মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী মানিক পশারীর (৮৭) মরদেহ পুলিশি পাহারায় অবশেষে দাফন করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা নানা জটিলতা ও টানাপোড়েনের পর গভীর রাতে তাঁর নিজ বাড়িতে দাফন কাজ শেষ হয়।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর নিজ বাসভবনে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মরদেহ নিয়ে এলে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে পুলিশের সহায়তায় লাশ পুলিশ লাইনসে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং বিকেলে সেখানেই তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে রাত ১টার দিকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সহায়তায় লাশ চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে পৌঁছানো হয়। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রয়াত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদী ও অন্যতম সাক্ষী মানিক পশারীর (৮৭) মরদেহ পুলিশি পাহারায় অবশেষে দাফন করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা নানা জটিলতা ও টানাপোড়েনের পর গভীর রাতে তাঁর নিজ বাড়িতে দাফন কাজ শেষ হয়।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর নিজ বাসভবনে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মরদেহ নিয়ে এলে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে পুলিশের সহায়তায় লাশ পুলিশ লাইনসে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং বিকেলে সেখানেই তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে রাত ১টার দিকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সহায়তায় লাশ চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে পৌঁছানো হয়। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন