রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের র্যাম বা ঢালা ভেঙে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া এসবি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি অবশেষে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্ঘটনার দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী জাহাজের সহায়তায় বাসটি নদী থেকে টেনে তোলা হয়। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এই উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সাত নম্বর পন্টুনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেরিতে ওঠার আগমুহূর্তে বাসটি আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো সাধারণ যাত্রী ছিলেন না। ফলে এক বড় ধরনের প্রাণহানি ও বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে বাসের ভেতর থাকা চালক, চালকের সহকারী এবং তত্ত্বাবধায়ককে গুরুতর অবস্থায় নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় ঘাট সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী সব যাত্রীকে আগেভাগেই নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর কেবল চালক, সহকারী ও তত্ত্বাবধায়ককে নিয়ে বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য রওনা দেয়। কিন্তু সাত নম্বর পন্টুনের ওপর ওঠার পরপরই চালক গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। চালক আপ্রাণ চেষ্টা করেও গাড়িটি থামাতে পারেননি। একপর্যায়ে পন্টুনের ভারী লোহার ঢালা বা র্যাম ভেঙে বাসটি সরাসরি গভীর নদীতে তলিয়ে যায়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে আসা বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নদীতে পড়ে যায়। খবর পাওয়ার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টায় দুপুর ১২টার দিকে বাসটি জলমগ্ন অবস্থা থেকে টেনে ওপরে তোলা সম্ভব হয়। ঘাট কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং ঘটনার বিষয়ে আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের র্যাম বা ঢালা ভেঙে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া এসবি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি অবশেষে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্ঘটনার দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী জাহাজের সহায়তায় বাসটি নদী থেকে টেনে তোলা হয়। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এই উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সাত নম্বর পন্টুনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেরিতে ওঠার আগমুহূর্তে বাসটি আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো সাধারণ যাত্রী ছিলেন না। ফলে এক বড় ধরনের প্রাণহানি ও বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে বাসের ভেতর থাকা চালক, চালকের সহকারী এবং তত্ত্বাবধায়ককে গুরুতর অবস্থায় নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় ঘাট সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী সব যাত্রীকে আগেভাগেই নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর কেবল চালক, সহকারী ও তত্ত্বাবধায়ককে নিয়ে বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য রওনা দেয়। কিন্তু সাত নম্বর পন্টুনের ওপর ওঠার পরপরই চালক গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। চালক আপ্রাণ চেষ্টা করেও গাড়িটি থামাতে পারেননি। একপর্যায়ে পন্টুনের ভারী লোহার ঢালা বা র্যাম ভেঙে বাসটি সরাসরি গভীর নদীতে তলিয়ে যায়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে আসা বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নদীতে পড়ে যায়। খবর পাওয়ার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টায় দুপুর ১২টার দিকে বাসটি জলমগ্ন অবস্থা থেকে টেনে ওপরে তোলা সম্ভব হয়। ঘাট কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং ঘটনার বিষয়ে আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন