দিকপাল

হ্যাটট্রিক জয়ের স্বপ্নে বাংলাদেশ, প্রত্যাবর্তনের মিশনে ভারত


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ | ১১:০০ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

হ্যাটট্রিক জয়ের স্বপ্নে বাংলাদেশ, প্রত্যাবর্তনের মিশনে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইকে কেন্দ্র করে গোয়ার আইটিসি গ্র্যান্ড হোটেলে গতকাল দুপুর ১টায় আয়োজন করা হয়েছিল বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস থাকলেও মাঠের বাইরের আবহ ছিল একেবারেই ভিন্ন। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার এবং দলের নির্ভরযোগ্য অধিনায়ক মারিয়া মান্দা নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছু আগেই সম্মেলনস্থলে এসে উপস্থিত হন।

হোটেলের লবিতে বসে যখন তাঁরা ম্যাচ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন, ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হন ভারতীয় দলের প্রধান কোচ ক্রিসপিন ছেত্রী এবং দলের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা সঙ্গীতা বাসফোর। লবিতে বাংলাদেশের কোচকে দেখতে পেয়েই ভারতীয় কোচ নিজে এগিয়ে আসেন এবং দুই দলের এই দুই মাস্টারমাইন্ড বেশ কিছুক্ষণ খোশগল্পে মেতে ওঠেন। মাঠের চরম শত্রুতা ভুলে একে অপরকে আন্তরিকভাবে শুভকামনা জানান এই দুই ফুটবল ব্যক্তিত্ব। মাঠের বাইরের এই অভূতপূর্ব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অবশ্য মাঠের ভেতরের কঠিন বাস্তবতাকে আড়াল করতে পারছে না, কারণ গোয়ার পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে একটি অত্যন্ত উত্তপ্ত ও স্নায়ুচাপের ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশ দল যেখানে আজ টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট নিজেদের মাথায় ধরে রাখার অনন্য রেকর্ডের দিকে চোখ রাখছে, সেখানে স্বাগতিক ভারত তাদের হারানো গৌরব ও শিরোপা পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। মেয়েদের এই আঞ্চলিক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকে টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছিল ভারত। তবে গত দুই আসরে ভারতীয় সেই সাম্রাজ্য ভেঙে নতুন রানী হিসেবে আবির্ভূত হয় বাংলাদেশের মেয়েরা। যদিও এবারের আসরের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে, যা আজ ফাইনালের মঞ্চে মারিয়া মান্দাদের জন্য এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার অবশ্য অতীত নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন। তিনি মেয়েদের আত্মবিশ্বাসের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে বলেছেন যে, তারা দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ফাইনালে উঠেছে নাকি ভাগ্যক্রমে উঠেছে, তা এখন আর বিবেচ্য নয়। সবচেয়ে বড় সত্য হলো বাংলাদেশ আজ ফাইনালে খেলছে। খেলোয়াড়েরা টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার যে অদম্য ক্ষমতা দেখিয়েছে, সেটিই কোচের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন ফাইনালের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং গ্রুপ পর্বের হারের সঙ্গে আজকের এই মহা লড়াইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ম্যাচটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, আগের ম্যাচের ফলাফল আসলে মাঠের প্রকৃত পারফরম্যান্সের সঠিক চিত্র তুলে ধরেনি।

অন্য দিকে ভারতীয় কোচ ক্রিসপিন ছেত্রীও বাংলাদেশের কোচের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানিয়েছেন যে, ফাইনাল ম্যাচের সঙ্গে অন্য কোনো সাধারণ ম্যাচের তুলনা চলে না। এটি সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন মাত্রার এক লড়াই। দুই দলই একে অপরের শক্তি এবং দুর্বলতার জায়গাগুলো খুব ভালো করে জানে, তাই সেই অনুযায়ীই বিশেষ কৌশল সাজানো হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারতের জয় ৬টিতে, বাংলাদেশের জয় ২টিতে এবং বাকি ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। তা ছাড়া দুই দলই গত মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলার এক দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে।

গোয়ার আজকের এই হাইভোল্টেজ ফাইনালে দুই দলের কাছ থেকে উচ্চমানের ফুটবল দেখা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের কোচ কিছুটা বাস্তবসম্মত উত্তর দিয়েছেন। তিনি মনে করেন এখানকার অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও প্রচণ্ড গরম খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলা উপহার দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ভারতের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তাদের দলে বেশ কিছু গতিময় খেলোয়াড় রয়েছে যারা খুব সুন্দর ফুটবল খেলে। তাই তাদের রুখে দিতে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাটা অত্যন্ত জরুরি। দুই দলই এশিয়ান কাপের মতো বড় মঞ্চ থেকে অনেক কিছু শিখলেও এই বৈরী আবহাওয়ায় সেই মানের ফুটবল খেলা প্রায় অসম্ভব।

সেমিফাইনালে অসাধারণ এক গোল করে লাইমলাইটে আসা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমাকে নিয়ে ভারতীয় কোচ আলাদা পরিকল্পনা করার কথা স্বীকার করলেও, সেই কৌশল গোপনই রেখেছেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, পরিকল্পনা ফাঁস করলে তা বাংলাদেশের কোচের কানে পৌঁছে যাবে। ভারত দলে এমন বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার আছেন যারা যেকোনো মুহূর্তে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। আর এই কারণেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হতে নারাজ বাংলাদেশের অভিজ্ঞ কোচ। তিনি বিশ্বাস করেন ফুটবল খুব নিষ্ঠুর এবং এটি অতি আত্মবিশ্বাসীদের খুব দ্রুত মাটিতে আছড়ে ফেলে। তাই খেলোয়াড়দের বিনয়ী থেকে মাঠের প্রতিটি প্রান্তে একে অপরের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করতে হলে আজ ঋতুপর্ণা চাকমা কিংবা অধিনায়ক মারিয়া মান্দাদের নিজেদের ক্যারিয়ারের সেরা ফুটবলটাই মাঠে ঢেলে দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


হ্যাটট্রিক জয়ের স্বপ্নে বাংলাদেশ, প্রত্যাবর্তনের মিশনে ভারত

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইকে কেন্দ্র করে গোয়ার আইটিসি গ্র্যান্ড হোটেলে গতকাল দুপুর ১টায় আয়োজন করা হয়েছিল বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস থাকলেও মাঠের বাইরের আবহ ছিল একেবারেই ভিন্ন। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার এবং দলের নির্ভরযোগ্য অধিনায়ক মারিয়া মান্দা নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছু আগেই সম্মেলনস্থলে এসে উপস্থিত হন।

হোটেলের লবিতে বসে যখন তাঁরা ম্যাচ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন, ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হন ভারতীয় দলের প্রধান কোচ ক্রিসপিন ছেত্রী এবং দলের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা সঙ্গীতা বাসফোর। লবিতে বাংলাদেশের কোচকে দেখতে পেয়েই ভারতীয় কোচ নিজে এগিয়ে আসেন এবং দুই দলের এই দুই মাস্টারমাইন্ড বেশ কিছুক্ষণ খোশগল্পে মেতে ওঠেন। মাঠের চরম শত্রুতা ভুলে একে অপরকে আন্তরিকভাবে শুভকামনা জানান এই দুই ফুটবল ব্যক্তিত্ব। মাঠের বাইরের এই অভূতপূর্ব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অবশ্য মাঠের ভেতরের কঠিন বাস্তবতাকে আড়াল করতে পারছে না, কারণ গোয়ার পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে একটি অত্যন্ত উত্তপ্ত ও স্নায়ুচাপের ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশ দল যেখানে আজ টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট নিজেদের মাথায় ধরে রাখার অনন্য রেকর্ডের দিকে চোখ রাখছে, সেখানে স্বাগতিক ভারত তাদের হারানো গৌরব ও শিরোপা পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। মেয়েদের এই আঞ্চলিক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকে টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছিল ভারত। তবে গত দুই আসরে ভারতীয় সেই সাম্রাজ্য ভেঙে নতুন রানী হিসেবে আবির্ভূত হয় বাংলাদেশের মেয়েরা। যদিও এবারের আসরের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে, যা আজ ফাইনালের মঞ্চে মারিয়া মান্দাদের জন্য এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার অবশ্য অতীত নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন। তিনি মেয়েদের আত্মবিশ্বাসের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে বলেছেন যে, তারা দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ফাইনালে উঠেছে নাকি ভাগ্যক্রমে উঠেছে, তা এখন আর বিবেচ্য নয়। সবচেয়ে বড় সত্য হলো বাংলাদেশ আজ ফাইনালে খেলছে। খেলোয়াড়েরা টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার যে অদম্য ক্ষমতা দেখিয়েছে, সেটিই কোচের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন ফাইনালের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং গ্রুপ পর্বের হারের সঙ্গে আজকের এই মহা লড়াইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ম্যাচটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, আগের ম্যাচের ফলাফল আসলে মাঠের প্রকৃত পারফরম্যান্সের সঠিক চিত্র তুলে ধরেনি।

অন্য দিকে ভারতীয় কোচ ক্রিসপিন ছেত্রীও বাংলাদেশের কোচের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানিয়েছেন যে, ফাইনাল ম্যাচের সঙ্গে অন্য কোনো সাধারণ ম্যাচের তুলনা চলে না। এটি সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন মাত্রার এক লড়াই। দুই দলই একে অপরের শক্তি এবং দুর্বলতার জায়গাগুলো খুব ভালো করে জানে, তাই সেই অনুযায়ীই বিশেষ কৌশল সাজানো হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারতের জয় ৬টিতে, বাংলাদেশের জয় ২টিতে এবং বাকি ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। তা ছাড়া দুই দলই গত মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলার এক দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে।

গোয়ার আজকের এই হাইভোল্টেজ ফাইনালে দুই দলের কাছ থেকে উচ্চমানের ফুটবল দেখা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের কোচ কিছুটা বাস্তবসম্মত উত্তর দিয়েছেন। তিনি মনে করেন এখানকার অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও প্রচণ্ড গরম খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলা উপহার দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ভারতের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তাদের দলে বেশ কিছু গতিময় খেলোয়াড় রয়েছে যারা খুব সুন্দর ফুটবল খেলে। তাই তাদের রুখে দিতে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাটা অত্যন্ত জরুরি। দুই দলই এশিয়ান কাপের মতো বড় মঞ্চ থেকে অনেক কিছু শিখলেও এই বৈরী আবহাওয়ায় সেই মানের ফুটবল খেলা প্রায় অসম্ভব।

সেমিফাইনালে অসাধারণ এক গোল করে লাইমলাইটে আসা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমাকে নিয়ে ভারতীয় কোচ আলাদা পরিকল্পনা করার কথা স্বীকার করলেও, সেই কৌশল গোপনই রেখেছেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, পরিকল্পনা ফাঁস করলে তা বাংলাদেশের কোচের কানে পৌঁছে যাবে। ভারত দলে এমন বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার আছেন যারা যেকোনো মুহূর্তে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। আর এই কারণেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হতে নারাজ বাংলাদেশের অভিজ্ঞ কোচ। তিনি বিশ্বাস করেন ফুটবল খুব নিষ্ঠুর এবং এটি অতি আত্মবিশ্বাসীদের খুব দ্রুত মাটিতে আছড়ে ফেলে। তাই খেলোয়াড়দের বিনয়ী থেকে মাঠের প্রতিটি প্রান্তে একে অপরের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করতে হলে আজ ঋতুপর্ণা চাকমা কিংবা অধিনায়ক মারিয়া মান্দাদের নিজেদের ক্যারিয়ারের সেরা ফুটবলটাই মাঠে ঢেলে দিতে হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল