চলমান বা সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে কুড়িটিরও বেশি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে ইরানের নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত ইরনার সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সমন্বয়বিষয়ক উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল জলিল মোকাদ্দাম জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ৪০ দিনের সংঘাত চলাকালে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আরও প্রায় ৩০০টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযান ইরানের নৌবাহিনীর অব্যাহত সামরিক সক্ষমতার অকাট্য প্রমাণ দিয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি মার্কিন সরকারের করা ‘ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে’ এমন দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের উপকূলের কাছাকাছি আসা থেকে বিরত থেকে হরমুজ প্রণালির শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছে।
অভিযানগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে মোকাদ্দাম জানান, সংঘাতের প্রথম দিকেই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’-এর অবস্থান শনাক্ত করে একটি কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে রণতরীটিকে তিন দিন বিমান পরিচালনা কার্যক্রম বন্ধ রেখে উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে হয়। এছাড়া বাণিজ্যিক জাহাজে হয়রানির জবাবে ‘ডিডিজি ১০৩’ (DDG 103) নামক মার্কিন ডেস্ট্রয়ারসহ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশচেষ্টাকারী আরও তিনটি ডেস্ট্রয়ারের বিরুদ্ধে ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে সমন্বিত হামলা চালানো হয়। ভবিষ্যতে যেকোনো সংঘাত মোকাবিলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ক্যাটাগরি: আন্তর্জাতিক / মধ্যপ্রাচ্য
সূত্র: পার্স টুডে

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
চলমান বা সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে কুড়িটিরও বেশি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে ইরানের নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) প্রকাশিত ইরনার সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সমন্বয়বিষয়ক উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল জলিল মোকাদ্দাম জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ৪০ দিনের সংঘাত চলাকালে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আরও প্রায় ৩০০টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযান ইরানের নৌবাহিনীর অব্যাহত সামরিক সক্ষমতার অকাট্য প্রমাণ দিয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি মার্কিন সরকারের করা ‘ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে’ এমন দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের উপকূলের কাছাকাছি আসা থেকে বিরত থেকে হরমুজ প্রণালির শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছে।
অভিযানগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে মোকাদ্দাম জানান, সংঘাতের প্রথম দিকেই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’-এর অবস্থান শনাক্ত করে একটি কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে রণতরীটিকে তিন দিন বিমান পরিচালনা কার্যক্রম বন্ধ রেখে উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে হয়। এছাড়া বাণিজ্যিক জাহাজে হয়রানির জবাবে ‘ডিডিজি ১০৩’ (DDG 103) নামক মার্কিন ডেস্ট্রয়ারসহ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশচেষ্টাকারী আরও তিনটি ডেস্ট্রয়ারের বিরুদ্ধে ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে সমন্বিত হামলা চালানো হয়। ভবিষ্যতে যেকোনো সংঘাত মোকাবিলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ক্যাটাগরি: আন্তর্জাতিক / মধ্যপ্রাচ্য
সূত্র: পার্স টুডে

আপনার মতামত লিখুন