চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিগত চার অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক স্বর্ণের বার দেশে প্রবেশ করলেও এর একটি বড় অংশ দেশের স্থানীয় অলংকার বাজারে ব্যবহৃত না হওয়ায় তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য ও চাঞ্চল্য। বিমানবন্দর দিয়ে লাখ লাখ পিস স্বর্ণের বার বৈধ ও অবৈধ উপায়ে আসার পর যার বর্তমান বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকারও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, তার আসল গন্তব্য আসলে কোথায় তা নিয়ে এখন জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) বিমানবন্দর ও কাস্টমস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার পিস স্বর্ণের বার শুল্ক দিয়ে বৈধ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে ১৩৩ কেজি অবৈধ স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা শ্রমজীবী ও প্রবাসীদের হাত ধরে আসা এসব স্বর্ণের চালান বাহকদের মাধ্যমে বেশি এলেও বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নেতারা দাবি করেছেন যে এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার তাদের প্রথাগত অলংকার বাজারে আসছে না।
সারাদেশে ছোট-বড় প্রায় ৫০ হাজার স্বর্ণের দোকান থাকলেও এবং বৈধ বা অবৈধভাবে আসা এই সোনার পাহাড়ের সঠিক হদিস স্থানীয় বাজারে না মেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট মহলে নানামুখী জল্পনা শুরু হয়েছে। কেবল বাহকদের আটক করা হলেও এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের আসল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ায় বিশাল অঙ্কের এই স্বর্ণের বারগুলোর শেষ গন্তব্য নিয়ে গভীর তদন্তের দাবি উঠেছে।
সূত্র: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস ও বাজুস

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিগত চার অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক স্বর্ণের বার দেশে প্রবেশ করলেও এর একটি বড় অংশ দেশের স্থানীয় অলংকার বাজারে ব্যবহৃত না হওয়ায় তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য ও চাঞ্চল্য। বিমানবন্দর দিয়ে লাখ লাখ পিস স্বর্ণের বার বৈধ ও অবৈধ উপায়ে আসার পর যার বর্তমান বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকারও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, তার আসল গন্তব্য আসলে কোথায় তা নিয়ে এখন জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) বিমানবন্দর ও কাস্টমস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার পিস স্বর্ণের বার শুল্ক দিয়ে বৈধ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে ১৩৩ কেজি অবৈধ স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা শ্রমজীবী ও প্রবাসীদের হাত ধরে আসা এসব স্বর্ণের চালান বাহকদের মাধ্যমে বেশি এলেও বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নেতারা দাবি করেছেন যে এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার তাদের প্রথাগত অলংকার বাজারে আসছে না।
সারাদেশে ছোট-বড় প্রায় ৫০ হাজার স্বর্ণের দোকান থাকলেও এবং বৈধ বা অবৈধভাবে আসা এই সোনার পাহাড়ের সঠিক হদিস স্থানীয় বাজারে না মেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট মহলে নানামুখী জল্পনা শুরু হয়েছে। কেবল বাহকদের আটক করা হলেও এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের আসল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ায় বিশাল অঙ্কের এই স্বর্ণের বারগুলোর শেষ গন্তব্য নিয়ে গভীর তদন্তের দাবি উঠেছে।
সূত্র: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস ও বাজুস

আপনার মতামত লিখুন