কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাজারে কীটনাশক কিনতে গিয়ে অভিনব এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন মহসিন নামের এক স্থানীয় সার ডিলার। প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ টাকার কীটনাশকের অর্ডার দিয়ে কার্টুনের ভেতর ওষুধের বদলে কেবল বাঁশের টুকরো পাওয়ার পর ব্যবসায়ীর বুদ্ধিমত্তায় হাতেনাতে ধরা পড়েছে প্রতারক চক্রের এক ডেলিভারিম্যান।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) রাতে চান্দিনার মাধাইয়া বাজারে এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কিছুদিন আগে মুঠোফোনে ফেনীর এক ব্যবসায়ীর নিকট বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশকসহ বিভিন্ন মালামাল অর্ডার করেছিলেন সার ডিলার মহসিন। পূর্বের নির্ধারিত অর্ডার অনুযায়ী ওই দিন রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে করে মালামালগুলো তাঁর দোকানে পৌঁছে দেয় এক ডেলিভারিম্যান। পণ্যগুলো নামানোর পরপরই ডিলারের কাছ থেকে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে ডেলিভারিম্যান অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে সটকে পড়ার চেষ্টা করলে মহসিনের মনে তীব্র সন্দেহ জাগে।
পরবর্তীতে সন্দেহ দূর করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মালামালের ক্যারেট ও বাক্সগুলো খুলে পরীক্ষা করেন। বাক্স খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে কীটনাশকের কোনো নামগন্ধ নেই; বরং সুকৌশলে শুধু বাঁশের টুকরো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীর ত্বরিত বুদ্ধিমত্তা ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই প্রতারক ডেলিভারিম্যানকে হাতেনাতে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয় এবং ডিলার মহসিন তাঁর লেনদেন করা সম্পূর্ণ টাকাটাই উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
বিষয় : কুমিল্লা চান্দিনা

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাজারে কীটনাশক কিনতে গিয়ে অভিনব এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন মহসিন নামের এক স্থানীয় সার ডিলার। প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ টাকার কীটনাশকের অর্ডার দিয়ে কার্টুনের ভেতর ওষুধের বদলে কেবল বাঁশের টুকরো পাওয়ার পর ব্যবসায়ীর বুদ্ধিমত্তায় হাতেনাতে ধরা পড়েছে প্রতারক চক্রের এক ডেলিভারিম্যান।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) রাতে চান্দিনার মাধাইয়া বাজারে এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কিছুদিন আগে মুঠোফোনে ফেনীর এক ব্যবসায়ীর নিকট বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশকসহ বিভিন্ন মালামাল অর্ডার করেছিলেন সার ডিলার মহসিন। পূর্বের নির্ধারিত অর্ডার অনুযায়ী ওই দিন রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে করে মালামালগুলো তাঁর দোকানে পৌঁছে দেয় এক ডেলিভারিম্যান। পণ্যগুলো নামানোর পরপরই ডিলারের কাছ থেকে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে ডেলিভারিম্যান অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে সটকে পড়ার চেষ্টা করলে মহসিনের মনে তীব্র সন্দেহ জাগে।
পরবর্তীতে সন্দেহ দূর করতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মালামালের ক্যারেট ও বাক্সগুলো খুলে পরীক্ষা করেন। বাক্স খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে কীটনাশকের কোনো নামগন্ধ নেই; বরং সুকৌশলে শুধু বাঁশের টুকরো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীর ত্বরিত বুদ্ধিমত্তা ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই প্রতারক ডেলিভারিম্যানকে হাতেনাতে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয় এবং ডিলার মহসিন তাঁর লেনদেন করা সম্পূর্ণ টাকাটাই উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

আপনার মতামত লিখুন