মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনে হামলায় নিহত পোশাক শ্রমিক তৌফিক শেখের (২২) মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত তবিবর রহমান তবির ছেলে।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্বজনরা তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন, এ সময় শোকার্ত স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। নিহত তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ ব্যাচের এসএসসি শিক্ষার্থী ছিলেন এবং জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার গাজীপুরে আন্দোলন চলাকালে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করার সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাইসহ এলাকাবাসী।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনে হামলায় নিহত পোশাক শ্রমিক তৌফিক শেখের (২২) মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত তবিবর রহমান তবির ছেলে।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্বজনরা তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন, এ সময় শোকার্ত স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। নিহত তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ ব্যাচের এসএসসি শিক্ষার্থী ছিলেন এবং জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার গাজীপুরে আন্দোলন চলাকালে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করার সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাইসহ এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন