দিকপাল

ফিফা প্রীতি ম্যাচে কঠিন লড়াইয়ের আভাস হামজার


স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ | ১২:১৪ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ফিফা প্রীতি ম্যাচে কঠিন লড়াইয়ের আভাস হামজার

আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় বাংলাদেশ দলের জন্য আগামীকাল ৫ জুন একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং স্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দেশের ফুটবল ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, ইউরোপের কোনো দেশের মাটিতে তাদেরই জাতীয় দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটিই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফার বর্তমান ক্রমতালিকা বা র‍্যাংকিং বিবেচনা করলে সান মারিনো সবার নিচে অবস্থান করছে। ২১১টি দেশের মধ্যে তাদের অবস্থান একদম তলানিতে অর্থাৎ ২১১তম, অন্যদিকে বাংলাদেশ দল এই তালিকায় রয়েছে ১৮১তম স্থানে। দৃশ্যত কাগজের কলমে বাংলাদেশ দল র‍্যাংকিংয়ের বিচারে প্রতিপক্ষের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না বলে দেশের ফুটবল ভক্ত ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার দেওয়ান হামজা চৌধুরী।

ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই তারকা ফুটবলার সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হয়ে গত মঙ্গলবার সান মারিনোতে পৌঁছান এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথে ক্যাম্পে যোগ দেন। দলের সাথে যোগ দিয়েই তিনি আর কালক্ষেপণ না করে অনুশীলনে নেমে পড়েন। সেখানে দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফুটবল দলের নবনিযুক্ত প্রধান কোচ থমাস ডুলির সাথেও তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক পরিচয় ও কৌশলগত আলোচনা হয়। দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাফুফের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো একটি বিশেষ ভিডিও বার্তায় হামজা তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন যে, দলের সবার সাথে দীর্ঘ দিন পর দেখা হয়ে তাঁর ভীষণ ভালো লাগছে এবং তিনি একটি চমৎকার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

সান মারিনোর এই ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে দলের কৌশল এবং অন্যান্য খেলোয়াড়দের সাথে মাঠের বোঝাপড়া তৈরি করার জন্য হামজা চৌধুরী হাতে সময় পাচ্ছেন মাত্র দুই দিন। তবে তিনি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের মাটিতেই ফুটবল খেলছেন এবং ওখানকার আবহাওয়ার সাথে অভ্যস্ত, তাই কন্ডিশন বা জলবায়ুর সাথে দ্রুত মানিয়ে নিতে তাঁর কোনো সমস্যা হবে না বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। প্রতিপক্ষ সান মারিনো সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে হামজা জানান, ম্যাচটি দলের জন্য বেশ বড় রকমের একটি পরীক্ষা বা চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। তিনি ইতিমধ্যে দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের সাথে প্রতিপক্ষের খেলার ধরন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দলের অভিজ্ঞ ফুটবলাররা তাঁকে জানিয়েছেন যে, নতুন কোচের অধীনে বাংলাদেশ দল এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক স্টাইলে বা নতুন কৌশলে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সবাই দ্রুত সেই ছকের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। দলের অন্য দুই তরুণ ফুটবলার শমিত ও জায়ানের সাথে মাঠের মাঝভাগে একটি ভালো সমন্বয় তৈরি হবে বলে হামজা আশা প্রকাশ করেন এবং পুরো ম্যাচটি ঘিরে দলের সবার মাঝেই এক ধরনের বাড়তি রোমাঞ্চ কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।

ফিফা র‍্যাংকিংয়ের অবস্থান দেখে সান মারিনোকে দুর্বল ভাবার কোনো অবকাশ নেই বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন হামজা। তিনি অত্যন্ত পেশাদার ভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করে বলেন যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোনো ম্যাচই সহজ হয় না। সান মারিনো র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও তারা সারা বছর ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে জার্মানি, ইতালি, স্পেন বা ফ্রান্সের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং পরাশক্তি দেশগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত ম্যাচ খেলে থাকে। ফলে বিশ্বমানের ও গতিসম্পন্ন ফুটবল খেলার এক ধরনের সহজাত মানসিকতা ও অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে। তার ওপর ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাদেরই ঘরের মাঠে এবং বাংলাদেশের কোচও একদম নতুন। সব মিলিয়ে এই সংক্ষিপ্ত সময়ের প্রস্তুতিতে ইউরোপের মাটিতে প্রথম ম্যাচ খেলাটা ফুটবলারদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। তবে আসন্ন দক্ষিণ এশীয় ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই তথা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই ম্যাচটি বাংলাদেশ দলকে নিজেদের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতা যাচাই করতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।

এদিকে, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থমাস ডুলির জন্যও সান মারিনোর বিপক্ষে এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট বা অগ্নিপরীক্ষা। নতুন এই কোচের মতেও, প্রতিপক্ষ দল ফুটবল মানচিত্রে সবার শেষে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে তারা মোটেও ছেড়ে কথা বলবে না। যেহেতু তারা নিয়মিত ইউরোপের সেরা দলগুলোর শক্তিশালী আক্রমণভাগের মুখোমুখি হয়, তাই তাদের রক্ষণভাগ এবং দলীয় শৃঙ্খলা বেশ উন্নত মানের। সান মারিনো দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান ও দক্ষ ফুটবলার রয়েছে, যারা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। সব দিক বিবেচনা করে এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশকে জিততে হলে নিজেদের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে। তবে কোচের পরিকল্পনা ও দলের ফুটবলারদের লক্ষ্য একটাই—যেকোনো মূল্যে জয় ছিনিয়ে এনে দেশের ফুটবলে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করা।

অন্যদিকে, সান মারিনোর প্রতিবেশী দেশ ইতালিতে বেড়ে ওঠা প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার ফাহামিদুল ইসলামও এই ম্যাচ নিয়ে দারুণ আশাবাদী। দলের এই তরুণ সদস্য জানান, যেহেতু তিনি ইউরোপের বিশেষ করে ইতালির ফুটবল সংস্কৃতি, মাঠের পরিবেশ এবং খেলোয়াড়দের মানসিকতা খুব কাছ থেকে দেখে বড় হয়েছেন, তাই ওখানকার পরিবেশ তাঁর খুব চেনা। এই চেনা কন্ডিশন ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের জন্য মাঠে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবেন এবং সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবে বলে তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ফিফা প্রীতি ম্যাচে কঠিন লড়াইয়ের আভাস হামজার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় বাংলাদেশ দলের জন্য আগামীকাল ৫ জুন একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং স্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দেশের ফুটবল ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, ইউরোপের কোনো দেশের মাটিতে তাদেরই জাতীয় দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটিই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফার বর্তমান ক্রমতালিকা বা র‍্যাংকিং বিবেচনা করলে সান মারিনো সবার নিচে অবস্থান করছে। ২১১টি দেশের মধ্যে তাদের অবস্থান একদম তলানিতে অর্থাৎ ২১১তম, অন্যদিকে বাংলাদেশ দল এই তালিকায় রয়েছে ১৮১তম স্থানে। দৃশ্যত কাগজের কলমে বাংলাদেশ দল র‍্যাংকিংয়ের বিচারে প্রতিপক্ষের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না বলে দেশের ফুটবল ভক্ত ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার দেওয়ান হামজা চৌধুরী।

ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই তারকা ফুটবলার সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে রওনা হয়ে গত মঙ্গলবার সান মারিনোতে পৌঁছান এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথে ক্যাম্পে যোগ দেন। দলের সাথে যোগ দিয়েই তিনি আর কালক্ষেপণ না করে অনুশীলনে নেমে পড়েন। সেখানে দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফুটবল দলের নবনিযুক্ত প্রধান কোচ থমাস ডুলির সাথেও তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক পরিচয় ও কৌশলগত আলোচনা হয়। দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাফুফের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো একটি বিশেষ ভিডিও বার্তায় হামজা তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন যে, দলের সবার সাথে দীর্ঘ দিন পর দেখা হয়ে তাঁর ভীষণ ভালো লাগছে এবং তিনি একটি চমৎকার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

সান মারিনোর এই ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে দলের কৌশল এবং অন্যান্য খেলোয়াড়দের সাথে মাঠের বোঝাপড়া তৈরি করার জন্য হামজা চৌধুরী হাতে সময় পাচ্ছেন মাত্র দুই দিন। তবে তিনি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের মাটিতেই ফুটবল খেলছেন এবং ওখানকার আবহাওয়ার সাথে অভ্যস্ত, তাই কন্ডিশন বা জলবায়ুর সাথে দ্রুত মানিয়ে নিতে তাঁর কোনো সমস্যা হবে না বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। প্রতিপক্ষ সান মারিনো সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে হামজা জানান, ম্যাচটি দলের জন্য বেশ বড় রকমের একটি পরীক্ষা বা চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। তিনি ইতিমধ্যে দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের সাথে প্রতিপক্ষের খেলার ধরন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দলের অভিজ্ঞ ফুটবলাররা তাঁকে জানিয়েছেন যে, নতুন কোচের অধীনে বাংলাদেশ দল এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক স্টাইলে বা নতুন কৌশলে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সবাই দ্রুত সেই ছকের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। দলের অন্য দুই তরুণ ফুটবলার শমিত ও জায়ানের সাথে মাঠের মাঝভাগে একটি ভালো সমন্বয় তৈরি হবে বলে হামজা আশা প্রকাশ করেন এবং পুরো ম্যাচটি ঘিরে দলের সবার মাঝেই এক ধরনের বাড়তি রোমাঞ্চ কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন।

ফিফা র‍্যাংকিংয়ের অবস্থান দেখে সান মারিনোকে দুর্বল ভাবার কোনো অবকাশ নেই বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন হামজা। তিনি অত্যন্ত পেশাদার ভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করে বলেন যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোনো ম্যাচই সহজ হয় না। সান মারিনো র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও তারা সারা বছর ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে জার্মানি, ইতালি, স্পেন বা ফ্রান্সের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং পরাশক্তি দেশগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত ম্যাচ খেলে থাকে। ফলে বিশ্বমানের ও গতিসম্পন্ন ফুটবল খেলার এক ধরনের সহজাত মানসিকতা ও অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে। তার ওপর ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাদেরই ঘরের মাঠে এবং বাংলাদেশের কোচও একদম নতুন। সব মিলিয়ে এই সংক্ষিপ্ত সময়ের প্রস্তুতিতে ইউরোপের মাটিতে প্রথম ম্যাচ খেলাটা ফুটবলারদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। তবে আসন্ন দক্ষিণ এশীয় ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই তথা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই ম্যাচটি বাংলাদেশ দলকে নিজেদের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতা যাচাই করতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।

এদিকে, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থমাস ডুলির জন্যও সান মারিনোর বিপক্ষে এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট বা অগ্নিপরীক্ষা। নতুন এই কোচের মতেও, প্রতিপক্ষ দল ফুটবল মানচিত্রে সবার শেষে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে তারা মোটেও ছেড়ে কথা বলবে না। যেহেতু তারা নিয়মিত ইউরোপের সেরা দলগুলোর শক্তিশালী আক্রমণভাগের মুখোমুখি হয়, তাই তাদের রক্ষণভাগ এবং দলীয় শৃঙ্খলা বেশ উন্নত মানের। সান মারিনো দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান ও দক্ষ ফুটবলার রয়েছে, যারা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। সব দিক বিবেচনা করে এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশকে জিততে হলে নিজেদের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে। তবে কোচের পরিকল্পনা ও দলের ফুটবলারদের লক্ষ্য একটাই—যেকোনো মূল্যে জয় ছিনিয়ে এনে দেশের ফুটবলে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করা।

অন্যদিকে, সান মারিনোর প্রতিবেশী দেশ ইতালিতে বেড়ে ওঠা প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার ফাহামিদুল ইসলামও এই ম্যাচ নিয়ে দারুণ আশাবাদী। দলের এই তরুণ সদস্য জানান, যেহেতু তিনি ইউরোপের বিশেষ করে ইতালির ফুটবল সংস্কৃতি, মাঠের পরিবেশ এবং খেলোয়াড়দের মানসিকতা খুব কাছ থেকে দেখে বড় হয়েছেন, তাই ওখানকার পরিবেশ তাঁর খুব চেনা। এই চেনা কন্ডিশন ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের জন্য মাঠে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবেন এবং সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবে বলে তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল