দিকপাল

ইসরাইলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার টিউমার’ বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ | ০৬:১৭ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরাইলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার টিউমার’ বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

পবিত্র হজ ও মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববাসীকে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। এই বাণীতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনীতি এবং ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে ইসরায়েল রাষ্ট্রটিকে তিনি এই অঞ্চলের জন্য একটি মারাত্মক ও বিপজ্জনক ক্যানসার টিউমার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং একই সাথে একে পুরোপুরি নির্মূল করার ব্যাপারে নিজের এবং তার দেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


ইরানের স্বনামধন্য বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তার বার্তায় মুসলিম বিশ্বের বর্তমান সংকটগুলোর কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েল নামক এই ক্ষতিকর সত্ত্বাকে অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্যের মাটি থেকে উৎখাত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার স্বার্থেই ভবিষ্যতে তা নিশ্চিত করা হবে। এই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার জন্য তিনি একে প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন।


নিজের বার্তায় খামেনি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান তার শত্রুদের ওপর যে বিধ্বংসী আঘাত হেনেছে, তা জায়নবাদী শাসনব্যবস্থাকে এক প্রকার অসহায় ও কোণঠাসা করে তুলেছে। ইরানের এই কঠোর ও সময়োপযোগী প্রতিরোধ কেবল ইসরায়েলকেই কাঁপিয়ে দেয়নি, বরং তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও এটি একটি কঠিন চপেটাঘাত বা চরম আঘাত হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ইরানের শক্তি ও সাহসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।


চলতি বছরের হজ মৌসুমকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহর প্রতি একটি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবারের হজের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করার বিষয়টি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। সমগ্র মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ডাক দিয়ে তিনি প্রত্যাশা করেন যে, এবারের পবিত্র প্রান্তরে সমবেত হওয়া ইসলামি উম্মাহর প্রধান ও সম্মিলিত স্লোগান হয়ে উঠবে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’। সাম্রাজ্যবাদ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুসলিমদের এই কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।


মূল তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


ইসরাইলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার টিউমার’ বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র হজ ও মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববাসীকে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। এই বাণীতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনীতি এবং ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে ইসরায়েল রাষ্ট্রটিকে তিনি এই অঞ্চলের জন্য একটি মারাত্মক ও বিপজ্জনক ক্যানসার টিউমার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং একই সাথে একে পুরোপুরি নির্মূল করার ব্যাপারে নিজের এবং তার দেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


ইরানের স্বনামধন্য বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তার বার্তায় মুসলিম বিশ্বের বর্তমান সংকটগুলোর কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েল নামক এই ক্ষতিকর সত্ত্বাকে অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্যের মাটি থেকে উৎখাত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার স্বার্থেই ভবিষ্যতে তা নিশ্চিত করা হবে। এই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার জন্য তিনি একে প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন।


নিজের বার্তায় খামেনি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান তার শত্রুদের ওপর যে বিধ্বংসী আঘাত হেনেছে, তা জায়নবাদী শাসনব্যবস্থাকে এক প্রকার অসহায় ও কোণঠাসা করে তুলেছে। ইরানের এই কঠোর ও সময়োপযোগী প্রতিরোধ কেবল ইসরায়েলকেই কাঁপিয়ে দেয়নি, বরং তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও এটি একটি কঠিন চপেটাঘাত বা চরম আঘাত হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ইরানের শক্তি ও সাহসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।


চলতি বছরের হজ মৌসুমকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহর প্রতি একটি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবারের হজের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করার বিষয়টি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। সমগ্র মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ডাক দিয়ে তিনি প্রত্যাশা করেন যে, এবারের পবিত্র প্রান্তরে সমবেত হওয়া ইসলামি উম্মাহর প্রধান ও সম্মিলিত স্লোগান হয়ে উঠবে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’। সাম্রাজ্যবাদ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুসলিমদের এই কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।


মূল তথ্যসূত্র: আলজাজিরা


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল