দিকপাল

সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত জীবন, পরিচয় সংকটে মানুষ


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ | ১২:৫৩ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত জীবন, পরিচয় সংকটে মানুষ

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নারী, পুরুষ ও শিশুদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অপচেষ্টাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সীমান্তের শূন্যরেখায় বেশ কয়েকজন মানুষ টানা তিন দিন ধরে আটকা পড়ে আছেন। চরম অনিশ্চয়তা আর মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে এই অসহায় মানুষগুলোর। তারা না পারছেন ভারতে ফিরে যেতে, না পারছেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে। পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এই মানুষগুলোর দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে, যার ফলে পুরো সীমান্ত জুড়েই এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, বিএসএফের পক্ষ থেকে এই মানুষগুলোকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। গত রোববার গভীর রাতে বিএসএফ তাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাছে বাংলাদেশি নাগরিকত্বের পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো ধরনের বৈধ প্রমাণপত্র বা তথ্য না থাকায় বিজিবি তাদের বাংলাদেশে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং পরিচয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই কাউকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যার পর বেনাপোলের সাদীপুর সীমান্তসংলগ্ন ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় কয়েকটি বড় ট্রাকে করে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষকে এনে জড়ো করা হয়। পরবর্তীতে রাতের অন্ধকারে সীমান্তের সার্চলাইট নিভিয়ে দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ আনুমানিক ১৫ জনকে শূন্যরেখার দিকে জোর করে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে ওই সময়ে সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা অত্যন্ত সতর্ক থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের এই অপচেষ্টা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ও সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে ভারতীয় সীমান্ত অংশের ভেতরে আরও শতাধিক মানুষকে একইভাবে আটকে রাখা হয়েছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে আবারও বড় ধরনের পুশইনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সীমান্তজুড়ে এক তীব্র আশঙ্কা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে বিজিবি। সীমান্তের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সাথে রাতের বেলার বিশেষ টহল ও সার্বক্ষণিক নজরদারি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ না থাকে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও উচ্ছেদ সংক্রান্ত কার্যক্রম জোরদার করার ফলেই সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলোতে এক ধরনের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মূলত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতায় পড়া কিছু মানুষের কারণেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অমানবিক পরিস্থিতি বারবার তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা এই মানুষগুলোর মৌলিক ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে উদ্ভূত সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। একই সাথে ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা এই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের দাবিও তুলেছেন সীমান্তবাসী, যাতে করে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যায়।

এই সার্বিক বিষয়ে বিজিবির যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে যদি কোনো ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হয়, তবে যথাযথ রাষ্ট্রীয় ও আইনি যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আন্তর্জাতিক আইন ও কোনো ধরনের নিয়ম-নীতি না মেনে যদি কাউকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়, তবে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না এবং বিজিবি তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শার্শা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আক্তারুজ্জামান লিটু এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সীমান্তে আটকে থাকা মানুষগুলো যে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এর পাশাপাশি দ্রুত তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে এই সংকটের একটি স্থায়ী ও আইনি সমাধান খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্থানীয় সীমান্তবাসীর বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের জন্য আজ বুধবার বেনাপোল সীমান্তে সফরে আসছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর এই সফরকালে তিনি সাদীপুর সীমান্ত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করবেন এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত জীবন, পরিচয় সংকটে মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নারী, পুরুষ ও শিশুদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) অপচেষ্টাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সীমান্তের শূন্যরেখায় বেশ কয়েকজন মানুষ টানা তিন দিন ধরে আটকা পড়ে আছেন। চরম অনিশ্চয়তা আর মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে এই অসহায় মানুষগুলোর। তারা না পারছেন ভারতে ফিরে যেতে, না পারছেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে। পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এই মানুষগুলোর দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে, যার ফলে পুরো সীমান্ত জুড়েই এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, বিএসএফের পক্ষ থেকে এই মানুষগুলোকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। গত রোববার গভীর রাতে বিএসএফ তাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাছে বাংলাদেশি নাগরিকত্বের পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো ধরনের বৈধ প্রমাণপত্র বা তথ্য না থাকায় বিজিবি তাদের বাংলাদেশে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং পরিচয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই কাউকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যার পর বেনাপোলের সাদীপুর সীমান্তসংলগ্ন ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় কয়েকটি বড় ট্রাকে করে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষকে এনে জড়ো করা হয়। পরবর্তীতে রাতের অন্ধকারে সীমান্তের সার্চলাইট নিভিয়ে দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ আনুমানিক ১৫ জনকে শূন্যরেখার দিকে জোর করে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে ওই সময়ে সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা অত্যন্ত সতর্ক থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের এই অপচেষ্টা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ও সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে ভারতীয় সীমান্ত অংশের ভেতরে আরও শতাধিক মানুষকে একইভাবে আটকে রাখা হয়েছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে আবারও বড় ধরনের পুশইনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সীমান্তজুড়ে এক তীব্র আশঙ্কা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে বিজিবি। সীমান্তের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সাথে রাতের বেলার বিশেষ টহল ও সার্বক্ষণিক নজরদারি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ না থাকে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও উচ্ছেদ সংক্রান্ত কার্যক্রম জোরদার করার ফলেই সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলোতে এক ধরনের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মূলত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতায় পড়া কিছু মানুষের কারণেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অমানবিক পরিস্থিতি বারবার তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা এই মানুষগুলোর মৌলিক ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে উদ্ভূত সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। একই সাথে ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা এই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের দাবিও তুলেছেন সীমান্তবাসী, যাতে করে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যায়।

এই সার্বিক বিষয়ে বিজিবির যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে যদি কোনো ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হয়, তবে যথাযথ রাষ্ট্রীয় ও আইনি যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আন্তর্জাতিক আইন ও কোনো ধরনের নিয়ম-নীতি না মেনে যদি কাউকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়, তবে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না এবং বিজিবি তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শার্শা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আক্তারুজ্জামান লিটু এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সীমান্তে আটকে থাকা মানুষগুলো যে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এর পাশাপাশি দ্রুত তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে এই সংকটের একটি স্থায়ী ও আইনি সমাধান খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্থানীয় সীমান্তবাসীর বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের জন্য আজ বুধবার বেনাপোল সীমান্তে সফরে আসছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর এই সফরকালে তিনি সাদীপুর সীমান্ত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করবেন এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল