জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং এক বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির পিতা' বলে সম্বোধন করায় তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং অনুষ্ঠান শুরু হতে বিলম্ব ঘটে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না দেখতে পেয়ে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উঠতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যানারটি নামিয়ে ফেলেন এবং স্কচটেপ দিয়ে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার ব্যানারে সাঁটানোর পর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। তবে সভা চলাকালে জিয়া পরিষদের পৌর সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান তাঁর বক্তৃতায় একাধিকবার শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির পিতা' ও 'বঙ্গবন্ধু' বলে সম্বোধন করলে সভাস্থলে আবারও তীব্র হট্টগোল শুরু হয় এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভসহ ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে ওই বক্তাকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঘটনার পর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান প্রশাসনের ভেতরে ফ্যাসিবাদের দোসরদের চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অপরদিকে ইন্টারনেট থেকে ছবি সংগ্রহ করে ব্যানার তৈরি করা হয়েছিল উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া সবার সামনে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন, এবং প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী পুরো ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত কি না তা খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ক্যাটাগরি: জাতীয় / রাজনীতি
সূত্র: জেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম প্রতিবেদন

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং এক বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির পিতা' বলে সম্বোধন করায় তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং অনুষ্ঠান শুরু হতে বিলম্ব ঘটে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না দেখতে পেয়ে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মঞ্চে উঠতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যানারটি নামিয়ে ফেলেন এবং স্কচটেপ দিয়ে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার ব্যানারে সাঁটানোর পর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। তবে সভা চলাকালে জিয়া পরিষদের পৌর সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান তাঁর বক্তৃতায় একাধিকবার শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির পিতা' ও 'বঙ্গবন্ধু' বলে সম্বোধন করলে সভাস্থলে আবারও তীব্র হট্টগোল শুরু হয় এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভসহ ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে ওই বক্তাকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঘটনার পর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান প্রশাসনের ভেতরে ফ্যাসিবাদের দোসরদের চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অপরদিকে ইন্টারনেট থেকে ছবি সংগ্রহ করে ব্যানার তৈরি করা হয়েছিল উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া সবার সামনে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন, এবং প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী পুরো ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত কি না তা খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ক্যাটাগরি: জাতীয় / রাজনীতি
সূত্র: জেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম প্রতিবেদন

আপনার মতামত লিখুন