যশোরের বেনাপোলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা ও ডিম নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে পুলিশ। এনসিপির অভিযোগ, বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পরে বেনাপোল স্থলবন্দর বাজার এলাকায় তাদের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।
দলটির দাবি, হামলায় ছাত্রশক্তির নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ এবং যুবশক্তির নেতা রুপম আহসান আহত হয়েছেন। ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল জানান, সীমান্তে কথিত ‘পুশ ইন’ চেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শনে যান। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন শেষে ফেরার পথে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে কয়েকজন যুবক গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে পালিয়ে যায়। এরপর বেনাপোল স্থলবন্দর বাজারে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
তবে অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন বেনাপোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।” অন্যদিকে, ঘটনার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে একটি ভাঙা গাড়ির কাচের ছবি শেয়ার করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, “ফেরার পথে আমাদের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।” ঘটনাটি নিয়ে এনসিপি ও পুলিশের বক্তব্যে স্পষ্ট ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। ফলে বেনাপোলে আসলে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
যশোরের বেনাপোলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা ও ডিম নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে পুলিশ। এনসিপির অভিযোগ, বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পরে বেনাপোল স্থলবন্দর বাজার এলাকায় তাদের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।
দলটির দাবি, হামলায় ছাত্রশক্তির নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ এবং যুবশক্তির নেতা রুপম আহসান আহত হয়েছেন। ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল জানান, সীমান্তে কথিত ‘পুশ ইন’ চেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শনে যান। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন শেষে ফেরার পথে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে কয়েকজন যুবক গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে পালিয়ে যায়। এরপর বেনাপোল স্থলবন্দর বাজারে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
তবে অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন বেনাপোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।” অন্যদিকে, ঘটনার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে একটি ভাঙা গাড়ির কাচের ছবি শেয়ার করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, “ফেরার পথে আমাদের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।” ঘটনাটি নিয়ে এনসিপি ও পুলিশের বক্তব্যে স্পষ্ট ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। ফলে বেনাপোলে আসলে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন