসা প্রদান করেনি। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই বিষয়টি নিয়ে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফারস নিউজ কোনো নির্দিষ্ট সূত্রের নাম উল্লেখ না করে তাদের প্রতিবেদনে পরিষ্কার জানিয়েছে যে, জাতীয় দলের কিছু অপরিহার্য কারিগরি এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ভিসা এখনও ইস্যু করা হয়নি এবং মার্কিন দূতাবাস রহস্যজনক কারণে এখন পর্যন্ত তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।


বর্তমানে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ক্রীড়া উৎসব বিশ্বকাপ ফুটবলকে এক নজিরবিহীন ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে পরিণত করেছে। ১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই বিশ্ব ক্রীড়া ইতিহাসের প্রথম ঘটনা, যেখানে কোনো আয়োজক দেশ এমন একটি দেশের জাতীয় দলকে তাদের নিজেদের মাটিতে স্বাগত জানাতে যাচ্ছে, যার সঙ্গে তারা এই মুহূর্তে সরাসরি একটি বিধ্বংসী ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।


ভিসা প্রাপ্তির এই চরম অনিশ্চয়তা ও জটিলতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের অবস্থান যথাসম্ভব কম সময় রাখার কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে তেহরান শেষ মুহূর্তে এক নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পূর্বনির্ধারিত তাদের দলের বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্পটি অ্যারিজোনা থেকে হুট করে সরিয়ে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় স্থানান্তর করেছে। ইরানের জাতীয় দলটি রবিবার ভোরে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় এসে পৌঁছাবে বলে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’-তে থাকা ইরান আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসের বিখ্যাত স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে। একই মাঠে তারা পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে এবং পরবর্তীতে সিয়াটেল শহরে মিসরের বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি খেলবে।


ইরানি রাষ্ট্রদূত পাসানদিদেহ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনো অফিশিয়ালি বা আনুষ্ঠানিকভাবে বলেনি যে তারা ইরানি ফুটবল দলকে তাদের মাটিতে খেলতে দিতে চায় না। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার আইনপ্রণেতাদের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত কোনো ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য মার্কিন ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ওয়াশিংটনের এই কঠোর নীতি ও কড়াকড়ির কারণেই গত ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ড্র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের বর্তমান সভাপতি মেহেদী তাজ, যিনি অতীতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


রাষ্ট্রদূত পাসানদিদেহ আরও বলেন, এত বড় বৈরী ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তেহরানের আন্তরিক প্রচেষ্টাকেই বিশ্ববাসীর সামনে ফুটিয়ে তোলে। মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে স্প্যানিশ দোভাষীর মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, চরম শত্রু ভাবাপন্ন দেশের মাটিতে হলেও এই বিশ্বমঞ্চে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ইরান আসলে গোটা বিশ্বের সামনে এটাই প্রমাণ করছে যে তারা যুদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সম্প্রীতি চায়।

 


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল