দিকপাল

৭ নভেম্বর ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ণয়ের দিন, স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের


আল জাবিরী
আল জাবিরী সম্পাদক
প্রকাশ : শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ০১:১৯ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

৭ নভেম্বর ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ণয়ের দিন, স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

একাত্তরের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার এবং সাত নভেম্বর ছিল ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ণয়ের দিন। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। 

শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) আর্মি স্টেডিয়ামের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে—এটিই সাত নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ইতিহাস ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করে তিনি একে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘ম্যাগনা কার্টা’ এবং জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর হিসেবে অভিহিত করেন।

দেশের স্বার্থে তারুণ্যের আপসহীন ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তর, পঁচাত্তর, নব্বই কিংবা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি সংকটেই এ দেশের তরুণ সমাজ প্রমাণ করেছে দেশের প্রশ্নে তারা কখনো আপস করে না। একটি নিরাপদ, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলেও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। 

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


৭ নভেম্বর ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ণয়ের দিন, স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

একাত্তরের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার এবং সাত নভেম্বর ছিল ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ণয়ের দিন। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। 

শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) আর্মি স্টেডিয়ামের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে—এটিই সাত নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ইতিহাস ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করে তিনি একে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘ম্যাগনা কার্টা’ এবং জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর হিসেবে অভিহিত করেন।

দেশের স্বার্থে তারুণ্যের আপসহীন ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তর, পঁচাত্তর, নব্বই কিংবা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি সংকটেই এ দেশের তরুণ সমাজ প্রমাণ করেছে দেশের প্রশ্নে তারা কখনো আপস করে না। একটি নিরাপদ, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলেও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। 


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল